কোনো তড়িৎ কোষ একক ধনাত্মক আধানকে বর্তনীর এক বিন্দু থেকে কোষসহ সম্পূর্ণ বর্তনী ঘুরিয়ে আবার ঐ বিন্দুতে আনতে যে পরিমাণ কাজ সম্পন্ন করে বা তড়িৎশক্তি ব্যয় করে, তাকে ঐ কোষের তড়িচ্চালক শক্তি বা e.m.f (electromotive force) বলে।
তড়িৎ পরিবাহীর যে ধর্মের জন্য এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বিদ্যুৎ বাধাগ্রস্ত হয় তাকেই রোধ বলা হয়। ও'মের সূত্র হতে পাই,
বা, যখন V ধ্রুব
অর্থাৎ বিভব পার্থক্য ধ্রুব থাকলে বিদ্যুৎপ্রবাহ ও রোধ পরস্পরের ব্যস্তানুপাতিক। রোধ বেশি হলে বিদ্যুপ্রবাহ কম হবে এবং রোধ কম হলে বিদ্যুৎপ্রবাহ বেশি হবে। ফলে রোধের হ্রাস বৃদ্ধিতে বিদ্যুৎ প্রবাহেরও হ্রাস বৃদ্ধি ঘটে। এছাড়াও তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে পরিবাহীর রোধ বৃদ্ধি পায় এবং বিদ্যুৎপ্রবাহ কম হয়।
এখানে,
এক্ষেত্রে, সমান্তরালে যুক্ত। এদের তুল্যরোধ হলে,
উদ্দীপকের বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহের মান,
এখানে,
[গ হতে]
এখন বর্তনীর ও রোধ তিনটিকে শ্রেণিতে যুক্ত করলে বর্তনীটি হবে নিম্নরূপ-
এখন, ও রোধ শ্রেণিতে যুক্ত থাকায় তুল্যরোধ হবে,
এখানে,
তড়িৎ প্রবাহ,
সুতরাং
অতএব বর্তনীর রোধগুলো শ্রেণিতে যুক্ত করলে তড়িৎ প্রবাহের মান সমান্তরালে যুক্ত অবস্থার তড়িৎ প্রবাহের মানের 0.105 গুণ হবে।
