নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ করো-
যে মাতৃকোষের গৌণ প্রাচীর খুবই শক্ত অত্যন্ত পুরু লিগনিনযুক্ত এবং কোষপ্রাচীর কূপযুক্ত হয়, তাকে স্ক্লেরাইড বলে।
লাইসোজোম কোষের পর্দাবেষ্টিত একটি অঙ্গাণু, যার অভ্যন্তরে অনেক উৎসেচক থাকে। 'এগুলো কোষের ক্ষতিগ্রস্ত অঙ্গাণু, ব্যাকটেরিয়া বা অনাবশ্যক কণাকে ভেঙে হজম করে। কিন্তু দেহে অক্সিজেনের অভাব হলে লাইসোজোমের পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং উৎসেচকগুলো বেরিয়ে নিজ কোষকেই মেরে ফেলে। এ কারণে লাইসোজোমকে আত্মঘাতী থলিকা বলা হয়।
উদ্দীপকে উল্লেখিত M অঙ্গাণুটি হলো নিউক্লিয়াস। কারণ নিউক্লিয়াস কোষের সমস্ত কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে। একটি আদর্শ নিউক্লিয়াস সাধারণত চারটি অংশ নিয়ে গঠিত:
১. নিউক্লিয়ার আবরণী: নিউক্লিয়াস দু'স্তরবিশিষ্ট পর্দা নিয়ে আবৃত। এই আবরণীতে অসংখ্য নিউক্লিয়ার ছিদ্র বা রপ্ত থাকে, যার মাধ্যমে নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজমের মধ্যে বস্তুর আদান-প্রদান ঘটে।
২. নিউক্লিওপ্লাজম: এটি নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে থাকা স্বচ্ছ, দানাদার বা অর্ধ-তরল পদার্থ। এতে বিভিন্ন উৎসেচক, প্রোটিন, এবং নিউক্লিক এসিডের কাঁচামাল দ্রবীভূত থাকে।
৩. ক্রোমাটিন জালিকা: এটি নিউক্লিওপ্লাজমে ছড়িয়ে থাকা সূক্ষ্ম, প্যাঁচানো তত্ত্বর মতো গঠন। কোষ বিভাজনের সময় এটি ঘনীভূত হয়ে ক্রোমোজোমে পরিণত হয়। এই ক্রোমাটিন জালিকা DNA এবং প্রোটিন দ্বারা গঠিত, যা জীবের বংশগতির ধারক ও বাহক।
৪. নিউক্লিওলাস: এটি নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে একটি ঘন, পর্দা-বিহীন অঞ্চল। এটি প্রধানত রাইবোজোম তৈরির কারখানা হিসেবে কাজ করে।
