হে আমার জন্মভূমি।
তুমি আমাকে শিখিয়েছো সেই ভাষা,
যে ভাষাতে রয়েছে ইন্দো-আর্য, সংস্কৃত আর সাহিত্য।
চিনিয়েছো সেই ভাষা।
যে ভাষাতে রয়েছে মমত্ব,
অনুরাগ আর রক্তের দাগ।
হে আমার প্রীতিভূমি।
তোমার ভাষার ধ্বনিতে
প্রীতিময় আমার মন,
প্রীতিত্ব এই বঙ্গপাড়া।
বঙ্গভঙ্গ করেছো তুমি।
বিস্মৃত করোনি এই ধ্বনি,
তোমার ভাষার শব্দচরণে অনুতপ্ত মা আমি।
হে আমার শোভনভূমি।
তোমার সৌন্দর্যের সুবিন্যস্ত কত কাব্য লেখা কবিতায়,
শব্দচরণে যেনো তোমারি হাত, আবেগ মমতায়।
একতারার সুরে যেন তোমারি জন্ম
দোতরার সুরে তোমার বানী
তোমার ভাষার স্মরণে মা, আমি আখ্যান করতে জানি।
হে আমার ঊষরভূমি।
উষ্ণ কণ্ঠে আমি বলি যে গান
শব্দচরণ যেন তোমারি দান।
নবীন যাত্রা ফেলেই।
শুনেছি যে বানী,
পরকালও ভুলবো না মা, তোমার এ ধ্বনি।
হে আমার ভ্রাতৃত্বভূমি।
তুমি’তে রাখিয়াছো তুমি ভালোবাসা
আর আপনিতে রাখিয়াছো সম্মান,
তুইতে রাখিয়াছো তুমি ভাই-বোন, বন্ধুর প্রান।
তোমার ভাষায় প্রকাশ করতে পারি মোর রাগ অভিমান,
তোমার ভাষা যে সৃজন করিয়াছে
তার প্রতি আমার সালাম।
হে আমার শোণিতভেজা ভূমি।
তোমার সোনার জমিতে যারা করেছে রক্তের শ্মশান,
ঈশ্নর করি পরকালেও পাবে না তারা স্থান।
তোমার ছেলে সালাম বরকত জব্বার রেখেছো তোমার সম্মান
এই বঙ্গ মা, তাদের আত্মত্যাগে,
স্মরণ করে রাখবে চিরকাল।
আপনভূমির ভাষা, লেখক নয়ন
