A. Nayan
A. Nayan
22 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘মরিল বাবর- না,…’ – বন্দনা, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

মরিল বাবর- না, না, ভুল কথা, মৃত্যু কে তারে কয়?

মরিয়া বাবর অমর হয়েছে, নাহি তার কোনো ক্ষয়।

পিতৃস্নেহের কাছে হইয়াছে মরণের পরাজয়।

উত্তর:

শাহ মুহম্মদ সগীর আনুমানিক খ্রিস্টীয় ১৪-১৫ শতকের কবি।

উত্তর:

"অশক্য আছিলু মুই দুর্বল ছাবাল"- এখানে কবি মানবশিশুর শৈশবকালীন অসহায় অবস্থার প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।

'বন্দনা' কবিতায় কবি মায়ের স্নেহ-মমতার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। শিশুর শৈশব কাটে অসহায়ত্বের মধ্য দিয়ে। এ সময় মায়ের আদর-যত্ন না পেলে শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশ ব্যাহত হয়। মায়ের আদর-যত্ন ও পরিচর্যার মধ্য দিয়ে শিশু ধীরে ধীরে পরিপূর্ণ মানুষ হয়ে ওঠে। শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশে মায়ের এমন ত্যাগকে কবি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেছেন। মানবশিশুর অসহায় অবস্থার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণপূর্বক মায়ের অকৃত্রিম অবদানকে স্বীকার করার জন্য কবি আলোচ্য পঙক্তিটির যোজনা করেছেন।

উত্তর:

সন্তানের জন্য পিতার অশেষ ত্যাগ স্বীকারের দিক দিয়ে উদ্দীপকের সঙ্গে 'বন্দনা' কবিতার সাদৃশ্য রয়েছে।

'বন্দনা' কবিতায় পিতার ত্যাগ ও ভালোবাসার কথা অত্যন্ত আন্তরিকভাবে ফুটে উঠেছে। কবি বলেছেন, পিতা না খেয়ে খাইয়েছেন, না পরে সন্তানকে পরিয়েছেন। এ কবিতায় পারিবারিক দায়িত্ববোধ ও পিতৃস্নেহের নিঃস্বার্থ দিকটি উন্মোচিত হয়েছে।

উদ্দীপকে বাদশাহ বাবরের অকৃত্রিম ত্যাগের দৃষ্টান্ত ফুটে উঠেছে। পুত্রের জীবন বাঁচাতে নিজে মৃত্যুকে বরণ করে নিতেও সম্রাট দ্বিধান্বিত হননি। পিতৃস্নেহের এই অভূতপূর্ব দৃষ্টান্তের জন্য মরেও বাবর অমর হয়ে আছেন। 'বন্দনা' কবিতায় কবি কাব্য রচনায় সাফল্য লাভের জন্য বাবাকে প্রণাম করেছেন। নিজ জীবনে পিতার অকৃত্রিম ত্যাগের কথা স্বীকার করেছেন কবি। বাবা না খেয়ে, না পরে সন্তানের খাদ্য-পোশাকের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এভাবে সন্তানের প্রতি এমন অকৃত্রিম ত্যাগের দিক থেকে উদ্দীপকের সঙ্গে 'বন্দনা' কবিতার সাদৃশ্য রয়েছে।

উত্তর:

উদ্দীপকে শুধু পিতৃস্নেহের প্রকাশ থাকায় বলা যায়, “ উদ্দীপকটি 'বন্দনা' কবিতার আংশিক মূল ভাবের ধারক" মন্তব্যটি যথার্থ।

'বন্দনা' কবিতায় কবি পিতার পরিশ্রম ও আত্মত্যাগের কথা উল্লেখ করেছেন 'কত দুক্ষে একে একে বছর গোঞাএ' চরণটির মাধ্যমে। এতে বোঝা যায় সন্তানের কল্যাণে পিতার আজীবন ত্যাগ ও পরিশ্রমের চিত্র।

'বন্দনা' কবিতায় কবি তার কাব্য রচনায় সাফল্য লাভের জন্য পিতা-মাতা, শিক্ষক, নগরবাসী ও রাজসভায় অবস্থানরত তার সহকর্মীদের কাছে দোয়া চেয়েছেন। কবিতার এই অংশে কবি তার জীবনে পিতা-মাতা ও শিক্ষকদের অবদানকে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছেন। বাবা-মা এবং শিক্ষকের অপরিসীম ত্যাগে কবি মানুষের মতো মানুষ হতে পেরেছেন বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন। উদ্দীপকে সম্রাট বাবর তার সন্তানের জন্য জীবন বিসর্জন দেওয়ার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। পিতৃস্নেহের অভূতপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করে বাবর অমর হয়ে আছেন।

উদ্দীপকে সন্তানের জন্য বাবার ত্যাগ স্বীকারের দিকটি প্রাধান্য পেয়েছে। অন্যদিকে 'বন্দনা' কবিতায় কবির জীবনে বাবার ত্যাগের দিকটি বিশেষ গুরুত্ব পেলেও এটিই একমাত্র দিক হয়ে ওঠেনি। 'বন্দনা' কবিতায় কবি মায়ের আদর-যত্ন ও পরিচর্যার মাধ্যমে পরিপূর্ণ মানুষ হয়ে ওঠা এবং শিক্ষকের মাধ্যমে জ্ঞানের জগতের সাথে পরিচিত হওয়ার দিকটি বিশেষভাবে সামনে এনেছেন। এদিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

9 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘মরিল বাবর- না,…’ – বন্দনা, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”