দন্তমজ্জা: ডেন্টিনের ভিতরের ফাঁপা নরম অংশকে দন্তমজ্জা বলে। দন্তমজ্জার মাধ্যমে ডেন্টিন অংশে পুষ্টি ও অক্সিজেন সরবরাহ হয়।
দুই বা ততোধিক আমিষ একত্রে রান্না করে খাদ্যমান বাড়ানোর ফলে আট রকম অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিডের সবকটিই পাওয়া যায়। বিভিন্ন আমিষের সংমিশ্রণে তৈরি এরূপ মিশ্র আমিষকে সম্পূরক আমিষও বলা হয়। যেমনঃ চালের সঙ্গে দুধ দিয়ে পায়েস, ক্ষীর ও ফিরনি তৈরি। তাই বলা যায়, পায়েস এক ধরনের মিশ্র বা সম্পূরক আমিষ কারণ চালের সাথে দুধের সংমিশ্রণে পায়েস তৈরি করা-হয়। এ কারণে সমপরিমাণ পায়েসে ভাতের চেয়ে খাদ্যমান বেশি।
উদ্দীপকের চিত্র 'X' হলো মানবদেহের পরিপাকতন্ত্র। নিচে এর চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করা হলো:
উদ্দীপকের চিত্র 'S' ও 'T' হলো যথাক্রমে পাকস্থলী ও ক্ষুদ্রান্ত্র। পাকস্থলী ও ক্ষুদ্রান্ত্রে খাদ্য পরিপাকে এনজাইমে ভূমিকা নিচে আলোচনা করা হলো:
পাকস্থলীতে পরিপাক:
পাকস্থলীতে আমিষ জাতীয় খাদ্য পরিপাক হয়। পেপসিন, এক ধরনের এনজাইম, যা আমিষকে ভেঙ্গে পলিপেপটাইড যৌগ গঠন করে।
শর্করা এবং স্নেহ জাতীয় খাদ্য সাধারণত পাকস্থলীতে পরিপাক হয় না। কারণ এদের পরিপাকের জন্য নির্দিষ্ট কোনো এনজাইম থাকে না।
ক্ষুদ্রান্ত্রে পরিপাক:
ক্ষুদ্রান্ত্রে স্নেহ পদার্থের পরিপাক শুরু হয় এবং শর্করা ও আমিষ পরিপাকের কাজ চলতে থাকে। অগ্ন্যাশয় রসে অ্যামাইলেজ, লাইপেজ ও ট্রিপসিন নামক এনজাইম থাকে। আন্ত্রিক রসে অ্যামাইলেজ, লাইপেজ, মলটেজ, ল্যাকটেজ ও সুক্রেজ ইত্যাদি এনজাইম থাকে।
লাইপেজ এনজাইম স্নেহ জাতীয় খাদ্যকে ভেঙ্গে ফ্যাটি এসিড এবং গ্লিসারলে পরিণত করে।
