A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ…’ বরিশাল বোর্ড ২০২৫ – কোষ বিভাজন, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: বরিশাল বোর্ড📅 সাল: ২০২৫⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ কর-

উত্তর:

এক মাইটোসিস কোষ বিভাজনের পূর্বে কোষের নিউক্লিয়াসে কিছু প্রস্তুতিমূলক কাজ সম্পন্ন হয়। এ অবস্থাকে ইন্টারফেজ বলে।

উত্তর:

মানুষের দেহে অ্যামাইটোসিস ঘটে না। কারণ অ্যামাইটোসিস একটি সরল ও প্রত্যক্ষ কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া যা সাধারণত নিম্নশ্রেণির জীব যেমন ব্যাকটেরিয়া ও প্রোটোজোয়ায় ঘটে। এসব জীবের দেহ একটি মাত্র কোষ দিয়ে গঠিত এবং এদের সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না। সুগঠিত নিউক্লিয়াস না থাকার কারণে কোষ বিভাজনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্পিন্ডল যন্ত্র এখানে সৃষ্টি হয় না।

উত্তর:

উদ্দীপকের A কোষ বিভাজনটি হলো মাইটোসিস কোষ বিভাজন। মূলের অগ্রভাগ, বর্ধনশীল পাতা ও কাণ্ডে মাইটোসিস কোষ বিভাজন সংঘটিত হয়। মাইটোসিস কোষ বিভাজনের ৪র্থ পর্যায়টি হলো অ্যানাফেজ পর্যায়। নিচে অ্যানাফেজ পর্যায়ের চিত্রসহ ব্যাখ্যা করা হলো-

১. প্রতিটি ক্রোমোজোমের সেন্ট্রোমিয়ার দু'ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। ফলে ক্রোমাটিড দুটি আলাদা হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় প্রতিটি ক্রোমাটিডকে অপত্য ক্রোমোজোম বলে এবং এতে একটি করে সেন্ট্রোমিয়ার থাকে।
২. অপত্য ক্রোমোজোমগুলোর মধ্যে বিকর্ষণ শক্তি বৃদ্ধি পায়। ফলে এরা বিষুবীয় অঞ্চল থেকে পরস্পর বিপরীত মেরুর দিকে গমন করে। ক্রোমোজোমের এ মেরুমুখী চলনে সেন্ট্রোমিয়ার অগ্রগামী এবং বাহুদ্বয় অনুগামী হয়।

৩. অপত্য ক্রোমোজোমে সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থানের বিভিন্নতার জন্য এ সময় ক্রোমোজোমগুলোকে ইংরেজি বর্ণমালার V, L, J ও I অক্ষরের মতো দেখা যায়। এদেরকে যথাক্রমে মেটাসেন্ট্রিক, সাব-মেটাসেন্ট্রিক, অ্যাক্রোসেন্ট্রিক ও টেলোসেন্ট্রিক ক্রোমোজোম বলে।
৪. এ ধাপের শেষের দিকে অপত্য ক্রোমোজোমগুলো স্পিন্ডলযন্ত্রের মেরুপ্রান্তে অবস্থান নেয় এবং ক্রোমোজোমের প্যাঁচ খুলে এরা দৈর্ঘ্যে বৃদ্ধি পেতে থাকে।

উত্তর:

উদ্দীপকের B কোষ বিভাজন প্রক্রিয়াটি হলো মিয়োসিস।
মিয়োসিস বিভাজন প্রজাতির বৈচিত্র্যতা সৃষ্টি করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
মিয়োসিস কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি ডিপ্লয়েড (2n) মাতৃকোষ বিভাজিত হয়ে চারটি হ্যাপ্লয়েড (n) জনন কোষ সৃষ্টি হয়। এভাবে সৃষ্ট দুটি হ্যাপ্লয়েড পুং জননকোষ ও স্ত্রী জননকোষ মিলিত হয়ে ডিপ্লয়েড (2n) জাইগোট তৈরি হয়। ফলে প্রজাতির ধারা অক্ষুণ্ণ থাকে। তবে এর পাশাপাশি আরেকটি ঘটনা ঘটে। মিয়োসিস বিভাজনের সময় নিউক্লিয়াস দুই বার কিন্তু ক্রোমোজোম একবার বিভাজিত হয়। ক্রোমোজোমের এই বিভাজনের সময় বিভিন্ন ক্রোমোজোমের মধ্যে তাদের অংশের বিনিময় ঘটে। ফলে মাতৃকোষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য মিশ্রিত হয়ে জনন কোষগুলোতে নতুন বৈশিষ্ট্যের আর্বিভাব ঘটে। এছাড়া বাবা ও মা থেকে আগত ক্রোমোজোমগুলো বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ধারণ করে। ফলে নতুন বংশধরে নতুন নতুন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। এতে একই প্রজাতিতে বৈচিত্র্যের সৃস্টি হয়।

10 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ…’ বরিশাল বোর্ড ২০২৫ – কোষ বিভাজন, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”