A. Nayan
A. Nayan
22 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘প্রথম যেদিন তুলে…’ – বন্দনা, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

প্রথম যেদিন তুলে নিলে উষ্ণ তোমার বুকে

বুকের দুধের অমৃত স্বাদ লেগে আছে মুখে

হাত বাড়িয়ে বলতে আমার আয়রে কাছে খোকা

তোমার কাছে শুরু হলো আমার যতো শেখা।

উত্তর:

'তিহ' শব্দের অর্থ 'তিনিও'।

উত্তর:

কবি তার কাব্য রচনায় সাফল্য লাভের জন্য সভাসদদের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

'বন্দনা' কবিতাটি কবি শাহ মুহম্মদ সগীরের শ্রেষ্ঠ কাব্য 'ইউসুফ জোলেখা' কাব্যের বন্দনা নামক অংশ থেকে সংকলিত। এটি মধ্যযুগের সর্বপ্রথম কাব্যগ্রন্থ। সুলতান গিয়াসউদ্দীন আজম শাহের শাসনামলে সুলতানের পৃষ্ঠপোষকতায় কবি কাব্যটি রচনা করেন। এ কাব্যে কবি সুলতানের রাজদরবারের সকল সভাসদকে তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু বলে উল্লেখ করেছেন। কবি কাব্য সূচনার শুরুতে তার সহকর্মী তথা রাজকর্মচারীদের দোয়া প্রার্থনা করেছেন কাব্য রচনা সফল হওয়ার উদ্দেশ্যে।

উত্তর:

'বন্দনা' কবিতায় বর্ণিত কবির শৈশবের অসহায়ত্বে মায়ের সেবাযত্ন ও পরিচর্যার সঙ্গে উদ্দীপকের সাদৃশ্য রয়েছে।

'বন্দনা' কবিতায় মাতৃস্নেহকে 'কোল দিআ বুক দিআ জগতে বিদিত' বাক্যে যে ভাবে প্রকাশ করা হয়েছে, তা অসাধারণ। এটি মায়ের সর্বজনবিদিত ত্যাগ ও অগাধ ভালোবাসার অনন্য প্রতিচ্ছবি।

উদ্দীপকে সন্তানের পরিচর্যায় মায়ের অপরিমেয় ত্যাগ স্বীকারের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। মায়ের স্তনপানে শিশুর তৃপ্তি নিবারণ, উষ্ণ বুকে অপার মমতায় ঘুমানোর সুখস্মৃতি বর্ণনা করে কবি মায়ের স্নেহ-মমতার দিকটির প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। মা শিশুকে কোলে-পিঠে করে তিলে তিলে মানুষ করেছেন। 'বন্দনা' কবিতায়ও কবি অকপটে মাতৃস্নেহের বিষয়টিকে সামনে এনেছেন। পৃথিবীতে ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরে অসহায় পরনির্ভর কবিকে সেবা-শুশ্রুষা ও পরিচর্যার মাধ্যমে মা বড় করে তুলেছেন। তাই কবি তার স্নেহময়ী মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। এভাবে বিষয়টি উদ্দীপকের কবির মায়ের আদর-যত্নে বেড়ে ওঠার অভিমতের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তর:

মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতাবোধের প্রকাশ থাকায় বলা যায়, "মাতৃহৃদয়ের চিরন্তনতা উদ্দীপক ও 'বন্দনা' কবিতার কবির কাঙ্ক্ষিত সত্য" মন্তব্যটি যথার্থ।

'বন্দনা' কবিতায় কবি পিতা-মাতার ত্যাগ ও স্নেহের মাধ্যমে মানবজীবনের শেকড়কে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। এটি কৃতজ্ঞতার শিক্ষা দেয় যে মানুষ যতই উচ্চ অবস্থানে পৌছাক, তার জীবনের প্রথম ঋণ মাতা-পিতার কাছেই। সন্তানের জন্য পিতামাতাই সর্বদা নিবেদিতপ্রাণ হয়ে থাকেন।

'বন্দনা' কবিতায় কবি তার জীবনে মায়ের অবদানকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেছেন। মায়ের সদাজাগ্রত কল্যাণদৃষ্টি সন্তানের জীবন পথের পাথেয়স্বরূপ। শিশুকে মা বহু যত্নে লালন-পালন করেন। কবি তার স্নেহময়ী মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে কাব্য সূচনা করেছেন। উদ্দীপকের কবিও শৈশবের অসহায় অবস্থায় মায়ের ত্যাগ স্বীকারকে গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেছেন। শিশুর কান্নায় মা স্তন মুখে তুলে দিয়ে শান্ত করেছেন, বুকের উষ্ণ ছোঁয়ায় পৃথিবীর সকল মমতা ঢেলে দিয়ে সান্ত্বনা দিয়েছেন, মায়ের কাছ থেকেই শিশু পরিবার-সমাজ সম্পর্কে একটু একটু করে শিখেছে।

উদ্দীপকের কবি মায়ের বুকের দুধের ত্যাগ, কোলে-পিঠে করে মানুষ করার দিক এবং একটু একটু করে মানবসমাজ সম্পর্কে শেখার বিষয়ে ফুটিয়ে তুলেছেন। 'বন্দনা' কবিতায় কবি তার জীবনে মায়ের অপরিমেয় ত্যাগের কথা স্বীকার করেছেন। কবির মা কবিকে অসহায় অবস্থায় দয়া ও করুণায় ধরে রেখেছেন, কোলে-পিঠে করে তিলে তিলে পূর্ণাঙ্গ মানুষ করে তোলার কথা বলেছেন। এদিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

8 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘প্রথম যেদিন তুলে…’ – বন্দনা, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”