A মৌলের দুইটি আইসোটোপ যথাক্রমে
কোনো তরলকে তাপ প্রদানের মাধ্যমে বাষ্পে পরিণত করে তাকে পুনরায় শীতলীকরণের মাধ্যমে তরলে পরিণত করার পদ্ধতিকে পাতন বলে।
বডি স্প্রেতে প্রথমে নিঃসরণ ঘটে, অতঃপর ব্যাপন ঘটে। যখন বাহির থেকে চাপ প্রয়োগ করা হয়, তখন বডি স্প্রের ভেতরে গ্যাসের চাপ বাইরের তুলনায় বেশি হয়। তাই চাপ প্রয়োগ করলে সরু ছিদ্রপথে গ্যাসের অণুসমূহ উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলে বেরিয়ে আসে। এই প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলে।
এরপর বের হয়ে আসা গ্যাস চারপাশে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। এই প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে। এজন্য বডি স্প্রেতে আগে নিঃসরণ ঘটে এবং পরে ব্যাপন ঘটে।
'A' মৌলের দুইটি আইসোটোপ যথাক্রমে ও .
ধরি আইসোটোপের শতকরা পরিমাণ,
আইসোটোপের শতকরা পরিমাণ হবে
এবং 'A' মৌলের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর, 35.5।
সুতরাং,
বা,
বা,
বা,
বা,
বা,
অর্থাৎ, আইসোটোপের শতকরা প্রাপ্যতার পরিমাণ
এবং আইসোটোপের শতকরা প্রাপ্যতার পরিমাণ
যেহেতু 'A' মৌলের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর 35.5 এবং এর দুইটি আইসোটোপ ও আছে সেহেতু মৌলটি হলো ক্লোরিন। আবার অপর মৌল B এর পারমাণবিক সংখ্যা 19। সুতরাং B মৌলটি হলো পটাশিয়াম (K)।
CI মৌলটি আয়নিক ও সমযোজী উভয় বন্ধন গঠন করলেও K মৌলটি শুধুমাত্র আয়নিক বন্ধন গঠন করে। নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো-.
K ও Cl মৌলদ্বয় দ্বারা গঠিত KCl যৌগের বনধন প্রকৃতি :
K ও Cl এর ইলেকট্রন বিন্যাস করে পাই,
K পরমাণু তার সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তরের একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে নিকটস্থ নিষ্ক্রিয় গ্যাস আর্গনের স্থিতিশীল অষ্টক কাঠামো লাভ করে এবং আয়নে পরিণত হয়। অপরদিকে Cl পরমাণু তার সর্ববহিঃস্থ ৩য় শক্তিস্তরে 1 টি ইলেকট্রন গ্রহণ করে আর্গনের স্থিতিশীল অষ্টক কাঠামো লাভ করে এবং আয়নে পরিণত হয়। এভাবে সৃষ্ট ও আয়নদ্বয় বিপরীত আধানযুক্ত হওয়ায় তারা পরস্পর স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণ শক্তি দ্বারা যুক্ত হয়ে KCl আয়নিক যৌগ গঠন করে।
আবার, C ও C1 মৌলদ্বয় দ্বাা গঠিত যৌগের বন্ধন প্রকৃতি :
কার্বন (C) ও ক্লোরিনের (Cl) ইলেকট্রন বিন্যাস হতে পাই,
ইলেকট্রন বিন্যাস থেকে দেখা যায়, C এর সর্বশেষ স্তরে 4টি এবং CI এর সর্বশেষ স্তরে 1টি অযুগ্ম ইলেকট্রন আছে। নিকটতম নিষ্ক্রিয় গ্যাস Ne এর কাঠামোর জন্য কার্বন পরমাণু 4টি ক্লোরিনের একক বন্ধনের সাথে যুক্ত হয়। এভাবে কার্বন ও ক্লোরিন পরমাণু ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে সমযোজী বন্ধন দ্বারা আবদ্ধ হয়।
