| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘…’ ২০১৮ – জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ১১
কপাললিক শিলায় প্রস্তুরীভূত ও সংরক্ষিত সুদূর অতীতের বিলুপ্ত জীবদেহের অংশ বিশেষই হলো জীবাশ্ম।
দুটি নিকটবর্তী পর্ব বা শ্রেণির মধ্যবর্তী দশার জীবাশ্মকে সংযোগকারী যোগসূত্র বলা হয়। আর্কিওপটেরিক্স এ ধরনের একটি জীবাশ্ম। এতে পাখি ও সরিসৃপ উভয় শ্রেণির বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। তাই একে সরিসৃপ থেকে পাখি উদ্ভবের সংযোগকারী যোগসূত্র বলা হয়। এর জীবাশ্ম থেকে ইহার প্রমাণও পাওয়া যায়।
উদ্দীপকে মূক-বধির ব্যক্তির মধ্যে ক্রস করানো হয়েছে এবং F₁ অর্থাৎ ১ম বংশধর স্বাভাবিক পাওয়া গেছে। নিম্নে এর কারণ ব্যাখ্যা করা হলো- মানুষের জন্মগত মূকবধিরতা হয় দ্বৈত প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাসিসের কারণে। এতে দুটি ভিন্ন লোকাসে অবস্থিত দুটি প্রচ্ছন্ন অ্যালিল পরস্পরের প্রকট অ্যালিলকে নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা দেয়। এক্ষেত্রে জিন দুটো যখন হোমোজাইগাস প্রচ্ছন্ন অবস্থায় থাকে তখন অন্য প্রকট জিনের বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা দেয়। তাই দুই জন মূক-বধির ব্যক্তির মধ্যে ক্রস করালে ১ম বংশধরে জিনগুলো হেটারোজাইগাস অবস্থায় থাকে বলে এবং সবাই স্বাভাবিক বাক-শ্রবণক্ষম হয়।
উদ্দীপকে দুই জন মূক-বধির ব্যক্তির মধ্যে ক্রস করানো হয়েছে। এটি মূলত দ্বৈত প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাসিসের উদাহরণ। এক্ষেত্রে F₁ জনুতে সবাই স্বাভাবিক হবে কিন্তু এপিস্ট্যাটিক জিন বহন করবে। ফলে F2 জনুতে বিভিন্ন অনুপাতে স্বাভাবিক মূক-বধির সন্তান পাওয়া যাবে। নিম্নে চেকার বোর্ডের মাধ্যমে F₂ জনুর ফলাফল ব্যাখ্যা করা হলো-
F₁ জনুর মধ্যে ক্রস:
স্বাভাবিক বাক-শ্রবণক্ষম এবং মূক-বধির সন্তানের সংখ্যা হলো যথাক্রমে ৯ এবং ৭ অর্থাৎ ৯ : ৭ অনুপাতে এই বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়।