A. Nayanㅤ
A. Nayan
16 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘১৯৫২ সালে সালাম,…’ নটরডেম কলেজ ২০২৬ – দেশপ্রেম ও জাতীয়তা, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই পৌরনীতি ও সুশাসন📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পৌরনীতি ও সুশাসন🧩 অধ্যায় ১০ম অধ্যায় — দেশপ্রেম ও জাতীয়তা🔢 সৃজনশীল নং ৮৩🏢 প্রতিষ্ঠান নটরডেম কলেজ📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

১৯৫২ সালে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ অনেকেই মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন দেন। এই আত্মত্যাগের চেতনায় জনগণ দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে স্বাধীনতার আন্দোলনে অংশ নেয় এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১০

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

 'সামাজিক চুক্তি' (Social Contract) গ্রন্থটি লিখেছেন প্রখ্যাত ফরাসি দার্শনিক জ্যাঁ জ্যাঁক রুশো।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

জাতি ও জাতীয়তার মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য বিদ্যমান।

জাতি বলতে বোঝায় এমন এক রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী যারা একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের অধিবাসী। অন্যদিকে, কোনো জনসমাজের মধ্যে যখন রাজনৈতিক চেতনার সঞ্চার হয় তখন তাকে জাতীয়তা বলে। জাতি গঠনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সংগঠন থাকা অপরিহার্য, কিন্তু জাতীয়তার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের প্রয়োজন নেই। জাতি গঠনের পশ্চাৎ হলো জাতীয়তাবোধ ও স্বাধীনতা। কিন্তু জাতীয়তা গঠনে স্বাধীনতার প্রয়োজন নেই। বরং মানসিক ঐক্যানুভূতি, অভিন্ন ভাষা-সংস্কৃতি ও ইতিহাস-ঐতিহ্য থাকা প্রয়োজন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

জাতি গঠনের উপাদানগুলো উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ভাষা আন্দোলন ছিল বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের মাধ্যমে সেই জাতীয়তাবাদ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম জাতিরাষ্ট্রে রূপ লাভ করেছে বলে আমি মনে করি।

জাতিরাষ্ট্র হলো এমন একটি রাষ্ট্র যা একটি নির্দিষ্ট জাতির ভিত্তিতে গঠিত হয়। যখন কোনো জনসমষ্টির মধ্যে ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ভিত্তিতে গভীর ঐক্য গড়ে ওঠে এবং তারা রাজনৈতিক স্বাধীনতা অর্জন করে, তখনই তাকে জাতিরাষ্ট্র বলা হয়। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ছিল সেই ঐক্যের প্রথম সোপান যা পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ নেয়। জাতীয়তাবোধের এই বিকাশই একটি পরাধীন জনগোষ্ঠীকে স্বাধীন জাতিরাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার প্রেরণা জোগায়।

উদ্দীপকে দেখা যায়, ১৯৫২ সালে মাতৃভাষার অধিকার রক্ষার জন্য যে আত্মত্যাগ হয়েছিল, তা জনগণের মধ্যে দেশপ্রেমের সঞ্চার করে। এই দেশপ্রেমই ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল চালিকাশক্তি ছিল। ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালিরা বুঝতে পেরেছিল যে তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক অধিকার রক্ষার জন্য একটি স্বাধীন ভূখণ্ড প্রয়োজন। উদ্দীপকের এই ধারাবাহিকতা নির্দেশ করে যে, ১৯৫২ সালের চেতনা ধাপে ধাপে ১৯৬৬ এর ছয় দফা, ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭০ এর নির্বাচনের মধ্যদিয়ে ১৯৭১ এর সশস্ত্র যুদ্ধে রূপ নেয়। এই দীর্ঘ সংগ্রামের পথ ধরেই বাঙালি জাতি তাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা অর্জন করে।
ভাষা আন্দোলন ছিল একটি সাংস্কৃতিক আন্দোলন যা পরবর্তীতে রাজনৈতিক আন্দোলনে মোড় নেয়। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি বাঙালির মনে যে জাতীয়তাবোধের জন্ম দিয়েছিল, তা-ই ১৯৭১ সালে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পূর্ণতা পায়। একটি জাতি যখন তার নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতির ভিত্তিতে রাজনৈতিক সার্বভৌমত্ব অর্জন করে, তখন সেটি জাতিরাষ্ট্রে পরিণত হয়। বাংলাদেশ এই প্রক্রিয়ার একটি সার্থক উদাহরণ, যেখানে ভাষাভিত্তিক জাতীয়তা থেকে একটি স্বাধীন জাতিরাষ্ট্রের জন্ম হয়েছে। তাই বলা যায়, ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতা সংগ্রাম একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে বাংলাদেশকে একটি জাতিরাষ্ট্রে পরিণত করেছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘১৯৫২ সালে সালাম,…’ নটরডেম কলেজ ২০২৬ – দেশপ্রেম ও জাতীয়তা, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)”