একটি অবতল দর্পণের বক্রতার ব্যাসার্ধ 20 cm। দর্পণটি থেকে 25 cm দূরে একটি 4 cm লম্বা দণ্ড রাখা আছে।
আলোকরশ্মি এক মাধ্যম দিয়ে চলতে চলতে অন্য এক মাধ্যমের তলে আপতিত হলে দুই মাধ্যমের বিভেদতল হতে কিছু পরিমাণ আলো প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে। এ ঘটনাকে আলোর প্রতিফলন বলে।
যন্ত্র দ্বারা কাজ করার জন্য শক্তির প্রয়োজন। বিভিন্ন ইঞ্জিনে পেট্রোল, ডিজেল, সিএনজি ইত্যাদি জ্বালানি ব্যবহার করে রাসায়নিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়। ঠিক তেমনিভাবে খাদ্যগ্রহণ ও শ্বসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মানবদেহ ও রাসায়নিক শক্তিকে তাপশক্তি ও যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। এজন্য মানবদেহকে জৈব যন্ত্র বলা হয়। আমাকে
উদ্দীপক হতে, বক্রতার ব্যাসার্ধ,
ফোকাস দূরত্ব,
লক্ষ্যবস্তুর দূরত্ব,
প্রতিবিম্বের দূরত্ব, ?
আমরা জানি,
বা,
সুতরাং, দণ্ডটির প্রতিবিম্বের দূরত্ব 16.67 cm.
দণ্ডটি অবতল দর্পণের F বিন্দু তথা প্রধান ফোকাসে রাখলে বাস্তব ও অবাস্তব উভয় ধরনেরই বিম্ব গঠিত হয়। নিচে রশ্মিচিত্র এঁকে ব্যাখ্যা করা হলো-
চিত্রে MPM' একটি অবতল দর্পণ। যার মেরু P, প্রধান ফোকাস F, বক্রতার কেন্দ্র C। প্রধান অক্ষের উপর ফোকাস বিন্দুতে OF একটি লক্ষ্যবস্তু। ৩ থেকে একটি আলোক রশ্মি প্রধান অক্ষের সমান্তরালে আপতিত হয়ে প্রতিফলনের পর প্রধান ফোকাস দিয়ে যায়। ০ থেকে অপর একটি রশ্মি বক্রতার কেন্দ্র বরাবর আপতিত হয়ে একই পথে ফিরে আসে। প্রতিফলিত রশ্মি দুটি সমান্তরালে গমন করে এবং পিছনের দিকে বর্ধিত করলেও সমান্তরালে যায়। এক্ষেত্রে-
বিম্বের অবস্থান : অসীম দূরত্বে
বিম্বের আকৃতি: অত্যন্ত বিবর্ধিত
বিম্বের প্রকৃতি: বাস্তব ও উল্টো অথবা অবাস্তব ও সোজা
