A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘১৯৪৭ সাল থেকে…’ সরকারি সিটি কলেজ ২০২৫ – সিরাজউদ্দৌলা, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ নাটক ও উপন্যাস🧩 অধ্যায় ১ম অধ্যায় — সিরাজউদ্দৌলা🔢 সৃজনশীল নং ১১৭🏢 প্রতিষ্ঠান সরকারি সিটি কলেজ, চট্টগ্রাম📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পশ্চিম পাকিস্তান পূর্ব পাকিস্তানকে শোষণ করে। পূর্ব পাকিস্তান তথা বাঙালি পশ্চিম পাকিস্তানিদের শোষণ-নিপীড়নের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় প্রতিবাদ করে। এই প্রতিবাদ চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে। পশ্চিম পাকিস্তানকে দমন করার জন্য এদেশের মুক্তিপাগল জনসাধারণ ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম ও ত্রিশ লক্ষ তাজা প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত হয় স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের অঙ্ক সংখ্যা ৪টি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

• "ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়।"- উক্তিটিতে ভীরু ও প্রতারকেরা যে কখনো সাহস নিয়ে শত্রুর সামনে দাঁড়াতে পারে না এবং সম্মুখ সমরে আসতে পারে না সে কথাই বলা হয়েছে।
• 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে পলাশির যুদ্ধের পরে নবাব সিরাজউদ্দৌলার কাছ থেকে সেনা সংগ্রহের জন্য অনেকেই টাকা নিয়েছিল। তারা টাকা নিয়ে পালিয়েছিল। এমনকি সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুর ইরিচ খাঁও সেনাবাহিনী সংগঠনের কথা বলে নবাবের কাছ থেকে প্রচুর টাকা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন। তারা পালিয়েছিল প্রাণের ভয়ে, প্রতারণা করে। এ প্রসঙ্গটি বোঝাতেই নবাব বলেছিলেন, "ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়। আর তাতে প্রকৃত বীরের মনোবল ক্ষুণ্ণ হয় না।"

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

• উদ্দীপকের মুক্তিপাগল জনসাধারণ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরমর্দান, মোহনলাল, বদ্রি আলি, নৌবে সিং প্রমুখ সেনাপতির প্রতিনিধিত্ব করে।
• বাঙালি জাতির বীরত্ব দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা, জাতির প্রতি শ্রদ্ধা এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের এক অমর ইতিহাস। বাঙালি বীরেরা নিজের জীবন, পরিবার ও ব্যক্তিগত স্বার্থকে ত্যাগ করে দেশের স্বার্থে লড়াই করেছেন।

• উদ্দীপকের মুক্তিপাগল জনসাধারণ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কয়েকজন দেশপ্রেমিক সেনাপতির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। উদ্দীপকে দেশপ্রেমিক বাঙালি জনসাধারণ পাকিস্তানি শোষণ-পিনীড়নের হাত থেকে বাঁচতে প্রাণপণে লড়াই করেছেন। পশ্চিম পাকিস্তানকে দমন করতে ঐকবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদের প্রকৃত দেশপ্রেমের কারণেই বাঙালি জাতি মুক্ত হয় শোষণ-বৈষম্য পিনীড়নের হাত থেকে। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেও দেখা যায়, নবাব সিরাজউদ্দৌলার নেতৃত্বে তার সেনাপতি মিরমর্দান, মোহনলাল, বদ্রি আলি, নৌবে সিং প্রমুখ ইংরেজদের বিরুদ্ধে আপ্রাণ লড়ে যান। গভীর দেশপ্রেমের ফলেই তা সম্ভবপর হয়েছিল। এদিক থেকে উদ্দীপকের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাবের সেনাপতিদের দেশপ্রেমের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

• "উদ্দীপকে বিজয়ের বার্তা থাকলেও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে পরাজয় ঘটেছে দেশপ্রেমিক শক্তির।"- মন্তব্যটি যথার্থ।
• দেশপ্রেম হলো একটি শক্তিশালী আবেগ ও সামাজিক দায়িত্ববোধ, যা মানুষকে তার দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখতে অনুপ্রাণিত করে। প্রকৃত দেশপ্রেমিক দেশের স্বার্থে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করতেও কুণ্ঠাবোধ করে না।
• উদ্দীপকে বিজয়ের বার্তা থাকলেও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে তার ব্যতিক্রম ঘটেছে। উদ্দীপকে দেখা যায়, দীর্ঘদিন যাবৎ অপশাসন আর শোষণের শিকার বাঙালি জাতি একসময় ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলে। দেশপ্রেমে উজ্জীবিত মুক্তিপাগল সাধারণ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। অনেক প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত হয় স্বাধীনতা।
• নবাব সিরাউদ্দৌলা ছিলেন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব। তার সময়ে ইংরেজরা বাংলার ক্ষমতা দখলের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালায়। নবাব সিরাজউদ্দৌলার হাজার হাজার সৈন্যসামন্ত, গোলাবারুদ এবং দেশপ্রেম থাকা সত্ত্বেও তাঁর পরাজয় ঘটে শোচনীয়ভাবে। নবাব সিরাজের মুষ্টিমেয় কয়েকজন সেনাপতি ছাড়া প্রায় সবাই তাঁর সাথে বিশ্বাসঘাকতা করে। ব্যক্তিগত স্বার্থ, ক্ষমতার লোভে অন্ধ হয়ে তারা দেশকে বিদেশিদের হাতে বিলিয়ে দেয়। নবাব সিরাজউদ্দৌলার দেশপ্রেম এখানে অপশক্তির কাছে হার মানতে বাধ্য হয়। কিন্তু উদ্দীপকে তার সম্পূর্ণ বিপরীত দৃশ্য দেখতে পাই। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথোপযুক্ত হয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘১৯৪৭ সাল থেকে…’ সরকারি সিটি কলেজ ২০২৫ – সিরাজউদ্দৌলা, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”