A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘আমির ও হালিমা…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২৪ – খাদ্য, পুষ্টি এবং পরিপাক, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: দিনাজপুর বোর্ড📅 সাল: ২০২৪⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

আমির ও হালিমা ভাই-বোন। আমির নিয়মিত দুধ, পনির, মাংস ও ডিম খেতে পছন্দ করে। কিন্তু হালিমার পছন্দ শাকসবজি ও ফলমূল।

উত্তর:

শস্যদানা, ফলমূল এবং সবজির অপাচ্য তন্তুযুক্ত অংশই হলো রাফেজ।

উত্তর:

যকৃৎকে রসায়ন গবেষণাগার বলা হয় কারণ যকৃৎ রক্ত থেকে পুষ্টি উপাদান প্রয়োজন না হওয়া পর্যন্ত সঞ্চিত করে রাখে। তাছাড়া শর্করা, প্রোটিন, ভিটামিন প্রভৃতি খাদ্যকে পরিপাকের পর রক্তস্রোত পাঠাতে সাহায্য করে। সর্বোপরি যকৃতের কাজের ব্যাপকতার জন্য একে রসায়ন গবেষণাগার বলা হয়।

উত্তর:

উদ্দীপকের আমিরের খাদ্যগুলো হলো দুধ, পনির, মাংস ও ডিম যা আমিষ জাতীয় খাদ্য। নিচে আমিষের খাদ্যের পরিপাক প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হলো-
আমিষ জাতীয় খাদ্যের পরিপাক পাকস্থলীতে শুরু হয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রে গিয়ে শেষ হয়। মুখবিবরের লালারসে আমিষ পরিপাককারী কোনো এনজাইম থাকে না। ফলে মুখ বিবরে আমিষ জাতীয় খাদ্যের পরিপাক ঘটে না। বরং খাদ্য চিবানোর সময় লালারস মিশিয়ে খাদ্যকে পিচ্ছিল ও নরম করে। পাকস্থলীতে আমিষ পরিপাককারী প্রধান এনজাইম নিষ্ক্রিয় পেপসিনোজেনকে HCI এর উপস্থিতিতে সক্রিয় পেপসিনে পরিণত হয় এবং পাকস্থলীতে পেপসিনের সুষ্ঠু কাজের জন্য অম্লীয় পরিবেশ সৃষ্টি করে। অধিকাংশ আমিষ পাকস্থলীতে সক্রিয় পেপসিনের প্রভাবে পেপটোনে পরিণত হয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রে প্রবেশ করে এবং অগ্ন্যাশয় রস ও আন্ত্রিক রসের সাহায্যে সম্পূর্ণ পাচিত হয়। অধিকাংশ পরিপাককৃত আমিষ ক্ষুদ্রান্ত্রে ট্রিপসিনের সাহায্যে ভেঙে অ্যামাইনো এসিড এবং সরল পেপটাইডে পরিণত হয়।

উত্তর:

আমিরের খাবারগুলো আমিষ জাতীয় খাদ্য এবং তার বোন হালিমার শাকসবজি ও ফলমূল অর্থাৎ ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ খাদ্য খেতে পছন্দ করে। বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে ফলমূল অর্থাৎ হালিমার পছন্দের খাবারগুলোই বেশি কার্যকরী হবে। নিম্নে যুক্তিসহ এর কারণ বিশ্লেষণ করা হলো-
দুধ, ডিম, পনির ও মাংস হলো প্রাণিজ আমিষ সমৃদ্ধ খাদ্য। এরা মূলত দেহের বৃদ্ধি সাধন ও ক্ষয়পূরণ করে। তবে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে এদের বিশেষ কোনো ভূমিকা নেই। অপরদিকে ফলমূলে বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ বিদ্যমান। খুব সামান্য পরিমাণে দেহে উপস্থিত থেকে এরা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। দেহে ভিটামিনের অভাব দেখা দিলে বিভিন্ন ভিটামিনের অভাবজনিত সমস্যা দেখা দেয়। এতে দেহের মারাত্মক আকারে স্থায়ীভাবে ক্ষতি হতে পারে। এমনকি মৃত্যু ঘটতে পারে। ভিটামিনের অভাবে রাতকানা, রিকেটস, অস্টিওম্যালশিয়াসহ বিভিন্ন রোগ হয়। এছাড়াও খনিজ পদার্থ দেহকে বিভিন্ন রোগ হতে রক্ষা করে। খনিজের অভাবে গলগণ্ড, রক্তশূন্যতাসহ বিভিন্ন রোগ দেখা দেয়, একমাত্র যথাযথ মাত্রায় ফলমূল খেলেই তা হতে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। তাই বলা যায়, বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে দুই জনের পছন্দের খাবারগুলোর মাঝে হালিমার খাবারগুলো অর্থাৎ ফলমূল বেশি কার্যকরী হবে।

12 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘আমির ও হালিমা…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২৪ – খাদ্য, পুষ্টি এবং পরিপাক, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”