A. Nayan
A. Nayan
25 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নীলা আপেল কাটার…’ ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – জীবকোষ ও টিস্যু, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏢 প্রতিষ্ঠান: ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ📅 সাল: ২০২৬⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

নীলা আপেল কাটার সময় ছুরি দিয়ে হাত কেটে ফেলে। তার মা ক্ষতস্থান থেকে বের হওয়া তরল টিস্যু মুছে ওষুধ লাগিয়ে দেয়।

উত্তর:

যে অণুবীক্ষণ যন্ত্রে আলোর বদলে ইলেকট্রন ব্যবহার করা হয় তাকে ইলেকট্রন (ইলেকট্রনিক নয়) অণুবীক্ষণ যন্ত্র বলা হয়।

উত্তর:

কোষের সাইটোপ্লাজমে মাইটোকন্ড্রিয়া, গলজিবডি, রাইবোজোম, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি থাকে। তবে নিউরনের সাইটোপ্লাজমে সক্রিয় সেন্ট্রিওল থাকে না বলে নিউরন বিভাজিত হয় না। কারণ সেন্ট্রোজোমে থাকা সেন্ট্রিওল কোষ বিভাজনের সময় অ্যাস্টার-রে তৈরি করে। তাছাড়া স্পিন্ডল যন্ত্র সৃষ্টিতেও সেন্ট্রোজোমের অবদান রয়েছে।

উত্তর:

উদ্দীপকের নীলার হাত থেকে কাটা টিস্যুটি হলো আবরণী টিস্যু (বা ত্বক)। এটি এমন এক ধরনের টিস্যু যা দেহের বাহ্যিক ও আভ্যন্তরীণ বিভিন্ন অঙ্গের আবরণ হিসেবে কাজ করে। নিচে আবরণী টিস্যুর গঠন ব্যাখ্যা করা হলো-
আবরণী টিস্যুর কোষগুলো খুব ঘনভাবে পাশাপাশি সাজানো থাকে। কোষগুলোর মধ্যে আন্তঃকোষীয় ফাঁক প্রায় নেই বললেই চলে। কোষগুলো ভিত্তি 'পর্দার উপর সজ্জিত থাকে। এটি এক স্তরবিশিষ্ট বা বহু স্তরবিশিষ্ট (স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যু) হতে পারে। প্রতিটি আবরণী টিস্যুর নিচে একটি পাতলা ঝিল্লি থাকে, যাকে বেসমেন্ট মেমব্রেন বলে। এটি টিস্যুকে নিচের সংযোজক টিস্যুর সাথে যুক্ত রাখে। আবরণী টিস্যুতে কোনো রক্তনালি থাকে না। পুষ্টি গ্রহণ করে নিচের সংযোজক টিস্যু থেকে। আবরণী টিস্যুর কোষ বিভিন্ন আকারের হতে পারে-

১. স্কোয়ামাস (পাতলা/চ্যাপ্টা)।

২. কিউবয়ডাল (ঘনকাকৃতি) এবং

৩. কলামনার (লম্বাটে)।

কিছু আবরণী কোষে সিলিয়া, মাইক্রোভিলাই বা গবলেট কোষ থাকতে পারে। এগুলো সুরক্ষা, শোষণ এবং মিউকাস নিঃসরণে সাহায্য করে।

উত্তর:

উদ্দীপকের নীলার হাত থেকে যে তরল টিস্যু বের হয়েছিল তা হলো রক্ত। রক্ত একটি তরল যোজক কলা। এটি দেহের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। রক্ত মানুষের শরীরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-

১.অক্সিজেন পরিবহন: লোহিত রক্তকণিকা অক্সিহিমোগ্লোবিনরূপে কোষে অক্সিজেন পরিবহন করে।

২. কার্বন ডাইঅক্সাইড অপসারণ: রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে কোষগুলোতে যে কার্বন ডাইঅক্সাইড উৎপন্ন হয়, রক্তরস সোডিয়াম বাই কার্বনেটরূপে তা সংগ্রহ করে নিয়ে আসে এবং নিঃশ্বাস বায়ুর সাথে ফুসফুসের সাহায্যে দেহের বাইরে বের করে দেয়।

৩. খাদ্যসার পরিবহন: রক্তরস গ্লুকোজ, অ্যামাইনো এসিড, চর্বিকণা ইত্যাদি কোষে সরবরাহ করে।

৪. তাপের সমতা রক্ষা: দেহের মধ্যে অনবরত দহনক্রিয়া সম্পাদিত হচ্ছে। এতে করে বিভিন্ন অঙ্গে বিভিন্ন মাত্রার তাপ সৃষ্টি হয় এবং তা রক্তের মাধ্যমে দেহের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। এভাবে দেহের সর্বত্র তাপের সমতা রক্ষা হয়।

৫. বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন: রক্ত দেহের জন্য ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থ বহন
করে এবং বিভিন্ন অঙ্গের মাধ্যমে সেসব ইউরিয়া, ইউরিক এসিড ও কার্বন ডাইঅক্সাইড হিসেবে নিষ্কাশন করে।

৬. হরমোন পরিবহন: হরমোন নালিবিহীন গ্রন্থিতে তৈরি এক ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থ বা রস। এই রস সরাসরি রক্তে মিশে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন অঙ্গে সঞ্চালিত হয় এবং বিভিন্ন জৈবিক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৭. রোগ প্রতিরোধ: কয়েক প্রকারের শ্বেত রক্তকণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় দেহকে জীবাণুর আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। অ্যান্টিবডি ও অ্যান্টিজেন উৎপাদনের মাধ্যমে রক্ত দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

৮. রক্ত জমাট বাঁধা: দেহের কোনো অংশ কেটে গেলে অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে এবং দেহের রক্তক্ষরণ বন্ধ করে।

পরিশেষে বলা যায় যে, রক্ত মানবদেহের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান।

9 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নীলা আপেল কাটার…’ ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – জীবকোষ ও টিস্যু, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”