A. Nayan
A. Nayan
28 May 2026 (4 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘দৃশ্যকল্প-১:গ্রন্থগত বিদ্যা পর…’ কুমিল্লা বোর্ড ২০২৫ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: general📚 বই: বাংলা📖 ৫ম অধ্যায় : বই পড়া - প্রমথ চৌধুরী🔢 সৃজনশীল নং: ২৯🏫 বোর্ড: কুমিল্লা বোর্ড📅 সাল: ২০২৫⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

দৃশ্যকল্প-১:
গ্রন্থগত বিদ্যা পর হস্তে ধন নহে বিদ্যা,

নহে ধন, হলে প্রয়োজন।

দৃশ্যকল্প-২:
লাইব্রেরি জাতির সভ্যতা ও উন্নতির মানদণ্ড। কারণ, বুদ্ধির জাগরণ ভিন্ন জাতীয় আন্দোলন হুজুগপ্রিয়তা ও ভাববিলাসিতার নামান্তর, আর পুস্তক অধ্যয়ন ব্যতীত বুদ্ধির জাগরণ অসম্ভব। লাইব্রেরির শ্রেষ্ঠতা এইখানে যে, তা আমাদের ডাল-ভাতের ব্যবস্থা না করতে পারলেও সভ্যতার আদর্শটি অক্ষুণ্ণ রেখে আমাদের আলোক অভিসারী করে তুলতে পারে।

উত্তর:

মনের দাবি রক্ষা না করলে মানুষের আত্মা বাঁচে না।

উত্তর:

'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক লাইব্রেরিকে স্কুল-কলেজের ওপরে স্থান দিয়েছেন, কারণ লাইব্রেরিতে লোকে স্বেচ্ছায় ও স্বচ্ছন্দচিত্তে স্বশিক্ষিত হওয়ার সুযোগ পায়।
'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক বলেছেন, আমাদের স্কুল-কলেজের শিক্ষাপদ্ধতি উলটো। সেখানে ছেলেদের জোর করে বিদ্যে গেলানো হয়। ফলে ছেলেরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণশীর্ণ হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে। অন্যদিকে লাইব্রেরিতে প্রত্যেকে নিজ নিজ শক্তি ও রুচি অনুসারে নিজের মনকে নিজের চেষ্টায় আত্মার রাজ্যে জ্ঞানের পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। তাই লেখক লাইব্রেরিকে স্কুল-কলেজের ওপরে স্থান দিয়েছেন।

উত্তর:

উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১-এ 'বই পড়া' প্রবন্ধের যে দিকটি ফুটে উঠেছে সেটি হলো জোর করে লাভ করা শিক্ষার অন্তঃসারশূন্যতা।
'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক আমাদের দেশের শিক্ষা পদ্ধতির কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি মনে করেন এদেশের স্কুল-কলেজে শিক্ষার্থীদের জোর করে বিদ্যা গেলানো হয়। অথচ তারা এটা হজম করতে পারবে কি না সেদিকে কোনো গুরুত্ব দেওয়া হয় না। শিক্ষার্থীদের অনিচ্ছা সত্ত্বেও এভাবে বিদ্যা গেলানোর ফলে তাদের জীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। ফলে এমন শিক্ষা তাদের জীবনে কোনো উপকার বয়ে আনতে পারে না।
'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক বই পড়ার অনভ্যাসের কথা তুলে ধরেছেন। প্রবন্ধে তিনি আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটির কথা বলেছেন। আমাদের স্কুল-কলেজে যে শিক্ষা দেওয়া হয় তা মূলত শিক্ষার্থীকে জোর করে গেলানো হয়। ফলে পড়াশোনা শেষ করে একজন মানুষ জীর্ণ ও প্রাণহীন হয়ে বের হয় এবং সে তার অর্জিত শিক্ষা প্রয়োগ করতে পারে না। আলোচ্য প্রবন্ধের এ দিকটিই উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে। উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১-এর মূলকথা হলো গ্রন্থগত বিদ্যা অর্থাৎ জোর করে পাঠ্যবই মুখস্থ করা বিদ্যা প্রয়োজনের সময় কাজে লাগে না। তাই বলা যায়, জোর করে লাভকরা বিদ্যার অন্তঃসারশূন্যতা আলোচনার দিকটিই মূলত উদ্দীপক ও 'বই পড়া' প্রবন্ধের সাদৃশ্যপূর্ণ দিক।

উত্তর:

"উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২-এর ভাবনা যেন লেখকের চিন্তারই প্রতিফলন।”- মন্তব্যটি যথার্থ। কেননা লেখক মানুষের জ্ঞানের বিকাশের জন্য বেশি বেশি লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার কথা বলেছেন।
'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক বই পড়ার গুরুত্ব সম্পর্কে তাঁর সুচিন্তিত মতামত ব্যক্ত করেছেন। বই পড়ার অভ্যাস সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য তিনি অনেক বেশি লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করার কথা বলেছেন। তিনি মনে করেন, লাইব্রেরিতে মানুষ নিজের ইচ্ছামতো বই পড়ে স্বেচ্ছায় জ্ঞান অর্জন করতে পারে। এভাবে মানুষের মানসিক বিকাশ ঘটে।

'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক বই পড়ার গুরুত্ব ও তাৎপর্য উপস্থাপন করেছেন। জাতির মানসিক বিকাশ ও সমৃদ্ধির জন্য বই পড়া, জ্ঞান ও সাহিত্যচর্চার বিকল্প নেই। আর লেখক বই পড়ার জন্য সবার ওপরে স্থান দিয়েছেন লাইব্রেরিকে। কেননা লাইব্রেরিতে মানুষ স্বেচ্ছায় এবং নিজের পছন্দের বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারে। পাঠকের নিজের মনের দাবি লাইব্রেরিতে পূরণ হয় বলে লেখক লাইব্রেরিকে স্কুল-কলেজের ওপরে স্থান দিয়েছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে লব্ধ শিক্ষা পূর্ণাঙ্গ নয় বলে লেখক লাইব্রেরিতে গিয়ে জ্ঞানচর্চা করার প্রতি জোর দিয়েছেন। লাইব্রেরির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে লেখকের চিন্তার প্রতিফলন উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২-এ দেখা যায়।

উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২-এ লাইব্রেরিকে জাতির সভ্যতা ও উন্নতির মানদণ্ড বলা হয়েছে। কেননা বুদ্ধির জাগরণ পুস্তক অধ্যয়নের মাধ্যমেই হয়। আর পুস্তক অধ্যয়নের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ স্থান হলো লাইব্রেরি। মূলত জ্ঞানচর্চার জন্য লাইব্রেরির প্রয়োজনীয়তা ও লাইব্রেরির মাহাত্ম্য উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২-এ ফুটে উঠেছে, যা লেখকের চিন্তারই 'প্রতিফলন। এই বিবেচনায় বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

9 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘দৃশ্যকল্প-১:গ্রন্থগত বিদ্যা পর…’ কুমিল্লা বোর্ড ২০২৫ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”