A. Nayan
A. Nayan
25 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রগুলো লক্ষ…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩ – জীবন পাঠ, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: দিনাজপুর বোর্ড📅 সাল: ২০২৩⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

নিচের চিত্রগুলো লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :

উত্তর:

গণ ও প্রজাতি নামক দুইটি পদের সমন্বয়ে জীবের বৈজ্ঞানিক নামকরণকে দ্বিপদ নামকরণ বলে।

উত্তর:

মানুষের কপাল চওড়া এবং খাড়া, খুলির হাড় Homo গণের অন্য প্রজাতির তুলনায় পাতলা এবং বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে উন্নত। এসব বৈশিষ্ট্য মানুষের বৈশিষ্ট্যের অনুরূপ বলে মানুষকে sapiens প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র-A হলো নীলাভ-সবুজ শৈবাল। মারগুলিস-এর শ্রেণিবিন্যাস অনুসারে এটি প্রোক্যারিওটা নামক সুপার কিংডমের এবং মনেরা কিংডম বা রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত। নিচে নীলাভ-সবুজ শৈবালের গঠন বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো-
প্রোক্যারিওটা সুপার কিংডমের সদস্য হিসেবে নীলাভ সবুজ শৈবাল আদিকোষী জীব, অর্থাৎ এদের নিউক্লিয়াস প্রাককেন্দ্রিক ধরনের (নিউক্লিয়াস সুগঠিত নয়)। আবার এরা মনেরা কিংডমের সদস্য বলে ফিলামেন্টাস জীব। এছাড়া এদের কোষে ক্রোমাটিন বস্তু থাকে কিন্তু নিউক্লিওলাস ও নিউক্লিয়ার পর্দা নেই। কোষে মাইটোকন্ড্রিয়ন, এন্ডোপ্লাজমিক জালিকা ইত্যাদি নেই কিন্তু রাইবোজোম আছে। এদের কোষ বিভাজন দ্বিবিভাজন প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়। এরা প্রধানত শোষণ পদ্ধতিতে খাদ্য গ্রহণ করে। তবে কেউ কেউ ফটোসিনথেসিস বা সালোকসংশ্লেষণ পদ্ধতিতে খাদ্য প্রস্তুত করে।

উত্তর:

উদ্দীপকের চিত্র-B হলো মাশরুম বা ফানজাই রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত জীব এবং চিত্র-C হলো পাখি বা অ্যানিমেলিয়া রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত জীব। উদ্দীপকে B ও C তথা মাশরুম ও পাখির মধ্যে পাখি উন্নত। নিম্নে এদের রাজ্যের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ব্যাখ্যা করা হলো-
ফানজাই রাজ্যের অধিকাংশ জীবই স্থলজ, মৃতজীবী বা পরজীবী। এরা এককোষী অথবা মাইসেলিয়াম দিয়ে গঠিত। এদের নিউক্লিয়াস সুগঠিত। কোষপ্রাচীর কাইটিন বস্তু দিয়ে গঠিত। এদের খাদ্য গ্রহণ শোষণ পদ্ধতিতে ঘটে। এই রাজ্যের জীবের ক্লোরোপ্লাস্ট অনুপস্থিত। এরা হ্যাপ্লয়েট স্পোরের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি ঘটায়। অপরদিকে অ্যানিমেলিয়া রাজ্যের জীবগুলো নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট ও বহুকোষী প্রাণী। এদের কোষে কোনো জড় কোষপ্রাচীর, প্লাস্টিড ও কোষগহ্বর নেই। প্লাস্টিড না থাকায় এরা হেটারোট্রোফিক অর্থাৎ পরভোজী এবং খাদ্য গলাধঃকরণ করে, দেহে জটিল টিস্যুতন্ত্র বিদ্যমান। এরা প্রধানত যৌন জননের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে। পরিণত ডিপ্লয়েড পুরুষ এবং স্ত্রী প্রাণীর জননাঙ্গ থেকে হ্যাপ্লয়েড গ্যামেট উৎপন্ন হয়। ভ্রূণ বিকাশকালীন সময়ে ভ্রূণীয় স্তর সৃষ্টি হয়।
সুতরাং উল্লিখিত সকল তথ্যের ভিত্তিতে বলা যায় যে, ফানজাই রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত মাশরুম থেকে অ্যানিমেলিয়া রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত পাখি বেশি উন্নত।

8 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রগুলো লক্ষ…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩ – জীবন পাঠ, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”