রক্ত হলো এক প্রকার অস্বচ্ছ, মৃদু ক্ষারীয় এবং লবণাক্ত তরল যোজক কলা।
মানুষের আবরণী টিস্যুকে ট্রানজিনাল আবরণী বলা হয়। কারণ স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যুর কোষগুলো ভিত্তি পর্দার উপর একাধিক স্তরে সজ্জিত থাকে। এমন স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যুও আছে, যার স্তরের সংখ্যা মিনিটের মধ্যেই পাল্টে যেতে পারে। কখনো দেখা যায় তিন-চারটি স্তর আবার পরক্ষণেই দেখা যায় সাত-আটটি স্তর। এ কারণে মানুষের আবরণী টিস্যুকে ট্রানজিশনাল আবরণী টিস্যু বলা হয়।
উদ্দীপকে চিত্র- হলো মাইটোকন্ড্রিয়া। নিচে মাইটোকন্ড্রিয়ার গঠন বর্ণনা করা হলো-
১. মাইটোকন্ড্রিয়া গোলাকার বা দণ্ডাকার হয়ে থাকে।
২. মাইটোকন্ড্রিয়া দুই স্তরবিশিষ্ট আবরণী বা ঝিল্লি দিয়ে ঘেরা।
৩. এর ভিতরের স্তরটি ভিতরের দিকে ভাঁজ হয়ে থাকে। এদের ক্রিস্টি বলে।
৪. ক্রিস্টির গায়ে বৃন্তযুক্ত গোলাকার বস্তু থাকে। এদের অক্সিজোম বলে।
৫. অক্সিজোমে উৎসেচকগুলো সাজানো থাকে।
৬. মাইটোকন্ড্রিয়নের (এক বচন) ভিতরে থাকে ম্যাট্রিক্স।
৭. জীবের শ্বসনকার্যে সাহায্য করা মাইটোকন্ড্রিয়ার প্রধান কাজ।
৮. শ্বসনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ক্রেবস চক্রের বিক্রিয়াগুলো মাইটোকন্ড্রিয়াতে সম্পন্ন হয়।
৯. মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের 'শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র' বা 'পাওয়ার হাউজ' বলা হয়।
উদ্দীপকে চিত্র- হলো ক্লোরোপ্লাস্ট। নিচে উদ্ভিদ জীবনে ক্লোরোপ্লাস্টের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো-
সবুজ উদ্ভিদে ক্লোরোপ্লাস্ট থাকায় এরা নিজেই নিজের খাদ্য সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় প্রস্তুত করে থাকে। উদ্ভিদের প্লাস্টিডের গ্রানা-অংশ সূর্যালোককে আবদ্ধ করে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। এই আবদ্ধ সৌরশক্তি উৎসেচক, এবং কোষের ভিতরকার পানি ব্যবহার করে উদ্ভিদ সরল শর্করা তৈরি করে। এই প্রস্তুতকৃত খাদ্য উদ্ভিদের বিভিন্ন জৈবনিক কাজে শক্তি জোগায়। ফলে উদ্ভিদ বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় এবং পরবর্তীতে ফুল ধারণ করে। পরাগায়ন ও নিষেকের মাধ্যমে ফুল থেকে ফল ও বীজ উৎপন্ন হয়ে প্রজাতির ধারা
অব্যাহত থাকে। আবার ক্লোরোপ্লাস্টে সালোকসংশ্লেষণের সময় উদ্ভিদ পরিবেশ থেকে গ্রহণ করে এবং ত্যাগ করে, ফলে পরিবেশে গ্যাসীয় ভারসাম্য রক্ষা পায়। এই ভারসাম্য রক্ষিত না হলে উদ্ভিদের টিকে থাকা সম্ভব হতো না।
তাই উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্ভিদের জীবনধারণের জন্য ক্লোরোপ্লাস্টের ভূমিকা অপরিসীম।
