সরু ছিদ্রপথে কোনো গ্যাসের অণুসমূহের উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলে।
আমরা জানি, যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা একই কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোপ বলে। প্রোটিয়াম ( , ও ট্রিটিয়াম প্রতিটি পরমাণুরই প্রোটন সংখ্যা একই কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন। এ কারণে (প্রোটিয়াম) ও (ট্রিটিয়াম) পরস্পরের আইসোটোপ ।
উদ্দীপকের ও মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা যথাক্রমে 20 ও 16। সুতরাং মৌল দুইটি হলো ক্যালসিয়াম ও সালফার। নিম্নে ক্যালসিয়াম ও সালফারের মধ্যে বন্ধন গঠন চিত্রসহ বর্ণনা করা হলো-
ও এর ইলেকট্রন বিন্যাস হলো-
এখানে পরমাণু তার সর্বশেষ শক্তিস্তরের 2 টি ইলেকট্রন ত্যাগ করে সহজেই আয়নে পরিণত হয়ে এর গঠন বিন্যাস অর্জন করে। আর অপরদিকে পরমাণু ক্যালসিয়াম কর্তৃক ত্যাগকৃত দুইটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে নিকটবর্তী নিষ্ক্রিয় গ্যাস এর গঠন বিন্যাস অর্জন করে। এভাবে পরস্পরের সাথে স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণ বল দ্বারা যুক্ত হয়ে আয়নিক যৌগ (CaS) গঠন করে।
উদ্দীপকের 'A' ও 'D' মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা যথাক্রমে 20 ও 6। সুতরাং মৌল দুইটি হলো ক্যালসিয়াম ও কার্বন। ক্যালসিয়াম ও কার্বনের হ্যালাইড অর্থাৎ ও যৌগের মধ্যে পানিতে দ্রবণীয় হলেও পানিতে অদ্রবণীয় নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো :
একটি আয়নিক যৌগ। এই যৌগে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আয়ন রয়েছে। কে পানিতে যোগ করলে এর আয়ন পানির ঋণাত্মক আয়ন অক্সিজেন প্রান্ত দ্বারা এবং আয়ন পানির ধনাত্মক হাইড্রোজেন প্রান্ত দ্বারা আকর্ষিত হয়। এভাবে যৌগে বিপরীত আয়নগুলোর মধ্যে বিদ্যমান বনধন শিথিল হয়ে তা পানিতে দ্রবীভূত হয় ।
অপরদিকে, কার্বন ও ক্লোরিন উভয়ই অধাতু হওয়ায় পরস্পরের মধ্যে ইলেকট্রন শেয়ার করে সমযোজী যৌগ গঠন করে। এ যৌগে আংশিক ধনাত্মক বা ঋণাত্মক প্রান্তের সৃষ্টি হয় না। ফলে যৌগ সামগ্রিকভাবে অপোলার হয়। অপোলার যৌগে কোনো ধনাত্মক ও ঋণাত্মক প্রান্ত না থাকায় পানির অণু ধনাত্মক ও ঋণাত্মক প্রান্ত দ্বারা আকৃষ্ট হয় না। ফলে অণু পানিতে দ্রবীভূত হয় না। তাই, 'A' এর হ্যালাইড পানিতে দ্রবণীয় হলেও 'D' এর হ্যালাইড পানিতে অদ্রবণীয় ।
