[পর্যায় সারণির একটি খণ্ডিত অংশ এবং X, Y, Z প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
মেন্ডেলিফের পর্যায় সূত্রটি হলো :
“মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলি তাদের পারমাণবিক ভর বৃদ্ধির সাথে পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়।”
আর্গন (Ar) নিষ্ক্রিয় গ্যাস। কারণ, এর সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তরে ইলেকট্রন দ্বারা অষ্টক পূর্ণ থাকে, যা অত্যন্ত সুস্থিত। এ সুস্থিত ইলেকট্রন বিন্যাস ভাঙতে অনেক শক্তির প্রয়োজন। তাই Ar স্বাভাবিক অবস্থায় কোনো মৌলের সাথে যুক্ত হয় না। অর্থাৎ বহিঃস্থ স্তরের সুবিন্যস্ত ইলেকট্রন বিন্যাসের কারণে Ar নিষ্ক্রিয় হয়।
উদ্দীপকের তথ্যমতে, Z মৌলটি CI (17)। এর ইলেকট্রন বিন্যাস-
দেখা যাচ্ছে, মৌলটির সর্বশেষ কক্ষপথ হলো ৩য় কক্ষপথ।
নীলস বোর মডেল অনুসারে-
এখানে, প্লাঙ্কের ধ্রুবক,
কক্ষপথ সংখ্যা,
নির্ণয় করতে হবে,
কৌণিক ভরবেগ, mvr = ?
জানা আছে,
সুতরাং, Cl এর সর্বশেষ কক্ষপথের একটি ইলেকট্রনের কৌণিক ভরবেগ
উদ্দীপকের তথ্যমতে, X ও Y মৌল দুটি যথাক্রমে Mg ও S এবং এদের দ্বারা গঠিত যৌগ MgS। নিচে MgS যৌগের তড়িৎ পরিবাহিতা ব্যাখ্যা করা হলো-
MgS একটি আয়নিক যৌগ। এজন্য এটি জলীয় দ্রবণে ক্যাটায়ন ও অ্যানায়ন -এ বিশ্লিষ্ট হয়।
MgS এর জলীয় দ্রবণে দুটি ইলেকট্রোড বা তড়িৎদ্বার প্রবেশ করালে অ্যানায়ন ( ) অ্যানোডে এবং ক্যাটায়ন ( ) ক্যাথোডে আকৃষ্ট হয়।
আয়ন অ্যানোডে পৌঁছামাত্র অ্যানোডে 2টি ইলেকট্রন ত্যাগ করে জারিত হয় এরং S পরমাণুতে পরিণত হয়।
অ্যানোডে বিক্রিয়া :
আবার আয়ন ক্যাথোডে পৌঁছামাত্র ক্যাথোড থেকে 2 টি ইলেকট্রন গ্রহণ করে বিজারিত হয় এবং Mg ধাতুতে পরিণত হয়।
ক্যাথোডে বিক্রিয়া :
এক্ষেত্রে, ইলেকট্রন দান ও গ্রহণের ফলে অ্যানোড ও ক্যাথোডের মধ্যে ইলেকট্রন প্রবাহ তৈরি হয়। জানা আছে, ইলেকট্রন প্রবাহই হলো তড়িৎ প্রবাহ। এভাবে MgS যৌগে তড়িৎ প্রবাহ ঘটে।
