A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২৪ – জীবনীশক্তি, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: দিনাজপুর বোর্ড📅 সাল: ২০২৪⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

উত্তর:

ADP এর সঙ্গে অজৈব ফসফেট (Pi) যুক্ত হয়ে ATP তৈরি করার প্রক্রিয়াই হলো ফসফোরাইলেশন।

উত্তর:

যৌন জনন করে এমন সকল জীবে মিয়োসিসের মাধ্যমে একইভাবে জিনগত বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয়ে থাকে। কোনো প্রজাতির টিকে থাকা বা না থাকা মূলত নির্ভর করে তার সদস্য জীবদের মধ্যে কতটা বৈচিত্র্য আছে, তার উপর। পরিবেশ প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল সেইসব প্রজাতি টিকে থাকে, যাদের অন্তত কিছু সদস্যের মধ্যে সেই পরিবর্তন পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার মতো বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যদি কোনো প্রজাতির জীবদের মধ্যে বৈচিত্র্য কম থাকে তাহলে নতুন কোনো পরিবেশে খাপ খাওয়ানোর মতো বৈশিষ্ট্য কারো মধ্যে থাকার সম্ভাবনাও হবে কম। ফলে হয়তো পুরো প্রজাতিটাই বিলুপ্ত হয়ে যাবে। তাই মিয়োসিস কোনো জীবের জিনগত বৈচিত্র্য সৃষ্টি করে - প্রজাতির টিকে থাকার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লিখিত বিক্রিয়াটি দ্বারা শ্বসন প্রক্রিয়াকে বুঝানো হয়েছে এবং 'M' দ্বারা অক্সিজেনকে নির্দেশ করেছে। অক্সিজেনের অনুপস্থিতি শ্বসন প্রক্রিয়াটি কীভাবে সংঘটিত হয় তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
আমরা জানি, সবাত শ্বসন প্রক্রিয়া অক্সিজেনের উপস্থিতিতে ঘটে।
কিন্তু উক্ত বিক্রিয়ায় অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে সবাত শ্বসন না ঘটে অবাত শ্বসন ঘটবে। কেবলমাত্র কতিপয় অণুজীবে (ব্যাকটেরিয়া, ঈস্ট ইত্যাদি) অবাত শ্বসন ঘটায়। অবাত শ্বসনে শ্বসনিক বস্তু অক্সিজেনের সাহায্য ছাড়াই কোষ মধ্যস্থ এনজাইম দ্বারা আংশিক রূপে জারিত হয়ে বিভিন্ন জৈব যৌগ, (CO2) ও সামান্য শক্তি উৎপন্ন হয়।
অবাত শ্বসনের বিক্রিয়াটি নিম্নরূপ:

অবাত শ্বসন প্রক্রিয়া নিম্নোক্ত দুইটি ধাপে সম্পন্ন হয়।
ধাপ-১: গ্লুকোজের অসম্পূর্ণ জারণ: এই ধাপে এক অণু গ্লুকোজ থেকে দুই অণু পাইরুভিক এসিড, চার অণু ATP (এর মধ্যে দুই অণু ব্যবহার হয়ে যায়) এবং দুই অণু NADH+H+ উৎপন্ন হয়।
ধাপ-২ : পাইরুভিক অ্যাসিডের বিজারণ: সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত এনজাইমের কার্যকারিতায় পাইরুভিক অ্যাসিড বিজারিত হয়ে CO2 এবং ইথাইল অ্যালকোহল অথবা শুধু ল্যাকটিক অ্যাসিড উৎপন্ন করে।

উত্তর:

উদ্দীপকের উল্লিখিত প্রক্রিয়াটি হলো শ্বসন প্রক্রিয়া, যা সকল জীবের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। নিচে এর গুরুত্ব সম্পর্কে মতামত দেওয়া হলো-
শ্বসন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন শক্তি দিয়ে জীবের সব ধরনের ক্রিয়া-বিক্রিয়া ও কাজকর্ম পরিচালিত হয়। শ্বসনে নির্গত CO2 জীবের প্রধান খাদ্য শর্করা উৎপন্নের জন্য সালোকসংশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়। এ প্রক্রিয়া উদ্ভিদের খনিজ লবণ পরিশোষণে সাহায্য করে, যা পরোক্ষভাবে উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও অন্যান্য জৈবিক প্রক্রিয়া চালু রাখে। কোষ বিভাজনের প্রয়োজনীয় শক্তি ও কিছু আনুষঙ্গিক পদার্থ শ্বসন প্রক্রিয়া হতে আসে। তাই এ প্রক্রিয়া জীবের দৈহিক বৃদ্ধিও নিয়ন্ত্রণ করে। এ প্রক্রিয়া বিভিন্ন উপক্ষার ও জৈব এসিড সৃষ্টিতে সহায়তার মাধ্যমে জীবের অন্যান্য জৈবিক কাজেও সহায়তা করে। কিছু কিছু ব্যাকটেরিয়া অক্সিজেনের উপস্থিতিতে বাঁচতে পারে না। এদের শক্তি উৎপাদনের একমাত্র উপায় হলো অবাত শ্বসন। এ প্রক্রিয়ায় ইথাইল অ্যালকোহল তৈরি হয়, যা বিভিন্ন শিল্পে ব্যবহৃত হয়। ল্যাকটিক এসিড ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দধি, পনির উৎপাদিত হয়। রুটি তৈরিতে এ প্রক্রিয়া ব্যবহৃত হয়। ঈস্টের অবাত শ্বসনের ফলে অ্যালকোহল ও CO2 গ্যাস তৈরি হয়। তাছাড়া উদ্ভিদের শ্বসন প্রক্রিয়ায় CO2 নির্গত হয় যা সমগ্র প্রাণীকুলের বেঁচে থাকার একমাত্র নিয়ামক। অপরদিকে উদ্ভিদ CO2 গ্রহণ করে ফলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হয়।
পরিশেষে বলা যায় যে, জীবজগতে উদ্ভিদ ও প্রাণী অর্থাৎ সকল । জীবের জন্য শ্বসন প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

10 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২৪ – জীবনীশক্তি, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”