A. Nayan
A. Nayan
28 May 2026 (4 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘সংসার সমরাঙ্গনে যুদ্ধ…’ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: general📚 বই: বাংলা📖 ৭ম অধ্যায় : নিরীহ বাঙালি - রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন🔢 সৃজনশীল নং:⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

সংসার সমরাঙ্গনে যুদ্ধ কর দৃঢ়পণে

ভয়ে ভীত হইও না মানব,

কর যুদ্ধ বীর্যবান, যায় যাবে যাক প্রাণ 

মহিমাই জগতে দুর্লভ।

উত্তর:

'Famine Report' অর্থ 'দুর্ভিক্ষ সমাচার'।

উত্তর:

আইনচর্চার জন্য কৃষিজমিতে গিয়ে গায়ে খেটে কায়িক শ্রম করার মতো কষ্ট করতে হয় না বলে আইনচর্চা অপেক্ষা কৃষি বিষয়ে জ্ঞানচর্চা কঠিন।
'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধে লেখিকা ব্যাবসা ও কৃষিকে ধনবৃদ্ধির উপায় হিসেবে তুলে ধরেছেন। কৃষি কাজ করে খাদ্যোৎপাদনের মধ্য দিয়ে ধনবৃদ্ধি সম্ভব। কিন্তু বাঙালি শ্রমবিমুখ জাতি হওয়ায় কর্কশ জমিকে চাষাবাদের মাধ্যমে উর্বর করার পক্ষে নেই। জমি উর্বর করার চেয়ে মস্তিষ্ক উর্বর করাকে তারা সহজ বলে মনে করে। ফলে তারা চাষাবাদ করে কৃষি বিষয়ে জ্ঞান অর্জনের চেয়ে আইনচর্চা করে মুখস্থবিদ্যার মাধ্যমে ধনবৃদ্ধি করাকে সহজ মনে করে। তাই আইনচর্চার চেয়ে কৃষি বিষয়ে জ্ঞানচর্চা তাদের কাছে কঠিন।

উত্তর:

উদ্দীপকের সঙ্গে 'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধের লেখিকার ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের মাধ্যমে ইতিবাচক কাজের প্রণোদনা দানের দিকটি তুলনীয়।
নিরীহ বাঙালি নামের অন্তরালে বাঙালিদের উদ্ভট কর্মকাণ্ড ও শ্রমবিমুখতাকে ব্যঙ্গ করা হয়েছে। বাঙালিরা নিজেদের দুর্বলতা এবং অলসতাকে স্বীকার করতে চায় না। এই হীন মানসিকতা তাদের পশ্চাৎপদ করে রেখেছে। প্রবন্ধে এ অবস্থার পরিত্রাণের প্রত্যাশা করা হয়েছে।
উদ্দীপকে সংসার তথা পৃথিবীকে যুদ্ধক্ষেত্র' বলা হয়েছে। পৃথিবীর বৈরী পরিবেশে নিজের মর্যাদা সমুন্নত রেখে বেঁচে থাকতে চাইলে সাহসী যোদ্ধার মতো লড়াই করতে হবে। সকল প্রতিবন্ধকতা দূর করতে পারলেই দুর্লভ মহিমা এসে ধরা দেবে। 'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধে বাঙালি পুরুষের আলস্যপ্রিয়তা, শারীরিক পরিশ্রমে অনীহা, বাগাড়ম্বর আচরণ সম্পর্কে যেমন আলোচনা রয়েছে, তেমনই বাঙালি নারীদের অহেতুক রূপচর্চা, পরচর্চা এবং নিজেদের অবলা প্রমাণিত করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টার প্রতিও আলোচনা' রয়েছে। ব্যঙ্গাত্মক এ রচনার মাধ্যমে রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বাঙালি পুরুষ ও নারীকে সত্যিকারের সামাজিক, পারিবারিক ও জাতীয় কাজে প্রণোদিত করতে চেয়েছেন। এভাবে উদ্দীপকের সঙ্গে 'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধটি তুলনীয়।

উত্তর:

উদ্দীপক ও 'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধের প্রত্যাশা একই ধারায় প্রবাহিত- মন্তব্যটি যথাযথ, কারণ 'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধে লেখিকা বাঙালি জাতিকে আলস্য ত্যাগ করে কঠোর পরিশ্রমী হওয়ার প্রণোদনা দিয়েছেন।
'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধে দেখা যায়, বাঙালিরা নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে বা প্রতিবাদ করতে ভয় পায়। তারা সব সময় কর্মবিমুখ হয়ে আলস্য জীবনযাপন করতে পছন্দ করে। এ কারণে তাদের মধ্যে কোনো ধরনের নতুনত্ব বা পরিবর্তনের জন্ম হয় না, যা তাদের প্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করে।
'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধে লেখিকা বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বাঙালি জাতির নানা নেতিবাচক দিক হাস্যরসাত্মক ভঙ্গিতে উপস্থাপন করেছেন। এরূপ সমালোচনার মাধ্যমে লেখিকা বাঙালিকে কর্মে উদ্বুদ্ধ হওয়ার প্রণোদনা দিয়েছেন। উদ্দীপকে পৃথিবীতে মহিমা স্থাপন করার লক্ষ্যে সংগ্রাম করে যাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। ভয় না পেয়ে লক্ষ্য স্থির রেখে পরিশ্রম করে গেলে সফলতা আসবেই।
উদ্দীপকে পৃথিবীতে টিকে থাকার জন্য পরিশ্রম করার ইঙ্গিত রয়েছে। আর পরিশ্রম ও প্রচেষ্টার মধ্য দিয়েই কীর্তিমান হওয়া সম্ভব হবে। 'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধে লেখিকা বাঙালির কর্মকাণ্ডে সমালোচনার মধ্য দিয়ে তাদেরকে পরিশ্রমী হওয়ার প্রণোদনা দিয়েছেন। প্রবন্ধটিতে রয়েছে ইতিবাচক ও গুরুত্বপূর্ণ কাজের প্রতি মনোযোগী হওয়ার শিক্ষা। এদিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

9 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘সংসার সমরাঙ্গনে যুদ্ধ…’ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”