A. Nayan
A. Nayan
22 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘ফুয়াদ হাসান কয়েক…’ – অন্ধবধূ, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

ফুয়াদ হাসান কয়েক বছর যাবৎ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে বিছানায় পড়ে আছেন। তাকে নিয়ে পরিবারের সবাই বিরক্ত। তাদের আচরণ দেখেই তিনি তা বুঝতে পারেন। এদিকে ফুয়াদ হাসানও নিজ জীবনের ভার বহনে অক্ষম। মৃত্যুই যেন তার মুক্তিদূত।

উত্তর:

কান্নার মধ্য দিয়ে দুঃখ-শোকের লাঘব ঘটে।

উত্তর:

"অন্ধ চোখের দ্বন্দ্ব ঢুকে যায়" বলতে অন্ধবধূর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তার অন্ধত্বের অভিশাপ মুক্তির বিষয়কে বোঝানো হয়েছে। 

'অন্ধবধূ' কবিতায়  একজন দৃষ্টিহীন গ্রাম্যবধূর অসহায় জীবনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। কবিতায় বধূটি ননদের সঙ্গে চলতে চলতে শ্যাওলাপড়া পিছিল ঘাটে পড়ে গিয়ে দিঘির জলে ডুবে মরার আশঙ্কা করেছে। তার স্বামী প্রবাসী। তাই সে একলা ঘরে চুপটি করে পড়ে থাকে। তার এই অসহায় জীবনযাপনের কথা মনে আসায় সে ভাবে, পা পিছলে দিঘির জলে ডুবে মরলেই তার প্রতিবন্ধী জীবনের অবসান ঘটে, অন্ধ চোখের দ্বন্দ্ব চুকে যায়।

উত্তর:

উদ্দীপকে 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূর মানসিক যন্ত্রণার দিকটি ফুটে উঠেছে।

'অন্ধবধূ' কবিতায় অন্ধবধূ অবহেলিত এক নারী। অন্ধ হওয়ার কারণে কেউ তাকে ভালোবাসে না। তাই সে মনে করে সে যদি মৃত্যুবরণ করে তবে যেন সবাই খুশি হবে। এভাবেই তার মানসিক যন্ত্রণাকে কবি তুলে ধরেছেন।

উদ্দীপকে একজন প্রতিবন্ধী মানুষের জীবন-যন্ত্রণা এবং তার প্রতি পরিবারের লোকজনের আচরণের দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। পক্ষাঘাতগ্রস্ত প্রতিবন্ধী ফুয়াদ হাসানের প্রিয়জনরা বিরক্ত। ফুয়াদ নিজেও তার জীবনের ভার বহনে অক্ষম। তাই তিনি কষ্ট-যন্ত্রণার জীবন থেকে মুক্তি চান। মৃত্যুকেই তিনি তার মুক্তির দূত মনে করেন। এই বিষয়টি 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূর জীবন-যন্ত্রণার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। সে অন্ধ বলে একলা গৃহকোণে পড়ে থাকে। তাই তার মরে যেতে ইচ্ছে করে। তার সেই যন্ত্রণার কথা সে ননদের কাছে প্রকাশ করে। এভাবেই উদ্দীপকে 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূর মানসিক যন্ত্রণার দিকটি ফুটে উঠেছে।

উত্তর:

অবহেলিত ও অনাদরের দিক থেকে উদ্দীপকের ফুয়াদ হাসান 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূর প্রতিনিধি।

'অন্ধবধূ' কবিতায় বধূটি বুঝে গেছে, তার নিজের দুঃখ শুধু সেই বুঝবে। কারও কাছে অভিযোগ বা কথা বলার কেউ নেই। তাই প্রকৃতির সাথে কথা বলেই সে বেঁচে থাকে। নদীর শীতলতা তাকে ব্যথা ভুলতে সাহায্য করে। স্বাভাবিক মানুষদের কাছ থেকে অবহেলা অবজ্ঞা পেয়ে সে প্রকৃতির মাঝে খুঁজে নিয়েছে নীরব আশ্রয়।

উদ্দীপকের পক্ষাঘাতগ্রস্ত প্রতিবন্ধী ফুয়াদ হাসান মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মুক্তি লাভ করতে চান। তাকে নিয়ে তার পরিবারের লোকজন অসুখী। তিনি নিজেও তার ভার বইতে অক্ষম। এ অবস্থায় তার আর বেঁচে থাকার ইচ্ছা হয় না। তিনি মনে করেন মৃত্যুই তার মুক্তির সহজ পথ'। উদ্দীপকের এই বিষয়টি 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূর প্রতিবন্ধী জীবনের, সেই জীবন থেকে তার মুক্তির ভাবনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। অন্ধবধূটিও প্রতিবন্ধী বলে নিঃসঙ্গ গৃহকোণে পড়ে থাকতে হয়। তাই সেও মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মুক্তি চায় এবং পরিবারের লোকদের মুক্তি দিতে চায়।

'অন্ধবধূ' কবিতায় অন্ধবধূর জীবন-যন্ত্রণা ও মানসিক অবস্থার প্রতিফলন লক্ষ করা যায় উদ্দীপকের ফুয়াদ হাসানের মানসিক অবস্থা ও জীবন-যন্ত্রণায়। তারা উভয়েই প্রতিবন্ধী। তারা উভয়েই জীবন-যন্ত্রণা থেকে মুক্তি চান। এসব দিক বিচারে তাই বলা যায় যে. উদ্দীপকের ফুয়াদ হাসান 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূর প্রতিনিধি।

8 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘ফুয়াদ হাসান কয়েক…’ – অন্ধবধূ, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”