A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্র দুটি…’ বরিশাল বোর্ড ২০২৪ – কোষ বিভাজন, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: বরিশাল বোর্ড📅 সাল: ২০২৪⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ কর-

উত্তর:

কোষ বিভাজনের শুরুতে বা একটি কোষে পরপর দু'বার বিভাজনের মধ্যবর্তী সময়ে নিউক্লিয়াসের প্রস্তুতিমূলক কার্যসম্পন্নকারী দশাটি ইন্টারফেজ।

উত্তর:

বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজোম। ক্রোমোজোমে অসংখ্য অতি সূক্ষ্ম জিন থাকে যা জীবের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে। ক্রোমোজোম এসব বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী জিন মাতাপিতা থেকে সন্তান-সন্ততিতে বহন করে নিয়ে যায়। মানুষের চোখের রং, চুলের আকৃতি, চামড়ার গঠন ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য ক্রোমোজোম কর্তৃক বাহিত হয়ে বংশগতির ধারা অক্ষুন্ন রাখে। এ কারণে ক্রোমোজোমকে বংশগতির ভৌত ভিত্তি বলা হয়।

উত্তর:

উদ্দীপকের চিত্র-X দ্বারা মাইটোসিস কোষ বিভাজনকে বুঝানো হয়েছে। মাইটোসিস কোষ বিভাজনের সর্বশেষ ধাপটি হলো টেলোফেজ। নিচে টেলোফেজ ধাপটি বর্ণনা করা হলো-
টেলোফেজ ধাপটি মাইটোসিসের শেষ পর্যায়। এখানে প্রোফেজের ঘটনাগুলো পর্যায়ক্রমে বিপরীতভাবে ঘটে। ক্রোমোজোমগুলো আবার সরু ও লম্বা আকার ধারণ করতে থাকে। অবশেষে এরা জড়িয়ে গিয়ে নিউক্লিয়ার রেটিকুলাম গঠন করে। নিউক্লিওলাসের পুনরাবির্ভাব ঘটে। নিউক্লিয়ার রেটিকুলামকে ঘিরে পুনরায় নিউক্লিয়ার মেমব্রেনের সৃষ্টি হয়, ফলে দুই মেরুতে দুটি অপত্য নিউক্লিয়াস গঠিত হয়। স্পিন্ডলযন্ত্রের কাঠামো ভেঙে পড়ে এবং তন্তুগুলো ধীরে ধীরে অদৃশ্য হয়ে যায়।
এ পর্যায়ের শেষে বিষুবীয় তলে এন্ডোপ্লাজমিক জালিকার ক্ষুদ্র অংশগুলো জমা হয় এবং পরে এরা মিলিত হয়ে কোষপ্লেট গঠন করে। সাইটোপ্লাজমিক অঙ্গাণুসমূহের সমবণ্টন ঘটে। ফলে দুটি অপত্য কোষ সৃষ্টি হয়।

উত্তর:

উদ্দীপকের চিত্র-X ও চিত্র- দ্বারা যথাক্রমে মাইটোসিস ও মিয়োসিস বিভাজনকে বুঝানো হয়েছে। জীবের জিনগত বৈচিত্র্য সৃষ্টি ও প্রজাতি টিকিয়ে রাখতে মাইটোসিস কোষ বিভাজন অপেক্ষা মিয়োসিস কোষ বিভাজন মুখ্য ভূমিকা পালন করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
মাইটোসিস কোষ বিভাজনের ক্ষেত্রে ক্রসিং ওভার ঘটে না তথা জিনের বিনিময় ঘটে না ভাই বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয় না। এ প্রক্রিয়ায় দৈহিক বৃদ্ধি ঘটলেও বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয় না বলে প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার মতো অভিযোজন ক্ষমতাও সৃষ্টি হয় না। অপরদিকে যৌন জননক্ষম জীবে মিয়োসিসের ফলে জননকোষ তৈরি হয়। জননকোষের মিলনের মাধ্যমে যৌন জনন সম্পন্ন হয় এবং এরা বংশবৃদ্ধি ঘটায়। মিয়োসিস না ঘটলে এ সকল জীবের বংশবৃদ্ধি অসম্ভব। আবার মিয়োসিসের কারণেই প্রত্যেকটি জীবে ক্রোমোজোম সংখ্যা নির্দিষ্ট থাকে এবং বংশানুক্রমে তা সন্তান-সন্ততিতেও অপরিবর্তিত থাকে। মিয়োসিসের মাধ্যমে ক্রসিংওভারের কারণে ক্রোমোজোমে জিনের বিনিময় ঘটে। এর ফলে জীব প্রজাতিতে বৈচিত্র্যতা দেখা যায়। সুতরাং মিয়োসিস না ঘটলে যেহেতু যৌন জননক্ষম জীবে যৌন জনন ঘটত না বা তাদের বংশবৃদ্ধি ঘটত না, সেহেতু প্রকৃতি থেকে এসকল জীব বিলুপ্ত হয়ে যেত। আবার মিয়োসিস না ঘটলে প্রতি বংশধরে ক্রোমোজোম সংখ্যা দ্বিগুণ হারে বৃদ্ধি পেতে থাকত। এতে জীবজগতে একটি আমূল পরিবর্তন ঘটতে পারত যা জীবজগতের জন্য হুমকিস্বরূপ।
উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায় যে, মিয়োসিস কোষ বিভাজনই জীবের জিনগত বৈচিত্র্য সৃষ্টি ও প্রজাতি টিকিয়ে রাখতে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।

10 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্র দুটি…’ বরিশাল বোর্ড ২০২৪ – কোষ বিভাজন, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”