এবং
[এখানে, A, B, D প্রকৃত মৌল নয়, প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত।]
সিলভারের ল্যাটিন নাম হচ্ছে- Argentum.
আমরা জানি, পরমাণুর নিউক্লিয়াস ধনাত্মক চার্জবিশিষ্ট। কারণ পরমাণুর নিউক্লিয়াসে অবস্থিত প্রোটন ও নিউট্রনের মধ্যে প্রোটন ধনাত্মক চার্জযুক্ত এবং নিউট্রন চার্জ নিরপেক্ষ। এমতাবস্থায় পরমাণুর নিউক্লিয়াসে ধনাত্মক চার্জযুক্ত প্রোটন অবস্থান করায় নিউক্লিয়াস ধনাত্মক চার্জবিশিষ্ট হয়।
উদ্দীপকের ও ' মৌল দুইটি যথাক্রমে ও । এ মৌল দুইটির আয়নীকরণ শক্তির তুলনামূলক ব্যাখ্যা নিম্নে উপস্থাপন করা হলো-
পর্যায় সারণিতে একই পর্যায়ের ক্ষেত্রে মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে মৌলের আয়নীকরণ শক্তির মান সাধারণত বৃদ্ধি পেতে থাকে। একই পর্যায়ে পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে ইলেকট্রনের শক্তিস্তর বাড়ে না। ফলে নিউক্লিয়াস থেকে সর্ববহিঃস্থ ইলেকট্রনের দূরত্ব বাড়ে না বরং কিছুটা হ্রাস পায়। নিউক্লিয়াসে চার্জ বৃদ্ধির ফলে সর্ববহিঃস্থ ইলেকট্রন অধিকতর দৃঢ়ভাবে আকৃষ্ট হয়। ফলে এ ইলেকট্রনকে অপসারণ করার জন্য অধিকতর শক্তির প্রয়োজন হয়। ফলে আয়নীকরণ শক্তির মান বৃদ্ধি পেতে থাকে।
কিন্তু সোডিয়াম মৌলের ডানদিকে সিলিকন মৌল অবস্থান করায় সোডিয়াম মৌল অপেক্ষায় সিলিকন মৌলের আয়নীকরণ শক্তির মান বেশি হয়। অর্থাৎ মৌল দুইটির আয়নীকরণ শক্তির ক্রম হবে, .
উদ্দীপকের ও মৌল তিনটি যথাক্রমে সোডিয়াম, সিলিকন ও ক্লোমিয়াম। এ মৌল তিনটির অবস্থান মৌলসমূহের বহিঃস্থ শক্তিস্তরের ইলেকট্রন সংখ্যার সমান নয়। তা উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করা হলো-
মৌল তিনটির ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপ :
উপরিউক্ত ইলেকট্রন বিন্যাস হতে দেখা যায় যে, মৌল তিনটির সর্বশেষ শক্তিস্তরের ইলেকট্রন সংখ্যা যথাক্রমে 1, 4 ও 1। সেই মতে মৌল তিনটির অবস্থান পর্যায় সারণির যথাক্রমে গ্রুপ-1, 4 ও 1 এ হওয়ার কথা। অথচ ইলেকট্রন বিন্যাস হতেই দেখা যায়, সোডিয়াম মৌলটি তৃতীয় পর্যায়ের গ্রুপ-1 এ অবস্থিত। অনুরূপভাবে সিলিকন ও ক্লোমিয়াম মৌল দুইটি যথাক্রমে তৃতীয় পর্যায়ের গ্রুপ-14 এবং অপর মৌলটি চতুর্থ পর্যায়ের গ্রুপ-6 এ অবস্থিত।
অতএব বলা যায় যে, গ্রুপে মৌলসমূহের অবস্থান সর্বদাই বহিঃস্থ ইলেকট্রন সংখ্যার সমান হয় না।
