কোনো তরলকে তাপ প্রদানে বাষ্পে পরিণত করে তাকে পুনরায় শীতলীকরণের মাধ্যমে তরলে পরিণত করার পদ্ধতিকে পাতন বলে।
কেরোসিনের মূল উপাদান হলো হাইড্রোকার্বন। হাইড্রোকার্বন হচ্ছে হাইড্রোজেন ও কার্বনের যৌগ। তাই কোরোসিনকে যখন বাতাসের অক্সিজেনের উপস্থিতিতে দহন ঘটানো হয়, তখন কার্বন ডাইঅক্সাইড, জলীয়বাষ্প, আলো ও তাপ উৎপন্ন হয়। এ সময় কেরোসিনের ধর্ম ও উৎপন্ন পদার্থের ধর্ম সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির হয়। এ কারণে কেরোসিনের দহন একটি রাসায়নিক পরিবর্তন।
উদ্দীপকের পাত্র-১ এর যৌগ অর্থাৎ থেকে নিম্নোক্ত প্রক্রিয়ায় ইথিলিন গ্লাইকল পাওয়া যাবে।
ইথানল তাপমাত্রায় গাঢ় এর সাথে বিক্রিয়া করে ইথানল হাইড্রোজেন সালফেট ও পানি উৎপন্ন করে।
আবার উৎপন্ন ইথানল হাইড্রোজেন সালফেটকে তাপমাত্রায় পুনরায় উত্তপ্ত করলে ইথিন উৎপন্ন হয়।
অতঃপর উৎপন্ন ইথিন লঘু ক্ষারীয় পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট দ্রবণ দ্বারা জারিত হয়ে ইথিলিন গ্লাইকল উৎপন্ন হয়।
তাই আলোচনার প্রেক্ষাপটে বলা যায়, উপরিউক্ত বিক্রিয়ার মাধ্যমে পাত্র-১ এর যৌগ থেকে ইথিলিন গ্লাইকল পাওয়া যাবে।
উদ্দীপকের ২নং পাত্রের দ্রবণের সাথে 6.35 gm HCI যোগ করলে দ্রবণটি প্রশমিত না হয়ে অম্লীয় প্রকৃতির হবে। উদ্দীপকের ১ম পাত্রের দ্রবণের ঘনমাত্রা নির্ণয়:
এখানে,
এর ভর, w = 12g.
আণবিক ভর,
আয়তন,
এর ঘনমাত্রা, ?
আমরা জানি,
১ম পাত্রের ইথানল দ্রবণের ঘনমাত্রা = 0.869M
যেহেতু উভয় পাত্রের দ্রবণের ঘনমাত্রা একই, সেহেতু NaOH দ্রবণের ঘনমাত্রা = 0.869 M হবে।
আবার, দ্বিতীয় পাত্রের দ্রবণের দ্রবের পরিমাণ নির্ণয় :
এখানে,
NaOH এর আয়তন, V = 200 mL
NaOH এর ঘনমাত্রা, S
NaOH এর আণবিক ভর
∴ NaOH এর ভর, w = ?
আমরা জানি,
সুতরাং NaOH এর ভর = 3.478 g.
পুনরায় দ্বিতীয় পাত্রে 6.35 g HCl যোগ করলে নিম্নরূপ বিক্রিয়া সংঘটিত হবে।
এখন 40g NaOH এর সাথে বিক্রিয়া করে 36.5g HCl
এর সাথে বিক্রিয়া করে .
∴ 3.478 এর সাথে বিক্রিয়া করে .
সুতরাং অতিরিক্ত এর পরিমাণ
তাই বলা যায়, দ্রবণটি প্রশমিত না হয়ে অম্লীয় প্রকৃতির হবে।
