A. Nayan
A. Nayan
23 May 2026 (4 months ago)
Dhaka, Narayanganj

প্রায় এক বছর হলো… কুমিল্লা বোর্ড ২০১৭ – HSC অপরিচিতা সৃজনশীল প্রশ্নউত্তর, বাংলা ১ম পত্র


Listen to this article
📘 ক্লাস: 11-12🎓 গ্রুপ: general📚 বই: বাংলা📖 ৫ম অধ্যায় : অপরিচিতা🔢 সৃজনশীল নং:🏫 বোর্ড: কুমিল্লা বোর্ড📅 সাল: ২০১৭⭐ গুরুত্ব: ★☆☆☆☆

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

প্রায় এক বছর হলো বাজিতপুর নিবাসী কেরামত আলীর ছোট মেয়ে বিজলীর সাথে মনোহরপুর গ্রামের হোসেন মিয়ার একমাত্র ছেলে হাশিমের বিয়ে হয়েছে। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই হাশিমের পরিবার বিজলীর উপর অমানবিক অত্যাচার ও নির্যাতন শুরু করেছে। বিজলীর অপরাধ- বিয়ের সময় তার বাবা প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী যৌতুকের সমস্ত টাকা পরিশোধ করতে পারেনি। তাই বিজলীকে নীরবে সহ্য করতে হচ্ছে এ নির্যাতন।

উত্তর:

‘কল্লো’ শব্দের অর্থ হলো নানা ধরনের বাদ্যযন্ত্রের একসঙ্গে বাজানো শব্দ বা ধ্বনি।

উত্তর:

হরিশ যখন কল্যাণী ও তার পরিবারের ভালো গুণগুলোর কথা অনুপমের মামার কাছে বলে, তখন তার মন ধীরে ধীরে নরম হয়ে যায়।
প্রথমে মামা কিছুটা দ্বিধায় ছিলেন। কারণ তিনি ভাবছিলেন, মেয়ের বয়স একটু বেশি। কিন্তু হরিশ খুব সুন্দরভাবে কল্যাণীর পারিবারিক শিক্ষা, ভদ্রতা ও বংশমর্যাদার কথা তুলে ধরে। তার কথাগুলো শুনে মামা বুঝতে পারেন যে কল্যাণী সত্যিই ভালো মেয়ে। এভাবেই তার মন নরম হয়ে যায়।

উত্তর:

উদ্দীপকের বিজলী এবং ‘অপরিচিতা’ গল্পের কল্যাণী—দুজনই সমাজের বাস্তব সমস্যার শিকার নারী চরিত্র। তবে তাদের মধ্যে যেমন মিল আছে, তেমনি কিছু পার্থক্যও রয়েছে।
সাদৃশ্যের দিক থেকে দেখা যায়, দুজনই আত্মসম্মানবোধসম্পন্ন ও সহনশীল। তারা অন্যায়ের সামনে সহজে ভেঙে পড়ে না। বিজলী নির্যাতন সহ্য করেও ধৈর্য ধরে থাকে, আর কল্যাণীও নিজের মর্যাদা বজায় রাখে।
কিন্তু বৈসাদৃশ্য হলো, বিজলী যৌতুকের কারণে শ্বশুরবাড়িতে নির্যাতনের শিকার হয়। সে অসহায়ভাবে কষ্ট সহ্য করে। অন্যদিকে কল্যাণী ছিল সাহসী ও আত্মমর্যাদাবোধে দৃঢ়। বরের পরিবারের লোভ ও ছোট মানসিকতা বুঝতে পেরে তার বাবা বিয়ে ভেঙে দেন এবং কল্যাণীও সেই সিদ্ধান্ত মেনে নেয়।
অর্থাৎ, বিজলী অন্যায়ের শিকার হলেও কল্যাণী অন্যায়ের বিরুদ্ধে আত্মসম্মানের পরিচয় দিয়েছে।

উত্তর:

আমার মতে, অনুপমের সঙ্গে কল্যাণীর বিয়ে হলে শুরুতে তার অবস্থাও বিজলীর মতো হতে পারত। কারণ অনুপমের পরিবারও ছিল যৌতুকলোভী ও অহংকারী। তারা টাকার জন্য মানুষকে ছোট করতে দ্বিধা করত না। তাই কল্যাণীকেও মানসিক কষ্ট ও অপমান সহ্য করতে হতে পারত।
তবে কল্যাণী ছিল খুব সাহসী, আত্মসম্মানবোধসম্পন্ন ও প্রতিবাদী মেয়ে। সে অন্যায় চুপচাপ মেনে নেওয়ার মানুষ ছিল না। নিজের মর্যাদার বিরুদ্ধে কিছু হলে সে অবশ্যই প্রতিবাদ করত। অন্যদিকে বিজলী নির্যাতন সহ্য করেও নীরবে সব মেনে নিয়েছিল।
গল্পে দেখা যায়, কল্যাণীর বাবা বরের পরিবারের লোভ ও খারাপ মানসিকতা বুঝতে পেরে বিয়েই ভেঙে দেন। এতে বোঝা যায়, কল্যাণীর পরিবার অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে জানত। তাই বিয়ের পর সমস্যা হলেও কল্যাণী নিজেকে সেই অবস্থা থেকে বের করে আনার চেষ্টা করত।
অর্থাৎ, কিছুটা মিল থাকলেও কল্যাণীর পরিণতি পুরোপুরি বিজলীর মতো হতো না। কারণ কল্যাণীর সাহস, আত্মসম্মানবোধ ও প্রতিবাদ করার শক্তি তাকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে সাহায্য করত।

13 Views
No Comments
Share
1
No comments to “প্রায় এক বছর হলো… কুমিল্লা বোর্ড ২০১৭ – HSC অপরিচিতা সৃজনশীল প্রশ্নউত্তর, বাংলা ১ম পত্র”