[এখানে X, Y এবং Z প্রতীকী অর্থে, প্রচলিত কোনো মৌলের প্রতীক নয়]
কে কোনো মৌলের ইংরেজি বা ল্যাটিন নামের সংক্ষিপ্ত রূপকে মৌলের প্রতীক বলে।
ক্রিপ্টন (Kr) একটি নিষ্ক্রিয় মৌল। কারণ ক্রিপ্টন এর ইলেকট্রন বিন্যাস- ।
যোজ্যতা স্তরের ইলেকট্রন বিন্যাস । অর্থাৎ যোজ্যতা স্তরে 8টি ইলেকট্রন থাকে বলে এটি অন্য কোনো মৌলের সাথে বিক্রিয়া করে না। অর্থাৎ বহিঃস্থ স্তরের সুবিন্যস্ত ইলেকট্রন বিন্যাসের কারণে Kr নিষ্ক্রিয় মৌল।
গী উদ্দীপকের Z মৌলটি Sc(21), কারণ Sc এর পারমাণবিক সংখ্যা 21।
Sc এর ইলেকট্রন বিন্যাস-
পর্যায় নির্ণয় : ইলেকট্রন বিন্যাস চারটি স্তরে বিন্যস্ত হওয়ায় এটি ৪র্থ পর্যায়ের মৌল।
গ্রুপ নির্ণয় : সর্বশেষ ইলেকট্রন d অরবিটালের প্রবেশ করায় (n-1)d ও ns অরবিটালের মোট ইলেকট্রন গ্রুপ নির্দেশ করে। অর্থাৎ নং গ্রুপে Sc মৌলটি অবস্থিত।
সুতরাং, Z তথা Sc মৌলটি ৪র্থ পর্যায়ের গ্রুপ 3 এর মৌল।
উদ্দীপকের তথ্য অনুসারে, X ও Y মৌলদ্বয় যথাক্রমে H ও N এবং এদের দ্বারা গঠিত যৌগ । এর জলীয় দ্ররণের প্রকৃতি ক্ষারধর্মী। নিচে যৌগটির বন্ধন গঠনসহ ব্যাখ্যা করা হলো-
জানা আছে, দুটি অধাতব পরমাণু ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে নিকটস্থ নিষ্ক্রিয় চরিত্র অর্জনের উদ্দেশ্যে যে বন্ধন গঠন করে তা-ই মূলত সমযোজী বন্ধন। আবার সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে যে যৌগ গঠিত তা হচ্ছে সমযোজী যৌগ।
N এর ইলেকট্রন বিন্যাস,
H এর ইলেকট্রন বিন্যাস,
ইলেকট্রন বিন্যাস হতে দেখা যায়, N এর যোজনী শেলে 3 টি বিজোড় ইলেকট্রন আছে। N-পরমাণু তার 3টি বিজোড় ইলেকট্রন 3টি H পরমাণুর অরবিটালের ইলেকট্রনের সাথে শেয়ার করে তিনটি সমযোজী বন্ধন গঠনের মাধ্যমে সমযোজী যৌগ গঠন করে। নিচে ডায়াগ্রামের সাহায্যে অণুর বন্ধন গঠন প্রক্রিয়া দেখানো হলো :
সুতরাং বলা যায়, N ও H অধাতব পরমাণুদ্বয় দ্বারা গঠিত যৌগটি সমযোজী যৌগ।
আবার এর জলীয় দ্রবণ , যা ক্ষারধর্মী। এ কারণে এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে।
