A. Nayan
A. Nayan
28 May 2026 (4 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘লালন শাহ্ মানবতাবাদী…’ আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২০২৫ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: general📚 বই: বাংলা📖 ৫ম অধ্যায় : বই পড়া - প্রমথ চৌধুরী🔢 সৃজনশীল নং: ২৫🏢 প্রতিষ্ঠান: আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা📅 সাল: ২০২৫⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

লালন শাহ্ মানবতাবাদী মরমি কবি। আধ্যাত্মভাব ও মরমি রহসব্যঞ্জনা তাঁর লেখার বৈশিষ্ট্য। প্রাতিষ্ঠানিক বিদ্যালাভ না করলেও নিজের চিন্তা ও সাধনায় তিনি হিন্দু ও মুসলমানের ধর্মীয় শাস্ত্র সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান অর্জন করেন। এই জ্ঞানের সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধির মিলনে তিনি নতুন এক দর্শন প্রচার করেন। মৃত্যুর পরও তাঁর অনেক অনুসারী এখন তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে নিজের আত্মাকে উদ্বোধিত করেছে।

উত্তর:

অবগাহন শব্দের অর্থ সর্বাঙ্গ ডুবিয়ে গোসল।

উত্তর:

"মনের আক্ষেপ প্রকাশ করতে মাঝে মাঝেই কড়ি লাগাতে হয়”- প্রাবন্ধিক আমাদের দুরবস্থার কথা স্মরণ করে তীক্ষ্ণ কন্ঠে কথা বলার ধরন বুঝাতে এ কথা বলেছেন।
'বই পড়া' প্রবন্ধের প্রশ্নোক্ত লাইনটিতে কড়ি বলতে বোঝানো হয়েছে চড়া সুর। নরম সুরে সব জায়গায় কাজ হয় না। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার যে দুরবস্থা তা লেখককে ভাবিয়ে তোলে। প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটির কারণেই আমরা মনের দিক থেকে হয়ে উঠেছি নির্জীব ও নীরস। এ অবস্থা এতটাই শোচনীয় পর্যায়ে চলে গেছে যে তা তুলে ধরতে গিয়ে লেখক কোমল সুর পরিহার করে চড়া সুরে কথা বলেছেন। কারণ এই দুরবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে কেবল কোমল সুরে আলাপ করলে চলবে না, চড়া সুরও প্রয়োগ করতে হবে।

উত্তর:

উদ্দীপকটি 'বই পড়া' প্রবন্ধের সঙ্গে যে দিক থেকে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে তা হচ্ছে মানুষের স্বশিক্ষিত হয়ে ওঠা।

'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক তুলে ধরেছেন আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার দুরবস্থার কথা। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় ছেলেদের বিদ্যা গেলানো হয়। এ বিদ্যা কোনো কাজে লাগে না। কেননা পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয়। তাই সুশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার জন্য পাঠচর্চার অভ্যাস গড়তে লেখক অধিক পরিমাণে লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন।
উদ্দীপকের ঘটনাংশে উঠে এসেছে মানবতাবাদী মরমি কবি লালন শাহের কথা। যিনি প্রাতিষ্ঠানিক বিদ্যালাভ না করলেও নিজের চিন্তা ও সাধনায় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এক নতুন দর্শন। মৃত্যুর পরেও তাঁর অনুসারীরা সে দর্শন অনুসরণ করে যাচ্ছে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও তিনি সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে উঠেছিলেন; এ শিক্ষাই প্রকৃত শিক্ষা। 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক এ শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন। কেননা স্কুলে গেলানো বিদ্যা দিয়ে পরীক্ষায় পাশ করা যায় ঠিকই কিন্তু প্রকৃত শিক্ষিত হয়ে ওঠা যায় না। প্রকৃত শিক্ষা মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিকে জাগ্রত করে, মনোরাজ্যের ঐশ্বর্যের সন্ধান পাইয়ে দেয়, যা উদ্দীপকের লালন শাহের মধ্যে দেখা যায়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটি 'বই পড়া' প্রবন্ধের সঙ্গে স্বশিক্ষিত হয়ে ওঠার দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তর:

স্বশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার বিষয়টি ছাড়া অন্যান্য বিষয় উপস্থিত না থাকায় “উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'বই পড়া' প্রবন্ধের অংশবিশেষ বর্ণনা মাত্র" মন্তব্যটি যথাযথ।
'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক বই পড়ার গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরেছেন। জাতির মানসিক বিকাশ ও সমৃদ্ধিতে বই পড়া, জ্ঞান ও সাহিত্যচর্চার কোনো বিকল্প নেই। বই পড়ার কথা বলতে গিয়ে তিনি প্রসঙ্গত আরও নানা বিষয় তুলে ধরেছেন।
উদ্দীপকে লালন শাহের কথা তুলে ধরা হয়েছে, যিনি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষালাভ না করলেও নিজের চিন্তা ও সাধনায় হিন্দু ও মুসলমানের ধর্মীয় শাস্ত্র সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান অর্জন করেন। এই জ্ঞানের সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধির মিশ্রণে তিনি প্রচার করেন নতুন এক দর্শন, যা মৃত্যুর পরেও তাঁর অনুসারীদের মধ্যে রয়ে গেছে। তিনি মূলত সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে নিজের আত্মাকে উদ্বোধিত করতে পেরেছিলেন।

উদ্দীপকের তুলনায় 'বই পড়া' প্রবন্ধের মূলভাব অনেক বেশি বিস্তৃত। এখানে লেখক বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার নেতিবাচক - দিকগুলোকে তুলে ধরেছেন এবং সেই সঙ্গে এই অবস্থা থেকে উত্তরণের পথ বলে দিয়েছেন। আমাদের শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা এমন পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে যে এখানে কেউ বাধ্য না হলে বই পড়ে না। ফলে এখানকার মানুষজন প্রকৃত শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হয়ে দিনকে দিন নির্জীব হয়ে যাচ্ছে। লেখক অধিক পরিমাণে লাইব্রেরি স্থাপন করে মনের চিকিৎসা করতে বলেছেন। যার ফলে মানুষ সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে উঠতে পারবে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'বই পড়া' প্রবন্ধের অংশবিশেষ মাত্র।

10 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘লালন শাহ্ মানবতাবাদী…’ আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২০২৫ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”