নিচের চিত্রগুলো লক্ষ কর-
কোষের প্রোটোপ্লাজমের বাইরে যে দ্বিস্তরবিশিষ্ট পর্দা থাকে তাই কোষঝিল্লি বা প্লাজমালেমা।
মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তিঘর বলা হয়। জীবের শ্বসনকার্যে সাহায্য করা মাইটোকন্ড্রিয়ার প্রধান, কাজ। শ্বসন ক্রিয়ার প্রধান ধাপ দুটি। এর প্রথম ধাপ গ্লাইকোলাইসিসের বিক্রিয়াগুলো মাইট্রোকন্ড্রিয়ায় ঘটে না। তবে দ্বিতীয় ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ক্রেবস চক্রের বিক্রিয়াগুলো মাইটোকন্ড্রিয়াতেই সম্পন্ন হয়। ক্রেবস চক্রে সর্বাধিক শক্তি উৎপাদিত হয়। এজন্য মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র বা পাওয়ার হাউজ বলা হয়।
উদ্দীপকের চিত্র: Z হলো হৃৎপেশি। হৃৎপেশি বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি। এ পেশি ক্ষতিগ্রস্ত হলে শরীরে যেসব সমস্যা হতে পারে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
হৃৎপেশি ক্ষতিগ্রস্ত হলে মায়োকার্ডিয়াল ইনফ্রাকশন, করোনারি থ্রোম্বসিস ইত্যাদি সমস্যা সৃষ্টি হয়, যেগুলোকে এক নামে হার্ট অ্যাটাক বলা হয়। হৃৎপিণ্ড রক্তের মাধ্যমে অক্সিজেন এবং খাবারের সারবস্তু অর্থাৎ পুষ্টিকর পদার্থ রক্তনালির মধ্য দিয়ে দেহের বিভিন্ন স্থানে পৌছে দেয়। নিজের কাজ সঠিকভাবে করার জন্য অর্থাৎ তার হৃৎপেশির অক্সিজেন এবং পুষ্টি অর্জনের জন্য হৃৎপিণ্ডের তিনটি প্রধান রক্তনালি থাকে। এগুলোর মধ্যে অনেক সময় চর্বি জমে রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়। ফলে প্রাণঘাতী রোগ হার্ট অ্যাটাক হয়। হার্ট অ্যাটাক হলে বুকে অসহনীয় ব্যথা অনুভূত হয়। বিশেষ করে বুকের মাঝখানে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব হয়। এ ব্যথা বাম দিকে বা সারা বুকে ছড়িয়ে যেতে পারে। রোগী প্রচন্ডভাবে ঘামতে থাকে এবং বুকে ভারি চাপ অনুভব করে। রোগীর যদি আগে থেকে ডায়াবেটিস থাকে। তাহলে তার বুকে কোনো ব্যথা ছাড়াই হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।
উদ্দীপকের 'X', 'Y' ও 'Z' টিস্যুগুলো হলো যথাক্রমে ঐচ্ছিক পেশি, অনৈচ্ছিক পেশি ও হৃৎপেশি। নিচে এদের মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো-
