A. Nayan
A. Nayan
29 May 2026 (4 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের…’ কুমিল্লা বোর্ড ২০২৪ – পল্লিসাহিত্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: general📚 বই: বাংলা📖 ৮ম অধ্যায় : পল্লিসাহিত্য - মুহম্মদ শহীদুল্লাহ🔢 সৃজনশীল নং: ১০🏫 বোর্ড: কুমিল্লা বোর্ড📅 সাল: ২০২৪⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের শিক্ষার্থী শিহাব পরীক্ষা শেষে গ্রামে নানা বাড়িতে বেড়াতে যায়। স্থানীয় হাটে সে দেখে একজন বীণ বাজাচ্ছেন আর অন্য একজন তার সাথে বেহুলা-লখিন্দরের করুণ কাহিনি শোনাচ্ছেন। এগুলো ভালো লাগে তার। কিছুক্ষণ শোনার পর ঘরে ফিরে মায়ের কাছে পুরো কাহিনি জানতে চাইলে মা বলেন, “এগুলো সেকেলে। তোমার এগুলো শেখার দরকার নেই। তুমি বরং পাঠ্যবইয়ের প্রতি মনোযোগী হও।” কিন্তু শিহাব দমে না গিয়ে পরের দিন আবার হাটে যায় এবং সেখানে শিল্পীদের পরিবেশিত ‘মহুয়ার’ পালাটি মোবাইলে ভিডিও করে ইউটিউবে ছেড়ে দেয়। দুই দিনের মধ্যে ভিডিওটি পাঁচ হাজারের বেশি লাইক ও শেয়ার পায়। বিস্ময়ে অভিভূত হয় শিহাব।

উত্তর:

'ভূয়োদর্শন' হলো প্রচুর দেখা ও শোনার মাধ্যমে অর্জিত অভিজ্ঞতা। 

উত্তর:

উক্তিটির মাধ্যমে পল্লিসাহিত্যের ওপর পল্লির সব সন্তানের সর্বজনীন অধিকারের দিকটি বোঝানো হয়েছে।

পল্লিসাহিত্যের ওপর সবার অধিকার স্বীকৃত। কোনো দেশের আলো-বাতাসের ওপর যেমন সবার অধিকার রয়েছে, মায়ের ওপর যেমন সব সন্তানের রয়েছে সমান অধিকার, তেমনই পল্লিসাহিত্যের ওপরও সবার অধিকার সমান। এখানে কোনো ভেদাভেদ নেই। শ্রেণি-ধর্ম নির্বিশেষে পল্লির সব সন্তানই পল্লিসাহিত্যের ওপর অধিকার রাখে। প্রশ্নোক্ত বাক্যটিতে লেখক এই বিষয়হি বুঝিয়েছেন। 

উত্তর:

উদ্দীপকের শিহাবের মায়ের মধ্যে 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধের আধুনিক শিক্ষার কর্মনাশা স্রোতে পল্লিসাহিত্য হারিয়ে যাওয়ার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।

পল্লির প্রত্যেক পরতে পরতে সাহিত্য ছড়িয়ে আছে। এই পল্লিসাহিত্যগুলো যেকোনো দেশের জন্যই খুব গুরুত্বপূর্ণ। তবে আধুনিক শিক্ষার কর্মনাশা স্রোতে এগুলো হারিয়ে যাচ্ছে।

উদ্দীপকের ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের শিক্ষার্থী শিহাব গ্রামে বেড়াতে গিয়ে নতুন এক অভিজ্ঞতা অর্জন করে। সেখানে গিয়ে বেহুলা-লখিন্দরের কাহিনি শুনে তার ভালো লাগে। বিষয়টি বিস্তারিতভাবে মায়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি এটাকে সেকেলে বলে মন্তব্য করেন। তাছাড়া এগুলো বাদ দিয়ে পড়াশোনার প্রতি মনোযোগী হতে বলেন। শিহাবের মায়ের মনোভাব 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধের একটি দিককে মনে করিয়ে দেয়। প্রবন্ধে আধুনিক শিক্ষার কর্মনাশা স্রোতে পল্লিসাহিত্যের হারিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। কেননা এখনকার শিক্ষিত মায়েরা সন্তানদের আর বাংলার প্রাচীন উপকথাগুলো শোনান না। তারা শিক্ষার দোহাই দিয়ে অথবা আধুনিক নাগরিক সাহিত্যে আগ্রহী হয়ে পল্লিসাহিত্যের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ করেন। তাই এগুলো আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের শিহাবের মায়ের মধ্যে আলোচ্য দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। 

উত্তর:

শিহাবের গৃহীত পদক্ষেপের মাধ্যমেই 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধ লেখকের প্রত্যাশা পূরণ হতে পারে- মন্তব্যটি যথার্থ।

বাংলাদেশের পল্লি অঞ্চলে অনেক সাহিত্য ছড়িয়ে আছে। এগুলো। সংগ্রহ করলে সাহিত্যের এক বিশাল ভান্ডার পাওয়া যাবে। তাছাড়া এই সাহিত্যগুলো দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। এগুলো দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনতে পারে। তাই এই পল্লিসাহিত্যগুলো আহরণ করে এগুলোর প্রচার ও প্রসার ঘটানো উচিত।

উদ্দীপকে শিহাব পল্লিসাহিত্যের বিষয়ে মায়ের কাছে জানতে গিয়ে হতাশ হয়েছে। কিন্তু সে দমে যায়নি। গ্রামের শিল্পীদের পরিবেশিত 'মহুয়ার পালা'টি মোবাইলে ভিডিও করে ইউটিউবে ছেড়ে দেয়। দুই দিনের মধ্যে ভিডিওটি পাঁচ হাজারের বেশি লাইক ও শেয়ার পায়। অর্থাৎ বিষয়টি সবার কাছে জনপ্রিয় হয়। পল্লিসাহিত্যের প্রতি সবার এমন সাড়া দেখে শিহাব বিস্ময়াভিভূত হয়। এখানে শিহাব যে পদক্ষেপ নিয়েছে তা 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধের লেখক প্রত্যাশা করেছেন।

'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে লেখক পল্লির সাহিত্য-সম্পদের পরিচয় দিয়েছেন। পল্লির সেই সাহিত্যগুলো যত্নের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে। তাই এগুলোকে আহরণ করে সংরক্ষণ ও প্রসারের চেষ্টা করা উচিত বলে তিনি মনে করেছেন। এতেই পল্লিসাহিত্যগুলো ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পাবে। প্রাবন্ধিকের এমন প্রত্যাশা উদ্দীপকের শিহাবের গৃহীত পদক্ষেপের মাধ্যমেই সম্ভব হতে পারে। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। 

8 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের…’ কুমিল্লা বোর্ড ২০২৪ – পল্লিসাহিত্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”