A. Nayan
A. Nayan
22 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘”ধনধান্য পুষ্পভরা আমাদের…’ মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ঢাকা ২০২৬ – কপোতাক্ষ নদ, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
🏢 প্রতিষ্ঠান: মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ঢাকা📅 সাল: ২০২৬⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

“ধনধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরা,

তাহার মাঝে আছে দেশ এক- সকল দেশের সেরা;

ও সে স্বপ্ন দিয়ে তৈরি সে দেশ স্মৃতি দিয়ে ঘেরা;

এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি,

সকল দেশের রানি সে যে আমার জন্মভূমি। 

উত্তর:
উত্তর:

“দুগ্ধ-স্রোতোরূপী তুমি জন্মভূমি-স্তনে” বলতে কবি কপোতাক্ষ নদের স্নেহধারাকে বুঝিয়েছেন।

'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় কবি কপোতাক্ষ নদের স্নেহধারায় সিক্ত হওয়ার কথা, তাঁর শৈশব-কৈশোর কাটানোর স্মৃতিচারণ করেছেন। কপোতাক্ষ নদকে ঘিরে তাঁর অনেক আনন্দ-বেদনার স্মৃতি রয়েছে। মায়ের দুধ পান করে সন্তান যেমন পুষ্ট হয়, ঠিক তেমনই কপোতাক্ষ নদের জলধারা কবির হৃদয়কে তৃপ্ত করেছে। এ কারণেই তিনি কপোতাক্ষ নদকে মায়ের সঙ্গে তুলনা করে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন। 

উত্তর:

উদ্দীপকে 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার স্বদেশপ্রেমের দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে।

কবি মাইকেল মধূসূদন দত্ত যশোরের সাগরদাঁড়ি গ্রামে কপোতাক্ষের তীরে জন্মগ্রহণ করেন এবং বেড়ে ওঠেন। কবি পরে যখন ফ্রান্সে বসবাস করেন তখন সেই কপোতাক্ষ নদ ও প্রিয় স্বদেশের কথা তাঁর সর্বদা মনে পড়ত। কবি সেই স্মৃতিকাতরতা 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় তুলে ধরেছেন। কিন্তু এই স্মৃতিকাতরতা আসলে কবির গভীর দেশপ্রেম।

উদ্দীপকে স্বদেশের গভীর অনুরাগ ও ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে। এখানে কবি তাঁর দেশকে পৃথিবীর সকল দেশের সেরা বলেছেন। এ দেশ স্বপ্ন দিয়ে তৈরি এবং স্মৃতি দিয়ে ঘেরা। কবি মনে করেন এমন দেশ পৃথিবীর আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। কবির কাছে তাঁর জন্মভূমি সব দেশের রানি। এখানে কবির মাঝে দেশপ্রেমের দিকটি প্রধান হয়ে ফুটে উঠেছে। উদ্দীপকে কবিতাংশের এ বিষয়টি 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার স্বদেশপ্রেমের দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এ কবিতায় কবির স্মৃতিকাতরতার আবরণে তাঁর অত্যুজ্জ্বল দেশপ্রেম প্রকাশিত হয়েছে। জন্মভূমির শৈশব-কৈশোরের অম্লমধুর অসংখ্য স্মৃতি তাঁকে কাতর করে তুলেছে। কবি তাই কপোতাক্ষ নদকে মিনতি করেছেন স্বদেশের জন্য তাঁর হৃদয়ের কাতরতা বঙ্গবাসীর কাছে সে যেন পৌঁছে দেয়, তাদের কাছে তা ব্যক্ত করে। এই দেশপ্রেমের ভাবটিই উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়েছে।

উত্তর:

"উদ্দীপক ও 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার মূলভাব অভিন্ন।”-মন্তব্যটি যথার্থ। কেননা উদ্দীপকে স্বদেশেপ্রেমের প্রকাশ ঘটেছে, যা 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার মূলভাব।

'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় কবি তাঁর শৈশব-কৈশোরের স্মৃতিবিজড়িত কপোতাক্ষ নদের কথা বলেছেন। এই স্মৃতিচারণের মধ্য দিয়ে আসলে তাঁর অত্যুজ্জ্বল দেশপ্রেম পরিস্ফুট হয়ে উঠেছে।

'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় কবির দেশপ্রেমের দিকটিই প্রকাশ পেয়েছে। কবি ছিলেন ইংরেজি সাহিত্য ও পাশ্চাত্য জীবনযাপনের প্রতি প্রবল আগ্রহী। তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য নিজ ভূমি ছেড়ে ফ্রান্সে চলে যান। কিন্তু সেখানে অবস্থানকালে তিনি উপলব্ধি করতে পারেন দেশের প্রতি তাঁর কত টান। বিভিন্ন জায়গায় তিনি গেছেন কিন্তু শৈশবের স্মৃতিবিজড়িত কপোতাক্ষ নদে তিনি যতটা মুগ্ধতা খুঁজে পেয়েছেন তেমনটি অন্য কোথাও পাননি। তিনি এই দেশের অকাতর দানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। দেশ যে তাঁকে মায়ের স্নেহে আগলে রাখত এ কথা তিনি কবিতায় প্রকাশ করেছেন। মাতৃরূপী এই দেশের কোলে তিনি আবার ফিরে আসতে চেয়েছেন, যা মূলত দেশের প্রতি প্রেম ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। উদ্দীপকে আমরা দেশের প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশই দেখতে পাই 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার কবির মতো।

উদ্দীপকের পঙ্ক্তিগুলোর মর্মার্থেও দেশপ্রেমের বিষয়টি প্রতীয়মান হয়। এখানেও দেশের ধন-সম্পদ, সৌন্দর্যের কথা বলা হয়েছে। 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার কবির বর্ণনায় মাতৃভূমি সবচেয়ে সেরা। উদ্দীপকের পঙ্ক্তিগুলোতেও মাতৃভূমিকে সেরা বলা হয়েছে। অর্থাৎ উদ্দীপক এবং আলোচ্য কবিতার মূল সুর একই। সেটি হলো দেশপ্রেম। তাই বলা যায়, উদ্দীপক ও 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার মূলভাব অভিন্ন। 

8 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘”ধনধান্য পুষ্পভরা আমাদের…’ মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ঢাকা ২০২৬ – কপোতাক্ষ নদ, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”