তাপ উৎপাদী বিক্রিয়া: যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় তাপশক্তি উৎপন্ন হয় তাকে তাপ উৎপাদী বিক্রিয়া বলে।
পিঁপড়ার কামড়ের ক্ষতস্থানে জ্বালা যন্ত্রণা করে। কারণ, পিঁপড়াতে এক ধরনের এসিড থাকে যা ফরমিক এসিড নামে পরিচিত। এ কারণে জ্বালা যন্ত্রণা সৃষ্টি হয়। চুন হলো ক্ষারধর্মী পদার্থ। ক্ষতস্থানে চুন (ক্ষারক) যোগ করলে তা এসিডকে প্রশমিত করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। ফলে জ্বালা যন্ত্রণা উপশম হয়। তাই পিঁপড়ার কামড়ের ক্ষতস্থানে চুন ব্যবহার করা হয়।
উদ্দীপক অনুসারে A হলো অ্যাপ্রোন এবং B হলো সেফটি গগলস। ল্যাবরেটরিতে বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা হয়। এসব রাসায়নিক দ্রব্যের মধ্যে কোনটি বিস্ফোরক জাতীয়, কোনটি দাহ্য আবার কোনটি আমাদের শরীরের সরাসরি ক্ষতি সাধন করে।
ল্যাবরেটরিতে যে যন্ত্রপাতি বা পাত্র ব্যবহার করা হয় তা অধিকাংশ কাঁচের তৈরি। কাচের পাত্র ভেঙ্গে এসিড গায়ে পড়লে শরীরে ক্ষত সৃষ্টি হবে। পোশাকে পড়লে পোশাকটি নষ্ট হয়ে যাবে। বিস্ফোরক দ্রব্য শরীরে পড়লে শরীর পুড়ে যাবে।
আবার, অ্যাপ্রন সুতি হওয়ার কারণে শরীরে হালকা আগুন লাগলেও এই অ্যাপ্রোন দ্বারা কিছুটা রক্ষা পাওয়া যায়। তাই নিজেকে নিরাপদ রাখতে অ্যাপ্রোন (A) পড়তে হবে। ল্যাবরেটরিতে কোনো পরীক্ষা চলাকালে কিছু রাসায়নিক দ্রব্য সরাসরি বাম্পিং করে চোখে প্রবেশ করে চোখের মারত্মক ক্ষতি করতে পারে। তাই চোখকে নিরাপদ রাখতে সেফটি গগলস (B) চোখে দিতে হবে।।
দৃশ্যকল্প-২ এ C হলো মাস্ক।
বর্তমানে বিভিন্ন কলকারখানা ও যানবাহন থেকে নিঃসৃত ক্ষতিকর পদার্থ বাতাসে মিশে যাওয়ার ফলে বায়ু দূষণ হয়। দূষিত বায়ুতে বিভিন্ন ধরনের ভারী ধাতু, যেমন: লেড, পারদ, কোবাল্ট, আর্সেনিক থাকে। এসব পদার্থ শ্বাস নেওয়ার সময় নাক ও মুখের মাধ্যমে প্রবেশ করে শ্বাসকষ্ট থেকে শুরু করে ক্যান্সারের মতো রোগ সৃষ্টি করে থাকে। এছাড়াও দূষিত বায়ুতে কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂), কার্বন মনোঅক্সাইড (CO), সালফার ডাইঅক্সাইড (SO₂) থাকে, যা আমাদের জন্য ক্ষতিকর। দূষিত বায়ুর মাধ্যমে যাতে এই বিষাক্ত পদার্থগুলো শরীরে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য মাস্ক ব্যবহার করা উচিত। তাই বর্তমানে মাস্ক (C) ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
