(i)
(ii)
(iii)
কৃত্রিম মৌল সংখ্যা 24 টি।
অরবিটালগুলোকে s, p, d, f দ্বারা প্রকাশ করা হয়। কারণ এসব পারমার্পিক বর্ণালিতে দৃশ্যমান রেখাগুলোর বৈশিষ্ট্য থেকে উদ্ভূত হয়; যেখানে s = sharp, p = principal, d= diffuse এবং f== fundamental বোঝায়।
উদ্দীপকের (i) নং বিক্রিয়াটি নিয়ে পাই,
বিক্রিয়াটিতে ফসফরাস পেন্টাক্লোরাইড যৌগটি পানির সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোলাইসিস বা আর্দ্রবিশ্লেষণ করে।
১ম ধাপ (সীমিত পানি) :
২য় ধাপ (অতিরিক্ত পানি) :
সামগ্রিক বিক্রিয়া :
বিক্রিয়াটির ধরন ব্যাখ্যা :
আর্দ্র বিশ্লেষণ : যে বিক্রিয়ায় দুই অংশ পানির বিপরীত আধানবিশিন্ট দুই অংশের সাথে যুক্ত হয়ে যৌগ উৎপন্ন করে, তাকে বলা হয় অর্দ্রবিশ্লেযণ বিক্রিয়া।
বিক্রিয়ায় দ্রাবক অণু দ্বারা যৌগের বিভাজন ঘটে। এতে করে আর্দ্র বিশ্লেষিত হয়ে এবং HCl উৎপন্ন করে। এ কারণে এটি আর্দ্র বিশ্লেষণ বা পানি বিশ্লেষণ বিক্রিয়া।
এছাড়া বিক্রিয়াটিতে পানির উপস্থিতিতে ভেঙে যায় এবং Cl পরমাণুগুলো ধাপে ধাপে -OH গ্রুপ দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। ফলে ফসফরিক এসিড ও হাইড্রোক্লোরিক এসিড উৎপন্ন হয়।
সুতরাং বলা যায়, এটি একটি হাইড্রোলাইসিস তথা পানি বিশ্লেষণ বিক্রিয়া। একই সাথে এটি গ্রতিস্থাপন বিক্রিয়াও।
উদ্দীপকের (ii) নং বিক্রিয়াটি-
জারণ অর্ধ বিক্রিয়া :
এখানে একটি বিজারক পদার্থ। কারণ এর কেন্দ্রীয় পরমাণু S ইলেকট্রন ত্যাগ করে -2 থেকে শূন্য (0) জারণমান অর্জন করে।
বিজারণ অর্ধ বিক্রিয়া :
এখানে জারক পদার্থ। কারণ এর কেন্দ্রীয় পরমাণু S ইলেকট্রন গ্রহণ করে +4 থেকে শূন্য ( 0 ) জারণমান অর্জন করে।
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া:
বিজারক জারক
আবার উদ্দীপকের (iii) নং বিক্রিয়াটি হলো-
জারণ অর্ধ বিক্রিয়া :
এখানে যৌগে S এর জারণমান +4 থেকে আয়নে +6 হয়। সুতরাং ইলেকট্রন ত্যাগ করে। অর্থাৎ বিজারক।
বিজারণ অর্ধ বিক্রিয়া :
বা আয়নে N এর জারণমান +5 থেকে যৌগে +4 হয়েছে। অর্থাৎ ইলেকট্রন ত্যাগ করে। এ কারণে জারক পদার্থ।
রেডক্স বিক্রিয়া/জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া :
বিজারকজারক
সুতরাং (ii) ও (iii) নং বিক্রিয়ায় যথাক্রমে জারক ও বিজারকের ন্যায় কাজ করে।
