নমুনা-১ : উদ্ভিদকোষের অঙ্গাণু যার কার্যকারিতা আলোর উপর নির্ভরশীল।
নমুনা-২:
পাশাপাশি অবস্থিত কোষগুলো কোষ প্রাচীরের সূক্ষ্ম ছিদ্রের ভিতর দিয়ে প্রোটোপ্লাজমের সুতার মতো অংশ দিয়ে পরস্পর যুক্ত থাকে। এই সুতার অংশই প্লাজমোডেজমাটা।
মানুষের ত্বক ট্রানজিশনাল আবরণী টিস্যুর অন্তর্ভুক্ত। কারণ স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যুর কোষগুলো ভিত্তি পর্দার উপর একাধিক স্তরে সজ্জিত থাকে। এমন স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যুও আছে, যার স্তরের সংখ্যা মিনিটের মধ্যেই পাল্টে যেতে পারে। কখনো দেখা যায় তিন-চারটি স্তর আবার পরক্ষণেই দেখা যায় সাত-আটটি স্তর। এ কারণে মানুষের ত্বককে ট্রানজিশনাল আবরণী টিস্যু বলা হয়।
উদ্দীপকে উল্লেখিত নমুনা-১ দ্বারা কোষীয় অঙ্গাণু ক্লোরোপ্লাস্টকে বুঝানো হয়েছে। নিচে ক্লোরোপ্লাস্টের চারটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হলো-
১. এটি একটি দুইস্তর বিশিষ্ট ঝিল্লি দ্বারা আবৃত থাকে।
২. ক্লোরোপ্লাস্টে ক্লোরোফিল নামক সবুজ রঞ্জক থাকে যা সালোকসংশ্লেষণে সাহায্য করে।
৩. এর অন্তঃগঠনের ম্যাট্রিক্সে গ্রানা ও থাইলাকয়েড থাকে।
৪. এতে নিজস্ব DNA থাকে।
