A. Nayan
A. Nayan
28 May 2026 (4 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নন্দ বাড়ির হত…’ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: general📚 বই: বাংলা📖 ৭ম অধ্যায় : নিরীহ বাঙালি - রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন🔢 সৃজনশীল নং: ১২⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

নন্দ বাড়ির হত না বাহির, কোথা কী ঘটে কি জানি,/ চড়িত না গাড়ি, কি জানি কখন উল্টায় গাড়িখানি।
নৌকা ফি-সন ডুবিছে ভীষণ, রেলে কলিশন হয়,/ হাঁটিলে সর্প, কুকুর আর গাড়ি-চাপা পড়া ভয়।
তাই শুয়ে শুয়ে কষ্টে বাঁচিয়া রহিল নন্দলাল।/ সকলে বলিল, ‘ভ্যালা রে নন্দ, বেঁচে থাক চিরকাল।’

উত্তর:

শেমিজ জ্যাকেট জাতীয় পোশাককে ইংরেজ ললনাদের নির্লজ্জ পরিচ্ছদ বলা হয়েছে।

উত্তর:

বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বাঙালিকে 'মূর্তিমান কাব্য' বলেছেন তাদের আলস্য বা অলসতার জন্য।
'নিরীহ 'বাঙালি' প্রবন্ধে লেখিকা বাঙালির জীবনাচরণের নানা অসংগতিকে কটাক্ষ করেছেন। পুরুষরা আলস্যপ্রিয়। আর নারী অহেতুক রূপচর্চা, পরনিন্দা এবং নিজেকে হীনবল মনে করে গৃহকোণে বন্দি জীবনযাপন করতে বেশি পছন্দ করে। ফলে তাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে উন্নতি নেই। এই বিবেচনায় লেখিকা বাঙালিকে 'মূর্তিমান কাব্য' বলে অভিহিত করেন।

উত্তর:

নন্দলালের বৈশিষ্ট্য 'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধে আলোচিত অলস বাঙালির কার্যক্রমকে ইঙ্গিত করে।
'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধে লেখিকা দেখিয়েছেন যে, বাঙালিরা নিজেদের আরাম ও বিলাসিতাকে বেশি প্রাধান্য দেয়। তারা কঠোর পরিশ্রমের বদলে সহজ ও আরামদায়ক জীবনযাপন করতে পছন্দ করে। এই ধরনের মানসিকতা তাদের কর্মদক্ষতা ও কর্মস্পৃহাকে নষ্ট করে দেয়।
উদ্দীপকে নন্দলালের শ্রমবিমুখতা এবং তার আলস্যভরা জীবনের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে। বাড়ির বাইরে গেলে কোথায় কোন সমস্যায় পড়ে এই ভয়ে সে সব কাজ ফেলে শুয়ে শুয়ে দিন কাটাতে পছন্দ করে। তার এই মূল্যহীন যুক্তি ও অলসতা 'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধের বাঙালির কার্যক্রমের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এ প্রবন্ধে লেখিকা বাঙালি পুরুষদের আলস্যপ্রিয়তা, শারীরিক পরিশ্রমে অনীহা প্রভৃতি নেতিবাচক দিক তুলে ধরেছেন। পরিশ্রম না করা ও ভোজনপ্রিয়তার ফলে বাঙালি পুরুষদের ভুঁড়িটি সজিনার মতোই স্থূল দেখায়। এভাবে উদ্দীপকের নন্দলালের বৈশিষ্ট্য 'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধের অলস বাঙালির কার্যক্রমকে ইঙ্গিত করে।

উত্তর:

উদ্দীপকে 'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধের উপেক্ষিত দিকটি হচ্ছে বাঙালি জাতির সহজ ও অল্প পরিশ্রমে ফললাভের বিষয়।
'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধে রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বাঙালিদের বলেছেন 'মূর্তিমান আলস্য'। কারণ অলসতা বাঙালির অভ্যাসগত ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। জগতে উন্নতি করতে চাইলে কঠোর পরিশ্রম প্রয়োজন, কিন্তু সেই দিক থেকে বাঙালি জাতি অন্যান্য জাতির তুলনায় পিছিয়ে আছে। তাই তিনি বাঙালির এই স্বভাবকে কঠোরভাবে ব্যঙ্গ করেছেন।
উদ্দীপকে নন্দলালের অজানা কোনো একটা সমস্যা-সংকটের ভয় এবং অলসতাকে তুলে ধরা হয়েছে। তার এই ভয়, কর্মবিমুখতা বাঙালির মজ্জাগত স্বভাববৈশিষ্ট্য। উদ্দীপকে নন্দলালের আলস্যকে সবাই সমর্থন করলেও 'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধে লেখিকা তাদের কঠোর সমালোচনা ও কটাক্ষ করেছেন। লেখিকা বাঙালির এমন আরামপ্রিয়তা ও পরিশ্রম না করার দিকগুলোকে নির্বুদ্ধিতা ও অনুচিত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, যা উদ্দীপকে উপেক্ষিত।
'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধে লেখিকা হাস্যরসের মাধ্যমে বাঙালি পুরুষের কর্মবিমুখতা এবং বাঙালি নারীর দুর্বলচিত্ত ও অহেতুক রূপচর্চা সম্পর্কে ধারণা দিয়েছেন। লেখিকা দেখিয়েছেন বাঙালির এই নেতিবাচক বৈশিষ্ট্যগুলো তাদেরকে কতটা নিচুস্তরে নামিয়ে দিয়েছে। প্রকৃতপক্ষে ব্যাঙ্গাত্মক এ প্রবন্ধটির মাধ্যমে লেখিকা বাঙালিকে সত্যিকার সামাজিক, পারিবারিক ও জাতীয় কাজে প্রণোদিত করতে চেয়েছেন। অথচ উদ্দীপকে সকলে নন্দলালের উদ্ভট কাজগুলোকে সমর্থন করছে, তার আচরণগুলো পরিবর্তনের জন্য কিছুই বলছে। না। ফলে 'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধের উল্লিখিত দিকগুলো উদ্দীপকে উপেক্ষিত হতে দেখা যায়।

10 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নন্দ বাড়ির হত…’ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”