এখানে, OC = 20cm এবং OQ = 15cm
কে আলোকরশ্মি এক মাধ্যম দিয়ে চলতে চলতে অন্য এক মাধ্যমের তলে আপতিত হলে দুই মাধ্যমের বিভেদতল হতে কিছু পরিমাণ আলো প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে। এ ঘটনাকে আলোর প্রতিফলন বলে।
আমরা জানি, দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য থেকে অর্থাৎ, কোনো আলোর. তরঙ্গদৈর্ঘ্যের মান এই সীমার মধ্যে থাকলে ঐ আলো আমরা দেখতে পাই। এক্স-রে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য । যা দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সর্বনিম্ন মানের চেয়েও কম। তাই এক্স-রে খালি চোখে দেখা যায় না।
এখানে, ফোকাস দূরত্ব,
[উত্তল দর্পণের ফোকাস দূরত্ব ঋণাত্মক]
লক্ষ্যবস্তুর দূরত্ব,
প্রতিবিম্বের দূরত্ব, ?
আমরা জানি,
বা,
বা,
অতএব, প্রতিবিম্বের দূরত্ব দর্পণের পিছনে 6 cm.
'গ' হতে পাই, উদ্দীপকের উত্তল দর্পণটির ফোকাস দূরত্ব 10 cm। উত্তল দর্পণের সামনে যেখানেই লক্ষ্যবস্তু স্থাপন করা হয় তার প্রতিবিম্ব দর্পণের পিছনে মেরু ও প্রধান ফোকাসের মাঝে গঠিত হবে।
এছাড়া উত্তল দর্পণে সর্বদা খর্বিত বিম্ব গঠিত হয়।
চিত্রে একটি উত্তল দর্পণ যার O মেরু, C বক্রতার কেন্দ্র, F প্রধান ফোকাস। প্রধান অক্ষ CO-এর বর্ধিতাংশের উপর PQ একটি লক্ষ্যবস্তু লম্বভাবে অবস্থিত। P থেকে একটি আলোক রশ্মি প্রধান অক্ষের সমান্তরালে আপতিত হয়ে প্রতিফলিত হওয়ার সময় F বিন্দু থেকে আসছে বলে মনে হয়। P থেকে অপর একটি রশ্মি বক্রতার কেন্দ্র C বরাবর আপতিত হয়ে একই পথে ফিরে যায়। উভয় রশ্মিকে পিছনের দিকে বর্ধিত করলে বিন্দুতে মিলিত হয়। Q থেকে অপর রশ্মি প্রধান অক্ষ বরাবর আপতিত হয়ে একই পথে ফিরে আসে। থেকে প্রধান অক্ষের উপর লম্ব আঁকলে হবে PQ লক্ষ্যবস্তুর অবাস্তব বিম্ব।
বিম্বের অবস্থান : দর্পণের পিছনে।
বিম্বের আকৃতি : খর্বিত বা ছোট।
বিম্বের প্রকৃতি : অবাস্তব ও সোজা।
অর্থাৎ, উদ্দীপকের দর্পণের ক্ষেত্রে 10 cm -এর বেশি দূরত্বে বিবর্ধিত প্রতিবিদ্ব পাওয়া সম্ভব নয়।
