A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘চিত্রটি লক্ষ কর…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩ – জীবে পরিবহণ, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: দিনাজপুর বোর্ড📅 সাল: ২০২৩⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

চিত্রটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :

উত্তর:

হৃৎপিণ্ডের রক্ত চলাচল কমে যাবার ফলে বুকে ব্যথা অনুভূত হওয়ার ঘটনাই হলো Angina।

উত্তর:

রক্তচাপের সিস্টোলিক মান ১২০ এর উপরে পৌঁছালে তাকে উচ্চ রক্তচাপ বলে। ওজন বেশি বেড়ে গেলে লবণ কিংবা এবং চর্বিযুক্ত খাদ্য বেশি খেলে, অথবা পরিবারে অন্য সদস্যদের ডায়াবেটিস, কোলেস্টরল বা উচ্চ রক্তচাপের পূর্ব ইতিহাস থাকলে এই রোগ হতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের কারণে স্ট্রোক ও করোনারি ধমনি রোগের মতো মারাত্মক রোগ হয় এবং প্রতিবছর বহু মানুষ এসব কারণে মৃত্যুবরণ করে। এ কারণেই উচ্চ রক্তচাপকে নীরব ঘাতক বলা হয়।

উত্তর:

উদ্দীপকের 'A' চিত্রের X প্রক্রিয়াটি হলো প্রস্বেদন। এ প্রস্বেদন প্রক্রিয়াটিকে উদ্ভিদের একটি অতি প্রয়োজনীয় অমঙ্গল বা Necessary Evil বলা হয়। নিম্নে তা যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করা হলো-
প্রস্বেদন প্রক্রিয়ার উপরে সজীব উদ্ভিদ কোষের বিপাকীয় কার্যক্রম অনেকাংশে নির্ভরশীল। প্রস্বেদনের ফলে জাইলেমবাহিকায় টান পড়ে। এই টানের ফলে উদ্ভিদের মূলরোম কর্তৃক শোষিত পানি ও খনিজ লবণ পাতায় পরিবাহিত হয়। এ টানের ঘাটতি হলে পানি শোষণ কমে যাবে এবং খাদ্য প্রস্তুতসহ অনেক বিপাকীয় কার্যক্রম ধীর হয়ে যাবে। প্রস্বেদনের ফলে পাতার মেসোফিলে ব্যাপন চাপ ঘাটতি সৃষ্টি হয় যা পানি শোষণে সাহায্য করে। উদ্ভিদ প্রস্বেদনের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত পত্রফলক কর্তৃক শোষিত তাপশক্তি হ্রাস করে পাতার কোষগুলোর তাপমাত্রা সহনশীল পর্যায়ে রাখে। তবে যদি পানি শোষণের চেয়ে প্রস্বেদনে পানি হারানোর হার অধিক হয় তবে উদ্ভিদের জন্য পানি ও খনিজের ঘাটতি দেখা দেবে। এর ফলে উদ্ভিদটির মৃত্যুও হতে পারে। মাটিতে পানির ঘাটতি থাকলে শোষণ কম হবে কিন্তু প্রস্বেদন পূর্বের মতো চলতে থাকবে। এ অবস্থাকে ঠেকাতে প্রকৃতি শীত মৌসুমে বহু উদ্ভিদের পাতা ঝরিয়ে দেয়। যা উদ্ভিদের জন্য ক্ষতিকর।
তাই প্রস্বেদনের এরূপ বৈশিষ্ট্যের জন্যই একে Necessary Evil বা প্রয়োজনীয় অমঙ্গল বলা হয়।

উত্তর:

উদ্দীপকে B দ্বারা শ্বেত রক্তকণিকাকে বোঝানো হয়েছে। শ্বেত রক্তকণিকার অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত কারণে লিউকেমিয়া বা রক্তকোষের ক্যান্সার হতে পারে।
শিশু জন্মের পর থেকে লাল অস্থিমজ্জা থেকে লোহিত রক্তকণিকা তৈরি শুরু হয়। এগুলো প্রধানত দেহে O₂ সরবরাহ করে। যদি কোনো কারণে লোহিত অস্থিমজ্জা লোহিত কণিকা উৎপাদনে ব্যর্থ হয় এবং পক্ষান্তরে অস্বাভাবিক শ্বেতকণিকার বৃদ্ধি ঘটে তাহলে রক্তের ক্যান্সার তথা লিউকেমিয়া রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। এটি রক্তের একটি অস্বাভাবিকজনিত রোগ। সাধারণত অল্পবয়স্ক ছেলেমেয়েরা এ রোগে আক্রান্ত হয়। দীর্ঘমেয়াদি জ্বার, শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, নাক দিয়ে রক্ত পড়া, পায়ের গিটে ব্যথা হয়ে ফুলে ওঠা, লসিকা গ্রন্থি ফুলে যাওয়া, রোগীর দুর্বল রোধ হওয়া, হাত বা পা কাঁপতে থাকা, দেহত্বকে ছোট এক্ষেত্রে দেহে অনেক শ্বেতকণিকা উৎপাদিত হলেও এগুলো ক্যান্সার কোষ যা শ্বেতকণিকার আসল কাজের মতো দেহের রোগ প্রতিরোধে অক্ষম। রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার অস্বাভাবিকতার ফলে দেহে দীর্ঘমেয়াদি জ্বর দেখা দিতে পারে এবং লসিকা গ্রন্থি ফুলে যেতে পারে। দ্রুত সময়ে এ রোগের সঠিক চিকিৎসা না হলে রোগীর মৃত্যু ঘটে।

11 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘চিত্রটি লক্ষ কর…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩ – জীবে পরিবহণ, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”