– পাউরুটিতে ব্যবহৃত অণুজীব
– এককোষী শৈবাল
– নতুন প্রজাতির ধান
ভৌত জীববিজ্ঞানের যে শাখায় জীবদেহে হরমোনের কার্যকারিতা বিষয়ক আলোচনা করা হয় তাই Endocrinology ।
অণুজীববিজ্ঞানে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, আণুবীক্ষণিক ছত্রাক এবং অন্যান্য অণুজীবের জীবন সংশ্লিষ্ট প্রায়োগিক বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়। যেহেতু অণুজীববিজ্ঞানে অণুজীবের তত্ত্বীয় বিষয় আলোচনা না করে অণুজীব সম্পর্কিত প্রায়োগিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাই অণুজীববিজ্ঞানকে জীববিজ্ঞানের ফলিত শাখা বলা হয়।
উদ্দীপকের হলো ধান যার বৈজ্ঞানিক নাম Oryza sativa এই উদ্ভিদটির নামকরণে ক্যারোলাস লিনিয়াস প্রদত্ত দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি অনুসরণ করবো। পদ্ধতিটি নিম্নরূপ-
১. ধানের নামকরণে অবশ্যই ল্যাটিন শব্দ ব্যবহার করবো।
২. এর Oryza অংশটি গণ নাম এবং sativa অংশটি প্রজাতিক নাম।
৩. এটি অনন্য নাম, এ নামে অন্য আর কোনো জীব নেই এবং সার্বজনীন, সকল ভাষায় এটি এভাবে ব্যবহৃত হবে।
৪. এই নামের প্রথম অংশের প্রথম অক্ষর অর্থাৎ O এবং বাকি অক্ষরগুলো ছোট হরফের এবং দ্বিতীয় অংশের সবগুলোই ছোট হরফের হবে।
৫. মুদ্রণের সময় নামটিকে ইটালিক অক্ষরে লিখতে হয়। যেমন : Oryza sativa
৬. হাতে লেখার সময় এর গণ ও প্রজাতিক নামের নিচে আলাদা আলাদা দাগ দিতে হবে। যেমন– Oryzasativa |
৭. প্রথমে যে বিজ্ঞানী এর বিজ্ঞানসম্মত নাম দিয়েছেন তার নাম অনুযায়ীই এটি গৃহীত এবং এই নামের শেষে উক্ত বিজ্ঞানীর নাম সংক্ষেপে সংযোজিত হবে। যেমন– Oryza sativa . (যেখানে লিনিয়াসের নামের সংক্ষিপ্ত রূপ)।
উদ্দীপকের ও দ্বারা যথাক্রমে ফানজাই ও প্রোটিস্টা রাজ্যের জীবকে নির্দেশ করা হয়েছে। অর্থাৎ ফানজাই রাজ্যের জীব প্রোটিস্টা রাজ্যের জীব থেকে উন্নত। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
প্রোটিস্টা রাজ্যের জীবসমূহ এককোষী বা বহুকোষী একক বা কলোনিয়াল বা ফিলামেন্টাস। এদের সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে এবং কোষে ক্রোমাটিন বস্তু নিউক্লিয়ার পর্দা দ্বারা পরিবৃত্ত থাকে। ক্রোমাটিন বস্তুতে DNA, RNA ও প্রোটিন থাকে। কোষে সকল ধরনের অঙ্গাণু থাকে। এদের খাদ্য গ্রহণ শোষণ, গ্রহণ বা ফটোসিনথেটিক পদ্ধতিতে ঘটে। মাইটোসিস কোষ বিভাজনের মাধ্যমে অযৌন প্রজনন ঘটে এবং কনজুগেশনের মাধ্যমে অর্থাৎ জৈবনিকভাবে ভিন্ন ভিন্ন গঠনগতভাবে একই, এরূপ দুটি গ্যামেটের মিলনের মাধ্যমে যৌন জনন ঘটে। এদের কোনো ভূণ গঠিত হয় না। অন্যদিকে ফানজাই রাজ্যের জীবদের অধিকাংশই স্থলজ, মৃতজীবী বা পরজীবী। দেহ এককোষী অথবা মাইসেলিয়াম দিয়ে গঠিত। এগুলোর নিউক্লিয়াস সুগঠিত। কোষপ্রাচীর কাইটিন বস্তু দিয়ে গঠিত। খাদ্যগ্রহণ শোষণ পদ্ধতিতে ঘটে। ক্লোরোপ্লাস্ট অনুপস্থিত। হ্যাপ্লয়েড স্পোর দিয়ে বংশবৃদ্ধি ঘটে।
উপর্যুক্ত রাজ্যদ্বয়ের বৈশিষ্ট্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, ফানজাই রাজ্যের জীবসমূহের কার্যাবলি সম্পাদনের প্রক্রিয়া এবং এর নিমিত্তে অঙ্গসমুহের বিবর্তন ঘটেছে বেশি। কার্যাবলির সাথে সাথে অঙ্গ বিকাশও ঘটেছে বেশি। এসকল কারণে অর্থাৎ প্রোটিস্টা রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত জীব অপেক্ষা অর্থাৎ ফানজাই রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত জীব অধিক উন্নত।
