A. Nayan
A. Nayan
22 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘রাতের আঁধারে রূপপুর…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩ – তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: ময়মনসিংহ বোর্ড📅 সাল: ২০২৩⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

রাতের আঁধারে রূপপুর গ্রামে অতর্কিতে হামলা শুরু করে পাক হানাদার বাহিনী। বাজারের দোকান পাট, ঘর-বাড়ি পুড়িয়ে দেয় তারা। নির্বিচারে গুলি চালায় নিরীহ মানুষের ওপর। এক মায়ের হাহাকার থামতে না থামতেই আরেক মায়ের বুক খালি হয়ে যায়। এক পিতার হাত থেকে কবরের কাঁচামাটি ঝরে পড়তে না পড়তেই শূন্য হয় আরেক পিতার বুক। আতঙ্কে জীবন বাঁচানোর জন্য পালানোর চেষ্টা করে কেউ কেউ। সেই বিভীষিকাময় পরিস্থিতি এখনো তাড়িয়ে বেড়ায় গ্রামবাসীকে।

উত্তর:

জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক দানবের মতো চিৎকার করল।

উত্তর:

আলোচ্য চরণটিতে বহু ধ্বংসযজ্ঞের মধ্য দিয়ে বাঙালির স্বাধীনতাপ্রাপ্তির কথা বলা হয়েছে।

পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী সমগ্র বাঙালি জাতিকে ধ্বংস করে দিতে চেয়েছিল। তাই তারা গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দিয়েছে। কিন্তু তাতেও বাঙালিকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। বীর বাঙালি মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছে।

উত্তর:

উদ্দীপকে ‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা’ কবিতার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ধ্বংসযজ্ঞের দিকটি ফুটে উঠেছে।

‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা’ কবিতায় মুক্তিযুদ্ধের নানা দিক বর্ণিত হয়েছে। পাকবাহিনী এদেশের মানুষের ওপর অকথ্য নির্যাতন চালায়। জ্বালিয়ে দেয় ঘরবাড়ি। ফলে দেশের মুক্তির লক্ষ্যে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

উদ্দীপকে অপশক্তির নির্মমতার চিত্র ফুটে উঠেছে। গ্রামের সাধারণ মানুষের ওপর পাকিস্তানি বাহিনী নির্বিচারে হামলা করে। তাদের নির্যাতনে গ্রামে বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় মুহূর্তেই। ‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা’ কবিতায়ও পাকবাহিনীর বর্বরতার চিত্র বর্ণনা করেছেন কবি। স্বাধীনতাকে পাওয়ার জন্য হরিদাসীকে বিধবা হতে হয়। সর্বস্ব হারাতে হয় সাকিনা বিবিকে। জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক নিয়ে হানাদার বাহিনী শহরে ঢোকে এবং ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। কবিতায় বর্ণিত নির্যাতনের এই বিশেষ চিত্রটি উদ্দীপকেও সমানভাবে লক্ষ করা যায়।

উত্তর:

"উদ্দীপকটি 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, 'হে স্বাধীনতা' কবিতার খণ্ডচিত্র মাত্র।" মন্তব্যটি যথার্থ।

'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় মুক্তিযুদ্ধকালীন নানা দিক ফুটে উঠেছে। বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার জন্য বহু দুঃখ-কষ্ট ও ত্যাগ-তিতিক্ষা স্বীকার করতে হয়েছে। ঘরবাড়ি, আত্মীয়স্বজন হারাতে হয়েছে। বহু নৃশংস অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছে।

উদ্দীপকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অত্যাচারের চিত্র অঙ্কিত হয়েছে। তারা এদেশের মানুষের ওপর নির্মম নির্যাতন চালায়। শহরে-গ্রামে ঢুকে তারা গণহত্যা চালায়। গ্রামের ঘরবাড়ি, দোকানপাট পুড়িয়ে দেয়। তারা সর্বত্রই তাণ্ডব লীলা চালায়।

'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় কবি স্বাধীনতা লাভের স্বরূপ উন্মোচন করতে গিয়ে বেশ কিছু বিষয় তুলে ধরেছেন। এর মাঝে হানাদার বাহিনীর বর্বরতা, মুক্তিযুদ্ধে নারীদের আত্মত্যাগ, মুক্তিযোদ্ধাদের দৃঢ়তা এবং স্বাধীনতার তীব্র আকাঙ্ক্ষা ফুটে উঠেছে। কিন্তু উদ্দীপকে শুধু শত্রুর অত্যাচারের চিত্র অঙ্কিত হয়েছে। শত্রুর অত্যাচারের বর্ণনা যেমন কবিতাটিতে প্রকাশ পেয়েছে তেমনি প্রতিরোধের চিত্রও আছে। কবিতার এই ব্যাপক বিষয় উদ্দীপকটিতে অনুপস্থিত। তাই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ বলা যায়।

8 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘রাতের আঁধারে রূপপুর…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩ – তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”