| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘…’ ২০২৪ – চলন ও অঙগচালনা, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৭
যে কলা প্রাণীদেহের বিভিন্ন অঙ্গ বা একই অঙ্গের বিভিন্ন অংশকে সংযুক্ত করে তাদের মধ্যে যোগসূত্র রচনা করে তাকে যোজক কলা বলে।
সকল মেরুদণ্ডীই কর্ডেট। কারণ, কর্ডাটা পর্বের প্রাণীদের সারাজীবন অথবা শুধু ভ্রূণাবস্থায় দেহের পৃষ্ঠদেশের মাঝ বরাবর একটি নরম, দণ্ডাকার, দৃঢ় ও অখণ্ডায়িত নটোকর্ড থাকে। শুধু উন্নত কর্ডাটায় এটি মেরুদণ্ড দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। অর্থাৎ শুধু উন্নত কর্ডাটা প্রাণীদের মেরুদণ্ড থাকে, নটোকর্ড বিশিষ্ট অন্য কর্ডেটদের মেরুদণ্ড থাকে না। এজন্য বলা হয় সকল মেরুদণ্ডী প্রাণী কর্ডেট, সকল কর্ডেট মেরুদণ্ডী নয়।
উদ্দীপকের E হলো অস্থিভঙ্গ। অস্থিভঙ্গের প্রাথমিক চিকিৎসা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
১. অস্থিভঙ্গের মাত্রা ও সঠিক স্থান চিহ্নিত করতে হবে।
২. আঘাত প্রাপ্ত ব্যক্তির নড়াচড়া বন্ধ করতে হবে।
৩. সমস্ত ক্ষত পরিষ্কার করতে হবে।
৪. রক্ত সঞ্চালনে বাধা হতে পারে এমন টাইট জামা-কাপড়, গয়নাগাটি সরিয়ে ফেলতে হবে তা না হলে ভাঙ্গা হাড়ে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
৫. ভাঙ্গা হাড়ের জায়গায় রক্ত প্রবাহ, সঞ্চালন ও সংবেদন পরীক্ষা করতে হবে।
৬. রক্ত প্রবাহ ও সঞ্চালন পুনরায় পরীক্ষা করতে হবে।
৭. ভাঙ্গা হাড়ের জায়গাটি যেন ফুলে না উঠে সেজন্য আঘাত পাওয়া জায়গা ৮ – ১০ ইঞ্চি উচুঁতে রাখতে হবে।
৮. অস্থিভঙ্গের জায়গায় বরফ দেওয়া যেতে পারে তবে দেখতে হবে জায়গাটি যেন ঠাণ্ডায় অসার না হয়ে যায়।
১০. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া রোগীকে কিছু খাওয়ানো বা পান করানো যাবে না। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব রোগীকে নিকটস্থ হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হবে।
উদ্দীপকে F হলো রুই মাছের জীবনচক্র। নিচে রুই মাছের জীবনচক্র বিশ্লেষণ করা হলো-
১. ডিম : রুই মাছের বহিঃনিষেক ঘটে অর্থাৎ পানিতে সংঘটিত হয়। রুই মাছের নিষিক্ত ডিম বৃহৎ, গোলাকার, লালচে বর্ণের, ভারী ও আঠালো আবরণযুক্ত হয়। এদের ব্যাস ৪.১ – ৪.৮ মিলিমিটার । হয়। রুই মাছের ডিমগুলো নিষেকের পর পানিতে ডুবে যায় বলে এদের ডিমারসাল ডিম বলে। নিষিক্তকরণের ৪৫ মিনিটের মধ্যে জাইগোটের বিভাজন শুরু হয়। নিষিক্তকরণের ১৪ ঘন্টা পর ডিম ফুটতে আরম্ভ করে। (অনেক মাছের বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছের ডিমগুলো আকারে ছোট, হালকা ও আঠালো আবরণ বিহীন এবং নিষেকের পর পানিতে ভেসে থাকে বলে এদের পেলাজিক ডিম বলে ।
২. রেণু পোনা : ডিম থেকে সদ্য নির্গত বয়স থেকে শুরু করে ৭২ ঘণ্টা বয়স পর্যন্ত পোনাকে রেণু পোনা বলে। এগুলো দৈর্ঘ্যে সর্বোচ্চ ৭ মিলিমিটার পর্যন্ত হয়।
৩. ধানী পোনা : ৭২ ঘণ্টা বয়স থেকে ৮ দিন বয়স পর্যন্ত পোনাকে ধানী পোনা বলে । এগুলো দৈর্ঘ্যে ১২ মিলিমিটার পর্যন্ত হয়।
৪. আঙ্গুলি পোনা : ৯ দিন বয়স থেকে ৩০ দিন বয়স পর্যন্ত পোনাকে আঙ্গুলি পোনা বলে । এটি দৈর্ঘ্যে প্রায় ৩০ মিলিমিটার হয়।
৫. ব্রুড মাছ : রুই মাছ সাধারণত দেড় থেকে দুই বছর বয়সে যৌন পরিপক্কতা লাভ করে । একে ব্রুড মাছ বলে।