A. Nayan
A. Nayan
19 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘সরকার গ্রামীণ অসহায়…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৬ – বোশেখ, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: রাজশাহী বোর্ড📅 সাল: ২০২৬⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

সরকার গ্রামীণ অসহায় মানুষদের জন্য ভি.জি.এফ. কর্মসূচির মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্বাবধানে খাদ্যপণ্য বিতরণ করে। কার্ডধারী শামসেরকে নির্ধারিত ৪০ কেজি চালের পরিবর্তে ৩০ কেজি দেওয়ায় সে প্রতিবাদ করলে বেদম প্রহার করে বের করে দেয় এবং তার কার্ড বাতিল করা হয়। এ সময় ধনাঢ্য সমাজসেবী চৌধুরি সাহেব এসে তাকে পর্যাপ্ত চাল, ডালসহ অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে বাড়ি পৌঁছে দেন।

উত্তর:

রামায়ণ হলো পৃথিবীর চারটি জাত মহাকাব্যের একটি, যার রচয়িতা বাল্মীকি।

উত্তর:

"হায়রে কতো সুবিচারের গল্প শুনি"- গরিবদের ওপর প্রকৃতির নিষ্ঠুরতা প্রসঙ্গে কবি আক্ষেপের স্বরে প্রশ্নোক্ত চরণটির অবতারণা করেছেন।

বেশাখের আক্রমণ যেন শুধু গরিবদের ওপর দিয়ে বয়ে যায়। যারা সাধারণ মানুষকে শোষণ করে অট্টালিকা গড়ে তাদের সেই অট্টালিকায় আঘাত হানার কোনো চিহ্ন কবি খুঁজে পান না। সাম্যের প্রতিষ্ঠায়, সুবিচারের প্রসঙ্গে কবি রাজা সোলেমানের কথাও বলেছেন, যে সোলেমানের বাহন ছিল বাতাস।

উত্তর:

 উদ্দীপকে বর্ণিত ইউনিয়ন পরিষদের কর্মচারীদের আচরণের মাধ্যমে ফুটে ওঠা দিকটি হলো গরিবের প্রতি অত্যাচার।

'বোশেখ' কবিতায় কবি সমাজের ধনী-গরিবের ব্যবধানের বিষয়টি তুলে ধরেছেন। ধনীরা সব সময় গরিবের অর্থ আত্মসাৎ করে। তাতে তাদের কোনো ক্ষতিও হয় না। এমনকি প্রকৃতিও যেন শুধু গরিবদেরই ক্ষতি করে।

উদ্দীপকে সরকার গ্রামীণ অসহায় মানুষদের ভিজিএফ কর্মসূচির মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্বাবধানে খাদ্যপণ্য বিতরণ করে। এদিকে কর্মচারীরা কার্ডধারী শামসের কে ৪০ কেজি চালের পরিবর্তে ৩০ কেজি চাল দেয়। সে প্রতিবাদ করলে তাকে বেদম প্রহার করে। উদ্দীপকের গরিব-অসহায়ের প্রতি অত্যাচারের দিকটি 'বোশেখ' কবিতায় কবি তুলে ধরেছেন। কবির বর্ণনায় ধনীরা গরিবের অর্থ আত্মসাৎ করেই ধনী হয়। কিন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগ ধনীদের কোনো ক্ষতি করে না। যত অত্যাচার সব গরিব-অসহায়ের প্রতি। সে বিষয়টি উদ্দীপকেও ফুটে উঠেছে। এভাবেই উদ্দীপকে 'বোশেখ' কবিতায় বর্ণিত অসহায়ের প্রতি অত্যাচারের দিকটি ফুটে উঠেছে।

উত্তর:

উদ্দীপকে কালবৈশাখির করাল রূপসহ নানা বিষয় অনুপস্থিত থাকায় "উদ্দীপকটিতে 'বোশেখ' কবিতার সমগ্র ভাব ফুটে ওঠেনি" মন্তব্যটি যথার্থ।

বোশেখ' কবিতায় কবি বৈশাখের করাল রূপের বর্ণনা দিয়েছেন। তবে বৈশাখের সেই রুদ্র রূপ শুধু গরিব-দুঃখীদের প্রতিই আঘাত হানে। ধনীর অট্টালিকার কোনো ক্ষতি সাধন করতে পারে না।

উদ্দীপকে সরকার গ্রামীণ অসহায় মানুষদের জন্য ভিজিএফ কর্মসূচির মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদে খাদ্যপণ্য দেয়। কার্ডধারী শামসেরকে চাল কম দিলে সে এর প্রতিবাদ করলে কর্মচারীরা তাকে বেদম প্রহার করে। এ বিষয়টি 'বোশেখ' কবিতায় বর্ণিত অসহায়ের প্রতি অত্যাচারের দিকটি নির্দেশ করে। এটি ছাড়াও 'বোশেখ' কবিতায় আরও নানা বিষয় আছে যেগুলো উদ্দীপকে অনুপস্থিত।

'বোশেখ' কবিতায় কবি বৈশাখের রুদ্র রূপের কাছে মিনতি করেছেন যেন সে ধনীর অট্টালিকা গুঁড়িয়ে দেয়। কবির এই মিনতির মধ্য দিয়ে আসলে তাঁর সাম্যবাদী মানসিকতার প্রকাশ ঘটেছে। সেই বিষয়টি উদ্দীপকে নেই। কবিতায় কবি বৈশাখের বিধ্বংসী প্রতীকের মধ্য দিয়ে অত্যাচারীর অবসান কামনা করেছেন। এছাড়াও কবি আলোচ্য করিতায় নানা পৌরাণিক অনুষঙ্গ টেনেছেন যে গুলোর কোনো ইঙ্গিত উদ্দীপকে নেই। সেখানে কেবল অসহায়ের প্রতি অত্যাচারের দিকটির প্রকাশ ঘটেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটিতে 'বোশেখ' কবিতার সমগ্র ভাব ফুটে ওঠেনি।

10 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘সরকার গ্রামীণ অসহায়…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৬ – বোশেখ, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”