A. Nayan
A. Nayan
25 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘করোনাকালীন সময়ে কৃষি…’ ঢাকা বোর্ড ২০২২ – জীবন পাঠ, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: ঢাকা বোর্ড📅 সাল: ২০২২⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

করোনাকালীন সময়ে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ফয়সাল শিক্ষাজীবন শেষে মাশরুম ও স্ট্রবেরীর চাষ শুরু করে। পরবর্তীতে সে তার বাড়ির পাশের পুকুরে রুই মাছের চাষও করতে থাকে। সে এখন সফল উদ্যোক্তা।

উত্তর:

প্রাগৈতিহাসিক জীবের বিবরণ এবং জীবাশ্ম সম্পর্কিত বিজ্ঞানই হলো জীবাশ্মবিজ্ঞান।

উত্তর:

বিবর্তনের মাধ্যমে নতুন প্রজাতির উদ্ভবকালে দেখা যায় অনেক প্রজাতি কালের গর্ভে হারিয়ে যায়। উদাহরণ হিসেবে ডাইনোসরের কথা বলা যায়। দেখা গেছে যে, সময়ের সাথে যে প্রজাতিটির টিকে থাকার ক্ষমতা যত বেশি সে বিবর্তনের ধারায় তত বেশিদিন টিকে থাকতে পারে। অর্থাৎ যে পরিবেশ, জীবনপ্রবাহ ও জনমিতির মানদণ্ডে বিবর্তনে যে যত বেশি খাপ খাওয়াতে পারবে সেই প্রজাতিটি টিকে থাকবে।

উত্তর:

এই উদ্দীপকে শেষের জীবটি হলো রুই মাছ, যার বৈজ্ঞানিক নাম হলো Labeo rohita। রুই মাছের এই বৈজ্ঞানিক নামকরণ করতে হবে ICZN কর্তৃক স্বীকৃত দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতিতে। নিচে রুই মাছের নামকরণ পদ্ধতি ব্যাখ্যা করা হলো-

১. রুই মাছের নামকরণে অবশ্যই ল্যাটিন শব্দ ব্যবহার করতে হবে।

২. রুই মাছের বৈজ্ঞানিক নামকে অনন্য হতে হবে। কারণ একই নাম দুই পৃথক জীবের জন্য ব্যবহারের অনুমতি নেই।

৩. রুই মাছের বৈজ্ঞানিক নামের দুটি অংশ থাকবে, প্রথম অংশ গণ নাম এবং দ্বিতীয় অংশটি প্রজাতি নাম। যেমন- Labeo rohita এটিরুই মাছের বৈজ্ঞানিক নাম, এখানে Labeo গণ এবং rohita প্রজাতিক পদ।

৪. রুই মাছের বৈজ্ঞানিক নামের প্রথম অংশের প্রথম অক্ষর বড়ো অক্ষর হবে, বাকি অক্ষরগুলো ছোট অক্ষর এবং দ্বিতীয় অংশটির - নাম ছোট অক্ষর দিয়ে লিখতে হবে।

৫. রুই মাছের বৈজ্ঞানিক নাম মুদ্রণের সময় সর্বদা ইটালিক অক্ষরে লিখতে হবে। যেমন- Labeo rohita।

৬. রুই মাছের বৈজ্ঞানিক নাম হাতে লেখার সময় গণ ও প্রজাতিক নামের নিচে আলাদা আলাদা দাগ দিতে হবে। যেমন- Labeo rohita 

৭. বৈজ্ঞানিক নামের শেষে নামদানকারীর নাম (সাধারণত সংক্ষিপ্ত) ও প্রকাশের সাল লিখতে হয়। যেমন- Labeo rohita H., 1822 (এখানে H হেমিল্টনের নামের সংক্ষিপ্ত রূপ)।

৮. যদি কয়েকজন বিজ্ঞানী রুই মাছকে বিভিন্ন বিজ্ঞানসম্মত নামকরণ করেন তবে অগ্রাধিকার আইন অনুসারে প্রথম বিজ্ঞানী কর্তৃক প্রদত্ত নামটি গৃহীত হবে।

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লেখিত জীবগুলো হলো যথাক্রমে মাশরুম, স্ট্রবেরী ও রুইমাছ। এরা যথাক্রমে ফানজাই, প্লানটি ও অ্যানিমেলিয়া রাজ্যের সদস্য। নিচে এদের রাজ্যতাত্ত্বিক তুলনা বিশ্লেষণ করা হলো-
ফানজাই রাজ্যের অধিকাংশ জীবই স্থলজ, মৃতজীবী বা পরজীবী। এদের দেহ এককোষী অথবা মাইসেলিয়াম দিয়ে গঠিত। এদের নিউক্লিয়াস সুগঠিত এবং কোষপ্রাচীর কাইটিন নির্মিত। এই রাজ্যের জীবদের ক্লোরোপ্লাস্ট অনুপস্থিত এবং খাদ্যগ্রহণ শোষণ পদ্ধতিতে ঘটে। আবার প্লানটি রাজ্যের জীবেরা প্রকৃত নিউক্লিয়াসযুক্ত সালোকসংশ্লেষণকারী। এদের দেহে উন্নত টিস্যুতন্ত্র বিদ্যমান। এদের ভূণ সৃষ্টি হয় এবং তা থেকে ডিপ্লয়েড পর্যায় শুরু হয়। এরা সপুষ্পক উদ্ভিদ। অপরদিকে, অ্যানিমেলিয়া রাজ্যের জীবগুলো নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট ও বহুকোষী জীব। এদের কোষে কোনো জড় কোষপ্রাচীর, প্লাস্টিড ও কোষগহ্বর নেই। প্লাস্টিড না থাকায় এরা হেটারোট্রোফিক অর্থাৎ পরভোজী। এরা প্রধানত যৌন জননের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে। পরিণত ডিপ্লয়েড পুরুষ এবং স্ত্রী প্রাণীর জননাঙ্গ থেকে হ্যাপ্লয়েড গ্যামেট উৎপন্ন হয়। ভ্রূণ বিকাশকালীন সময়ে ভ্রূণীয় স্তর সৃষ্টি হয়।

6 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘করোনাকালীন সময়ে কৃষি…’ ঢাকা বোর্ড ২০২২ – জীবন পাঠ, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”