দুটি একই রকম ধাতব বলে যথাক্রমে + 40 µC এবং – 50 µC আধান আছে। এরা বায়ুতে পরস্পর থেকে 50 cm ব্যবধানে অবস্থিত।
যে যন্ত্রের সাহায্যে কোনো বস্তুতে আধানের অস্তিত্ব ও প্রকৃতি নির্ণয় করা যায়, তাকে ইলেকট্রোস্কোপ বা তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র বলে।
তড়িৎ ক্ষেত্র দ্বারা বুঝা যায় কোনো বিন্দুতে কোনো চার্জের প্রভাব আছে কি-না অর্থাৎ ঐ বিন্দুতে কোনো চার্জ আনলে তা উক্ত চার্জের দরুণ কোনো বল অনুভব করবে কি-না। আর তড়িৎ তীব্রতা দ্বারা বুঝা যায় ঐ বিন্দুতে চার্জ আনলে সেটি ক্ষেত্র সৃষ্টকারী চার্জের দরুণ কতটুকু বল অনুভব করবে। অর্থাৎ তড়িৎ তীব্রতা-মূলত তড়িৎ ক্ষেত্রের পরিমাপ। এ কারণে তড়িৎক্ষেত্র ও তড়িৎ তীব্রতা একই নয়।
এখানে, ১ম ধাতব বলের আধান,
২য় ধাতব বলের আধান,
আধানদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব, r
আধানদ্বয়ের মধ্যবর্তী বল, ?
আমরা জানি,
ঋণাত্মক চিহ্ন আকর্ষণধর্মী বল নির্দেশ করে।
অতএব, উদ্দীপকের আধানদ্বয়ের মধ্যে ক্রিয়াশীল বলের মান 72 N.
এখানে, ১ম ধাতব বলের আধান,
২য় ধাতর বলের আধান,
আধানদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব,
আধানদ্বয়ের মধ্যবর্তী বল, N [‘গ’ হতে] [আকর্ষণধর্মী]
এখন, উদ্দীপকের বল দুটিকে পরস্পরের সংস্পর্শে আনলে এদের পরিবর্তিত আধান,
এক্ষেত্রে এদের মধ্যবর্তী ক্রিয়াশীল বল,
ধনাত্মক চিহ্ন বিকর্ষণধর্মী বল নির্দেশ করে।
∴ বলের মানের পরিবর্তন
সুতরাং, উদ্দীপকের বল দুটিকে পরস্পরের সংস্পর্শে এনে পুনরায় 50 cm ব্যবধানে স্থাপন করলে ক্রিয়াশীল বলের মান 71.1 N কমে যাবে এবং আকর্ষণধর্মী থেকে বিকর্ষণধর্মী হয়ে যাবে।
