(i)
(ii)
অনেক সময় দুই বা ততোধিক মৌলের একাধিক পরমাণু একত্রে সংযুক্ত হয়ে একটি গ্রুপ গঠন করে যা বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সময় অপরিবর্তিত থেকে একটিমাত্র পরমাণুর ন্যায় আচরণ করে, ঐ গ্রুপকে যৌগমূলক বলে।
ঋণাত্মক আধানযুক্ত পরমাণুকে অ্যানায়ন বলে। অর্থাৎ কোনো একটি পরমাণু তার যোজ্যতা স্তরে ইলেকট্রন গ্রহণের পর যে অবস্থা প্রাপ্ত হয়, তাই অ্যানায়ন। কোনো পরমাণু যতটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে তার চার্জ তত হয়। যেমন: CI পরমাণু একটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে অ্যানায়ন এবং অক্সিজেন পরমাণু (O) 2টি ইলেকট্রন গ্রহণ করে অ্যানায়নে পরিণত হয়। অর্থাৎ ও হলো দুটি অ্যানায়ন।
উদ্দীপকের (ii) নম্বর অণুটি হলো । নিচে এর বন্ধন গঠন প্রক্রিয়া ইলেকট্রন বিন্যাস ও ডায়াগ্রামের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হলো:
Ca- এর ইলেকট্রন বিন্যাস :
আবার, CI এর ইলেকট্রন বিন্যাস :
ইলেকট্রন বিন্যাস হতে দেখা যায়, উভয় পরমাণু তার নিকটবর্তী নিষ্ক্রিয় গ্যাস Ar এর গঠন বিন্যাস অর্জন করে আয়নিক যৌগ গঠন করে।
আবার ডায়াগ্রামের সাহায্যে নিচে এর গঠন উপস্থাপন করা হলো-
যেহেতু একটি সমযোজী যৌগ সেহেতু এর বন্ধন গঠন প্রক্রিয়ায় অণুটি অষ্টক না দুইয়ের নিয়ম অনুসরণ করে তা নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলো:
যৌগে একটি পরমাণু দুইটি পরমাণুর সাথে সমযোজী বন্ধন ও অপর একটি পরমাণুর সাথে সন্নিবেশ সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে অণু গঠন করে। যা লুইস পদ্ধতির মাধ্যমে নিচে উল্লেখ করা হলো-
উপরিউক্ত অণুর গঠন প্রক্রিয়া লক্ষ করলে দেখা যায় সালফার ও অক্সিজেনের মধ্যে দুইটি সমযোজী ও একটি সন্নিবেশ সমযোজী বন্ধনের উপস্থিতির মাধ্যমে পরমাণু দুইটি অষ্টক নিয়ম অনুসরণ করে। অতএব, অণুটির বন্ধন গঠনের ক্ষেত্রে অষ্টক ও দুইয়ের নিয়মের মধ্যে অষ্টক নিয়মই প্রযোজ্য।
