[এখানে Q, R, T ও M প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত। প্রচলিত মৌলের প্রতীক নয়।]
পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পদ্ধতিগতভাবে কোনো কিছু জানার চেষ্টাই হচ্ছে গবেষণা।
কতগুলো ধাতুকে একত্রে গলিয়ে সৃষ্ট সংকর হলো মিশ্রণ। ব্রোঞ্জ একটি মিশ্রণ। সাধারণত তামা ধাতুর সাথে বিভিন্ন অনুপাতে টিন মিশিয়ে ব্রোঞ্জ মিশ্রণ প্রস্তুত করা হয়। যেমন, ব্রোঞ্জ তৈরিতে 90% কপার (Cu) ধাতু এবং 10% টিন (Sn) ধাতুকে গলিয়ে সংকর তৈরি করা হয়।
উদ্দীপকের তথ্যমতে, ও মৌলদ্বয় যথাক্রমে ও এবং এদের দ্বারা গঠিত যৌগ KF। নিচে KF যৌগের বন্ধন গঠন প্রক্রিয়া চিত্রসহ ব্যাখ্যা করা হলো-
K ও F পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপ-
K পরমাণু তার সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তরের 1 টি ইলেকট্রন ত্যাগ করে নিকটস্থ নিষ্ক্রিয় গ্যাস আর্গনের স্থিতিশীল অষ্টক কাঠামো লাভ করে এবং আয়নে পরিণত হয়। অপরদিকে F পরমাণু তার সর্ববহিঃস্থ ২য় শক্তিস্তরে 1টি ইলেকট্রন গ্রহণ করে নিকটস্থ নিষ্ক্রিয় গ্যাস নিয়নের স্থিতিশীল অষ্টক কাঠামো লাভ করে এবং F আয়নে পরিণত হয়। এভাবে সৃষ্ট ও আয়নদ্বয় বিপরীত আধানযুক্ত হওয়ায় তারা পরস্পর স্পির বৈদ্যুতিক আকর্যণ শক্তির দ্বারা যুক্ত হয়ে KF আয়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যৌগ গঠন করে। যেমন,
_____________________
উদ্দীপকের তথ্যমতে, মৌল চারটি যথাক্রমে K(19), F(9), O(8), C(6) । এজন্য K ও O মৌলদ্বয় দ্বারা গঠিত যৌগ এবং F ও C মৌলদ্বয় দ্বারা গঠিত যৌগ । পানিতে দ্রবীভূত হলেও পানিতে দ্রবীভূত হয় না। নিচে যুক্তিসহ তা বিশ্লেষণ করা হলো-
সাধারণত আয়নিক যৌগগুলো পানিতে দ্রবীভূত হয়। আয়নিক যৌগগুলো পানিতে দ্রবীভূত করলে ধনাত্মক আয়ন পানির ঋণাত্মক মেরুর দিকে এবং যৌগের ঋণাত্মক আয়ন পানির ধনাত্মক মেরুর দিকে আবর্তিত হয়ে পারস্পরিক আকর্ষণ অনুভব করে। ফলে ল্যাটিসের আয়নসমূহের মধ্যকার কুলম্ব আকর্ষণ কমতে থাকে এবং আয়নগুলো দ্রাবক পানির অণু দ্বারা বেষ্টিত অবস্থায় ল্যাটিস হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে দ্রাবকে দ্রবীভূত হয়।
এর বিয়োজিত হয়ে ও আয়ন গঠন করে । কে ঘিরে পানির ঋণাত্মক অক্সিজেন আয়ন ও কে ঘিরে পানির ধনাত্মক হাইড্রোজেন ( ) আয়ন আকৃষ্ট হয়। ফলে এদের হাইড্রেশন শক্তি বৃদ্ধি পেয়ে পানিতে দ্রবণীয় হয় ।
অপরদিকে, একটি অপোলার সমযোজী যৌগ। এজন্য এটি ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আয়ন সৃষ্টি করতে পারে না বলে এটি পোলার পানি অণু দ্বারা আকৃষ্ট হয় না। তাই এটি পানিতে অদ্রবণীয়।
