পটাশিয়ামের ইলেকট্রন বিন্যাস :
পদ্ধতি-1 :
পদ্ধতি-2 :
যে পদার্থকে ভাঙলে সেই পদার্থ ছাড়া অন্য কোনো পদার্থ পাওয়া যায় না তাকে মৌল বা মৌলিক পদার্থ বলে।
নাইট্রোজেন পরমাণুর যোজনী ও যোজ্যতা ইলেকট্রন ভিন্ন হয়। এর কারণ যোজনী হলো কোনো মৌল অপর মৌলের সাথে যুক্ত হওয়ার ক্ষমতা। কিন্তু যোজ্যতা ইলেকট্রন হলো মৌলের বহিঃস্থস্তরের মোট ইলেকট্রন সংখ্যা।
N এর ইলেকট্রন বিন্যাস হচ্ছে,
N এর বহিঃস্থ স্তরে 3 টি অযুগ্ম ইলেকট্রন রয়েছে।
ফলে নাইট্রোজেন মৌলটি একযোজী কোনো মৌলের তিনটি পরমাণুর সাথে যুক্ত হওয়ার ক্ষমতা রাখে। সংজ্ঞানুসারে, নাইট্রোজেনের যোজনী 3 । অপরদিকে নাইট্রোজেনের সর্বশেষ শক্তিস্তরে অর্থাৎ 2নং কক্ষপথে মোট 5 টি ইলেকট্রন থাকায় এর যোজ্যতা ইলেকট্রন 5। সুতরাং, দেখা যাচ্ছে, N এর যোজনী 3 এবং যোজ্যতা ইলেকট্রন 5, যা ভিন্ন।
উদ্দীপকের মৌলটি K(19)। K এর যোজ্যতা ইলেকট্রনটি ৪র্থ শক্তিস্তরে অবস্থিত।
কক্ষপথের জন্য । n = 4
জানা আছে, ইলেকট্রনের কৌণিক ভরবেগ,
এখানে,
= 4
= প্লাংকের ধ্রেবক
=?
সুতরাং, উদ্দীপকের মৌলটির যোজ্যতা ইলেকট্রনটির কৌণিক ভরবেগ l
উদ্দীপকের K(19) এর ইলেকট্রন বিন্যাসের পদ্ধতি-2 সঠিক বলে মনে করি।
নিচে উত্তরের সপক্ষে যথাযথ যুক্তি উপস্থাপন করা হলো-
K এর প্রদত্ত ইলেকট্রন বিন্যাস নিয়ে পাই,
পদ্ধতি-1 :
পদ্ধতি-2 :
আউফবাউ নীতি অনুসারে, ইলেকট্রন প্রথমে নিম্নশক্তির অরবিটালে এবং পরে উচ্চশক্তির অরবিটালে গমন করে। দুটি অরবিটালের মধ্যে কোনটি নিম্নশক্তির আর কোনটি উচ্চশক্তির তা এর মানের ওপর নির্ভর করে। যার (n + ) এর মান কম সেটি নিম্নশক্তির অরবিটাল। 3d
এবং 4 s অরবিটালের জন্য ( ) এর মান নিম্নরূপ :
3d অরবিটালে :
4s অরবিটালে :
সুতরাং, 3d এর চেয়ে 4s অরবিটালের শক্তি কম (4s < 3d) হওয়ায় পটাসিয়ামের 19 তম ইলেকট্রন 3d অরবিটালে না গিয়ে 4s অরবিটালে স্থান গ্রহণ করে। ফলে K(19) এর ইলেকট্রন বিন্যাস দাঁড়ায়-
সুতরাং বলা যায়, 3d অপেক্ষা 4s অরবিটালের শক্তি কম হওয়ায় 19 তম ইলেকট্রনটি 3d তে প্রবেশ না করে 4s-এ প্রবেশ করে।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, K মৌলটির ক্ষেত্রে পদ্ধতি-1 অপেক্ষা পদ্ধতি-২ এর ইলেকট্রন বিন্যাস-সঠিক।
