প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য এবং লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে রৈখিক বিবর্ধন বা বিবর্ধন বলে।
দন্ত চিকিৎসকগণ অবতল দর্পণ ব্যবহার করেন। কারণ অবতল দর্পণ অভিসারী রশ্মিগুচ্ছ সৃষ্টি করতে বা কোনো বস্তুর বিবর্ধিত বিশ্ব সৃষ্টি করতে পারে। সুবিধাজনক আকৃতির অবতল দর্পণ ব্যবহার করে চিকিৎসকগণ মুখের ভিতরের বিবর্ধিত বিম্ব দেখতে পান ফলে তাদের কাজ তুলনামূলকভাবে সহজ হয়ে যায়।
এখানে, বক্রতার ব্যাসার্ধ,
∴ ফোকাস দূরত্ব,
∴ লক্ষ্যবস্তুর দূরত্ব,
বিম্বের দূরত্ব, ?
আমরা জানি,
বা,
বা,
এখানে, ঋণাত্মক চিহ্ন দ্বারা বিম্ব অবাস্তব বুঝায়। অর্থাৎ, বিম্বের অবস্থান দর্পণের পিছনে P বিন্দু থেকে 60 cm দূরে।
সমতল দর্পণের 20 cm সামনে একটি বস্তু রাখলে ঐ বস্তুর প্রতিটি বিন্দুর জন্য দর্পণের পিছনে অবাস্তব প্রতিবিম্ব গঠিত হয়।
চিত্রে OA লক্ষ্যবস্তুর সামনে MM' একটি সমতল দর্পণ। O এবং A হতে MM' দর্পণের উপর লম্ব আঁকা হলো। এরা দর্পণকে যথাক্রমে R এবং L বিন্দুতে ছেদ করে। OR এবং AL কে পিছনের দিকে যথাক্রমে I এবং B পর্যন্ত বর্ধিত করি যেন OR = RI এবং AL = BL হয়।
O এবং A হতে দুটি করে রশ্মি তির্যকভাবে দর্পণের উপর আপতিত হয়ে প্রতিফলিত হয়। প্রতিফলিত রশ্মি দুটিকে পিছনের দিকে বর্ধিত করলে এগুলো I এবং B বিন্দু থেকে আসছে বলে মনে হয়। তাহলে IB হলো OA বস্তুর অবাস্তব প্রতিবিম্ব। সমতল দর্পণে সৃষ্ট প্রতিবিম্বের আকার লক্ষ্যবস্তুর আকারের সমান হয়।
সুতরাং, উদ্দীপকের দর্পণটি পরিবর্তন করে একটি সমতল দর্পণ স্থাপন করলে দর্পণের 20 cm পিছনে সমান উচ্চতার একটি সোজা ও অবাস্তব বিম্ব গঠিত হবে।
