A. Nayan
A. Nayan
25 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্র দুটি…’ চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল ২০২৬ – জীবকোষ ও টিস্যু, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏢 প্রতিষ্ঠান: চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল📅 সাল: ২০২৬⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ্য করো- 

উত্তর:

মানবদেহে বিভিন্ন টিস্যুর মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থানে স্বচ্ছ হলুদ বর্ণের, ঈষৎ ক্ষারীয় যে জলীয় পদার্থ জমা হয় তাকেই লসিকা বলে। 

উত্তর:

লোহিত রক্তকোষে হিমোগ্লোবিন নামে একটি লৌহজাত যৌগ থাকে, যার জন্য রক্ত লাল হয়। হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে অক্সিজেন পরিবহণ করে। শ্বেত রক্তকোষ জীবাণু ধ্বংস করে দেহের প্রকৃতিগত আত্মরক্ষায় অংশ নেয়। মানবদেহে বেশ কয়েক ধরনের শ্বেত রক্তকোষ থাকে। 

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লেখিত চিত্র-A হলো হৃদপেশি বা কার্ডিয়াক পেশি।
নিচে হৃদপেশি ব্যাখ্যা করা হলো-
হৃদপেশি মেরুদণ্ডী প্রাণীদের হৃৎপিণ্ডের এক বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি। এই টিস্যুর কোষগুলো নলাকৃতি (অনেকটা ঐচ্ছিক পেশির মতো)। শাখান্বিত ও আড়াআড়ি দাগযুক্ত। এ টিস্যুর কোষগুলোর মধ্যে ইন্টারক্যালাটেড ডিস্ক থাকে। এদের সংকোচন ও প্রসারণ প্রাণীর ইচ্ছাধীন নয়। অর্থাৎ কার্ডিয়াক পেশির গঠন ঐচ্ছিক পেশির মতো হলেও কাজ অনৈচ্ছিক পেশির মতো। তাই একে ঐচ্ছিক-অনৈচ্ছিক পেশিও বলে।
কার্ডিয়াক পেশির কোষগুলো শাখার মাধ্যমে পরস্পর যুক্ত থাকে। 

হৃৎপিন্ডের সব কার্ডিয়াক পেশি সমন্বিতভাবে সংকুচিত ও প্রসারিত হয়। মানব ভ্রূণ সৃষ্টির একটা বিশেষ পর্যায় থেকে মৃত্যুর পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত হৃৎপিন্ডের কার্ডিয়াক পেশি একটা নির্দিষ্ট গতিতে সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে দেহের মধ্যে রক্ত চলাচলের প্রক্রিয়া সচল রাখে। 

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লেখিত চিত্র-B দ্বারা স্নায়ু টিস্যুকে বুঝানো হয়েছে। স্নায়ু টিস্যুর গঠনগত ও কার্যগত একককে নিউরন বলা হয়। নিচে নিউরনের (স্নায়ু টিস্যুর) গঠন ও কার্যপ্রণালী বিশ্লেষণ করা হলো-
নিউরনের গঠন: একটি আদর্শ নিউরনের তিনটি অংশ থাকে, যথা-
১. কোষদেহ: নিউরনের কোষদেহ বহুভূজাকৃতির এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত।, কোষের সাইটোপ্লাজমে মাইটোকন্ড্রিয়া, গলজি বডি, রাইবোজোম, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি থাকে। সাইটোপ্লাজমে সক্রিয় সেন্ট্রিওল না থাকায় নিউরন বিভাজিত হয় না।
২. ডেনড্রাইট: কোষের চারদিকে শাখাযুক্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রলম্বিত অংশকে ডেনড্রন বলে। ড্রেনডন থেকে যে শাখা বের হয়, তাদের ডেনড্রাইট বলে। ড্রেনড্রাইটের সংখ্যা এক বা একাধিক হতে পারে।
৩. অ্যাক্সন: নিউরনের কোষদেহ থেকে যে লম্বা স্নায়ুতন্তু পরবর্তী নিউরনের ডেনড্রাইটের সাথে যুক্ত থাকে তাকে অ্যাক্সন বলে।
একটি নিউরনের একটি মাত্র অ্যাক্সন থাকে। পরপর দুটি নিউরনের প্রথমটির অ্যাক্সন এবং পরেরটির ডেনড্রাইটের মধ্যে যে স্নায়ুসন্ধি গঠিত হয় তাকে সিন্যাপস বলে। সিন্যাপস এর মধ্য দিয়েই একটি নিউরন থেকে উদ্দীপনা পরবর্তী নিউরনে পরিবাহিত হয়।
নিউরনের কার্যপ্রণালী: স্নায়ু টিস্যু বা নিউরনের প্রধান কাজ হলো
বাহির থেকে উদ্দীপনা গ্রহণ করে মস্তিষ্কে প্রেরণ করে এবং মস্তিষ্ক উপযুক্ত প্রতিবেদন সৃষ্টি করে তাতে সাড়া দেয়। উচ্চতর প্রাণীতে স্নায়ু টিস্যু স্মৃতি সংরক্ষণ করাসহ দেহের বিভিন্ন অঙ্গের কাজ নিয়ন্ত্রণ এবং তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে। 

8 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্র দুটি…’ চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল ২০২৬ – জীবকোষ ও টিস্যু, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”