[এখানে, X, Y, Z ও Q প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত হয়, প্রচলিত মৌলের প্রতীক নয়]
দুই বা দুইয়ের অধিক সংখ্যক পরমাণু পরস্পরের সাথে রাসায়নিক বন্ধন এর মাধ্যমে যুক্ত থাকলে তাকে অণু বলে।
কেরোসিনের মূল উপাদান হাইড্রোকার্বন । হাইড্রোকার্বন হচ্ছে কার্বন ও হাইড্রোজেনের যৌগ। তাই কেরোসিনের দহনে কার্বন ডাইঅক্সাইড, জলীয় বাস্প, আলো ও তাপশক্তির সৃষ্টি হয়। কেরোসিনের ধর্ম ও এর ধর্ম থেকে ভিন্ন বলে পরিবর্তনটি রাসায়নিক পরিবর্তন ।
উদ্দীপকের তথ্যমতে, মৌলটি ব্রোমিন (Br)। পর্যায় সারণিতে Z তথা Br এর অবস্থান নিম্নরূপে নির্ণয় করা হলো-
ব্রোমিনের ইলেকট্রন বিন্যাস-
পর্যায় নির্ণয় : ইলেকট্রন বিন্যাস চারটি স্তরে বিন্যস্ত। এজন্য এটি ৪র্থ পর্যায়ের মৌল।
গ্রুপ নির্ণয় : সর্বশেষ ইলেকট্রন p অরবিটালে প্রবেশ করে। এজন্য এটির গ্রুপ যোজ্যতা স্তরের মোট সংখ্যা অর্থাৎ, Br মৌলটি 8র্থ পর্যায়ের গ্রুপ-17 তে অবস্থিত।
উদ্দীপকের X, Y ও Q মৌল তিনটি যথাক্রমে Na(11), K(19) ও Rb(37)। এ মৌলসমূহ পর্যায় সারণির একই গ্রুপে অবস্থিত। নিচে যথাযথ সমীকরণের সাহায্যে তা প্রমাণ করা হলো-
প্রদত্ত মৌলগুলোর ইলেকট্রন বিন্যাস করে পাই,
দেখা যাচ্ছে, যোজ্যতা স্তরের ইলেকট্রন সংখ্যা একই; যেখানে সর্ববহিঃস্তরে s অরবিটালে 1টি রয়েছে। তাই এরা একই গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত এবং একই ধরনের বিক্রিয়া প্রদর্শন করে। যেমন,
হ্যালাইড গঠন : মৌলগুলো হ্যালোজেনের সাথে বিক্রিয়া করে হ্যালাইড গঠন করতে পারে।
বিক্রিয়া :
তীব্র ক্ষার তৈরি: মৌলগুলো পানিতে বিস্ফোরণসহ বিক্রিয়া করে তীব্র ক্ষার তৈরি করে।
এসিডের সাথে বিক্রিয়ায় গ্যাস তৈরি : মৌলগুলো এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও গ্যাস তৈরি করে ।
উপরের বিক্রিয়াগুলো থেকে দেখা যায়, Na, K, Rb একই রকমের ধর্ম ও বিক্রিয়া প্রদর্শন করে। এজন্য মৌলগুলো পর্যায় সারণির একই গ্রুপে তথা 1 নং গ্রুপে অবস্থিত। (প্রমাণিত)
