A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘হালিমা দরিদ্র কৃষাণী।…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৪ – লালসালু, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ নাটক ও উপন্যাস🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — লালসালু🔢 সৃজনশীল নং ৫৯🏫 বোর্ড চট্টগ্রাম বোর্ড📅 সাল ২০২৪⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

হালিমা দরিদ্র কৃষাণী। বিয়ের দশ বছর পরও কোনো সন্তান না হওয়ায় এতিম একটা মেয়েকে সে লালন-পালন করে। কিন্তু তার স্বামী অন্যের মেয়েকে মেনে নিতে পারে না; প্রায়ই মেয়েটাকে মারধর করে। এতে হালিমা স্বামীর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। শুধু মেয়ের জন্য ঘর ছেড়ে চলে যায় বাপের বাড়ি।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

আওয়ালপুরের পিরের প্রধান মুরিদ হলো মতলুব খাঁ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"যত ভাবে কথাটা, তত জ্বলে ওঠে বুড়ো।"- কথাটিতে তাহেরের বাবা-মায়ের ঝগড়ার গোপন বিষয়টি হাসুনির মা মজিদকে জানিয়ে দেওয়ার বিষয়টি ভেবে তাহেরের পিতা রাগে, ক্ষোভে জ্বলে ওঠে।
'লালসালু' উপন্যাসে ঝগড়ার একপর্যায়ে তাহেরের মা তাহেরের বাবাকে কাবু করার জন্য তাহের-কাদের বৃদ্ধের ঔরসজাত সন্তান না বলে দাবি করে। এই কথা হাসুনির মা রহিমাকে জানিয়ে বুড়ো-বুড়ির ঝগড়ার একটা প্রতিকার চায়। ওই কথাটি রহিমার কাছ থেকে মজিদ জানতে পেরে তাহেরের বাপকে ডেকে পাঠায়। এমন কথা যেন তার স্ত্রী আর না বলে এই বিষয়ে সতর্ক করে তাকে শাসায়। তখন এই গোপন কথাটি বাইরে জানিয়ে দেওয়ায় তাহেরের বাবা মেয়েকে সন্দেহ করে এবং রাগে ও ক্ষেভে জ্বলতে থাকে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে 'লালসালু' উপন্যাসের রহিমার মাতৃস্নেহের বিষয়টি ফুটে উঠেছে।
যেকোনো নারীই মাতৃত্বের স্বাদ পেতে চায়। কিন্তু এমন অনেক নারী আছেন যারা দুর্ভাগ্যবশত মা হতে পারেন না। তাদের অনেকেই অন্যের সন্তানকে দত্তক নেওয়ার মাধ্যমে মাতৃত্বের বাসনা পূর্ণ করেন।
উদ্দীপকের হালিমা বিয়ের দশ বছর হওয়ার পরও মা হতে না পারায় এতিম এক মেয়েকে নিজের মেয়ের মতো করে লালন-পালন করে। কিন্তু তার স্বামী এই বিষয়টি মেনে নিতে পারে না এবং মেয়েটাকে প্রায়ই মারধর করে। এমতাবস্থায় হালিমা স্বামীর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় এবং সন্তানের জন্য স্বামীর ঘর ত্যাগ করে। একইভাবে, 'লালসালু' উপন্যাসের রহিমাও সতিন অল্পবয়সি জমিলাকে সন্তানের মতো ভালোবাসে। এমনকি তাকে অত্যাচার করায় স্বামীর মুখের ওপর কথা বলে। এভাবে উদ্দীপকের হালিমার মাঝে 'লালসালু' উপন্যাসের রহিমার মাতৃস্নেহের দিকটিই প্রকাশ পেয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"উদ্দীপকের হালিমা ও উপন্যাসের রহিমা চিরন্তন মাতৃহৃদয়ের উদাহরণ।"- মন্তব্যটি যথার্থ বলেই আমি মনে করি।
মাতৃস্নেহের কোনো তুলনা হয় না। মা তার সন্তানদের হৃদয় দিয়ে ভালোবাসেন। সন্তানের জন্য যেকোনো ত্যাগ স্বীকারেও পিছপা হন না। প্রয়োজনে নিজের জীবন দিয়ে হলেও সন্তানদের রক্ষা করেন।
'লালসালু' উপন্যাসে রহিমা শাশ্বত মাতৃহৃদয়ের সার্থক প্রতিমূর্তি। তার নিজের সন্তান না থাকালেও সন্তানস্নেহের অভাব নেই। কিশোরী জমিলাকে বশে আনতে মাজারের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখলে সে মজিদের বিরুদ্ধে কথা বলে, প্রতিবাদ করে। উদ্দীপকের দরিদ্র কৃষাণি হালিমারও সন্তান নেই। বিয়ের পর দীর্ঘ দশ বছর কেটে গেলেও দুর্ভাগ্যক্রমে সে মা হতে পারেনি। তাই এতিম এক মেয়েকে সে স্নেহ- ভালোবাসা দিয়ে লালন-পালন করে। পরের সন্তানের প্রতি স্ত্রীর এই ভালোবাসাকে তার স্বামী মেনে নিতে পারে না। তাই প্রায়ই সে মেয়েটাকে মারধর করে। এমতাবস্থায় সন্তানবৎসল হালিমা স্বামীর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় এবং তার ঘর ত্যাগ করে বাপের বাড়ি চলে যায়।
'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের প্রথম স্ত্রী রহিমা ছিল নিঃসন্তান। তাই মজিদ দ্বিতীয় বিয়ে করার পর অল্পবয়সি জমিলাকে দেখে তার মনে মাতৃভাব জাগে এবং সে তাকে মাতৃস্নেহেই আগলে রাখতে চায়। বস্তুত সতিন জমিলাকে কেন্দ্র করেই তার মাতৃহৃদয় যেন পূর্ণতা লাভ করে। একইভাবে উদ্দীপকের হালিমার সন্তান না হলে এতিম এক মেয়েকেই সে সন্তানস্নেহে লালন-পালন করে। উভয় ক্ষেত্রে এমন আচরণ তাদের চিরায়ত মাতৃহৃদয়কেই আমাদের সামনে উপস্থাপন করে। এই দিক বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘হালিমা দরিদ্র কৃষাণী।…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৪ – লালসালু, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”